ঢাকা    শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
দৈনিক উন্নয়নে বাংলাদেশ

২০২৭ থেকে এক প্রশ্নপত্রে পরীক্ষা, বদলাচ্ছে দেশের শিক্ষা ব্যবস্থা


নিজস্ব প্রতিবেদক
নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশ : ২৪ জুন ২০২৬

২০২৭ থেকে এক প্রশ্নপত্রে পরীক্ষা, বদলাচ্ছে দেশের শিক্ষা ব্যবস্থা
ছবি: সংগৃহীত

দেশের শিক্ষা ব্যবস্থায় বিদ্যমান বৈষম্য দূর করতে আগামী বছর (২০২৭) থেকে সাধারণ শিক্ষা বোর্ডের পাশাপাশি মাদ্রাসা ও কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের সব আবশ্যিক এবং সাধারণ বিষয়ের পরীক্ষা একই দিনে অভিন্ন প্রশ্নপত্রে অনুষ্ঠিত হবে বলে জানিয়েছেন শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন।

বুধবার সকালে রাজধানীর আজিমপুর গার্লস স্কুল অ্যান্ড কলেজ অডিটোরিয়ামে আসন্ন এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষা-২০২৬ উপলক্ষে চার শিক্ষা বোর্ডের কেন্দ্র সচিবদের সঙ্গে অনুষ্ঠিত মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ ঘোষণা দেন।

শিক্ষামন্ত্রী বলেন, ‘একটি রাষ্ট্র, একটি শিক্ষা মন্ত্রণালয় এবং একই সিলেবাস থাকার পরও বিভিন্ন বোর্ডে আলাদা প্রশ্নপত্রে পরীক্ষা নেওয়ার কোনো যৌক্তিকতা নেই। আমরা এবার ৯টি সাধারণ শিক্ষা বোর্ডকে এক সুতায় বেঁধেছি এবং একক প্রশ্নপত্রে পরীক্ষা নেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছি। আগামী বছর থেকে মাদ্রাসা ও কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের ক্ষেত্রেও বাংলা, ইংরেজির মতো সাধারণ বিষয়গুলোর পরীক্ষা একই প্রশ্নপত্রে ও একই সময়ে অনুষ্ঠিত হবে।’

চলতি বছরের এইচএসসি পরীক্ষায় একক প্রশ্নপত্র চালুর বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের সতর্ক করে তিনি বলেন, প্রশ্নপত্র বিতরণে কোনো ধরনের ভুল বা কোড বিভ্রাটের সুযোগ নেই। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) এবং সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে সমন্বয় করে সঠিক নিয়মে প্রশ্নপত্র কেন্দ্রে পৌঁছাতে হবে। এ ক্ষেত্রে কোনো গাফিলতি হলে দায়ীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

মন্ত্রী আরও বলেন, ‘প্রশ্ন বিতরণে ভুল হলে শুধু দুঃখ প্রকাশ করে দায় এড়ানোর সুযোগ থাকবে না। যার ভুল, তাকেই জবাবদিহির মুখোমুখি হতে হবে।’

সভায় তিনি আরও জানান, শিক্ষা কার্যক্রমকে সময়োপযোগী করতে পরীক্ষা পদ্ধতিতেও পরিবর্তন আনা হচ্ছে। এর অংশ হিসেবে ২০২৭ সাল থেকে মাধ্যমিক স্কুল সার্টিফিকেট (এসএসসি) পরীক্ষা জানুয়ারি মাসে অনুষ্ঠিত হবে।

তিনি বলেন, ‘আগের পরীক্ষা আইন সংশোধন করে বর্তমান সময়ের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ করা হয়েছে। নতুন পরিকল্পনা অনুযায়ী পরীক্ষার সময়সূচিতে পরিবর্তন আনা হচ্ছে।’

আপনার মতামত লিখুন

দৈনিক উন্নয়নে বাংলাদেশ

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬


২০২৭ থেকে এক প্রশ্নপত্রে পরীক্ষা, বদলাচ্ছে দেশের শিক্ষা ব্যবস্থা

প্রকাশের তারিখ : ২৪ জুন ২০২৬

featured Image

দেশের শিক্ষা ব্যবস্থায় বিদ্যমান বৈষম্য দূর করতে আগামী বছর (২০২৭) থেকে সাধারণ শিক্ষা বোর্ডের পাশাপাশি মাদ্রাসা ও কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের সব আবশ্যিক এবং সাধারণ বিষয়ের পরীক্ষা একই দিনে অভিন্ন প্রশ্নপত্রে অনুষ্ঠিত হবে বলে জানিয়েছেন শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন।

বুধবার সকালে রাজধানীর আজিমপুর গার্লস স্কুল অ্যান্ড কলেজ অডিটোরিয়ামে আসন্ন এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষা-২০২৬ উপলক্ষে চার শিক্ষা বোর্ডের কেন্দ্র সচিবদের সঙ্গে অনুষ্ঠিত মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ ঘোষণা দেন।

শিক্ষামন্ত্রী বলেন, ‘একটি রাষ্ট্র, একটি শিক্ষা মন্ত্রণালয় এবং একই সিলেবাস থাকার পরও বিভিন্ন বোর্ডে আলাদা প্রশ্নপত্রে পরীক্ষা নেওয়ার কোনো যৌক্তিকতা নেই। আমরা এবার ৯টি সাধারণ শিক্ষা বোর্ডকে এক সুতায় বেঁধেছি এবং একক প্রশ্নপত্রে পরীক্ষা নেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছি। আগামী বছর থেকে মাদ্রাসা ও কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের ক্ষেত্রেও বাংলা, ইংরেজির মতো সাধারণ বিষয়গুলোর পরীক্ষা একই প্রশ্নপত্রে ও একই সময়ে অনুষ্ঠিত হবে।’

চলতি বছরের এইচএসসি পরীক্ষায় একক প্রশ্নপত্র চালুর বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের সতর্ক করে তিনি বলেন, প্রশ্নপত্র বিতরণে কোনো ধরনের ভুল বা কোড বিভ্রাটের সুযোগ নেই। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) এবং সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে সমন্বয় করে সঠিক নিয়মে প্রশ্নপত্র কেন্দ্রে পৌঁছাতে হবে। এ ক্ষেত্রে কোনো গাফিলতি হলে দায়ীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

মন্ত্রী আরও বলেন, ‘প্রশ্ন বিতরণে ভুল হলে শুধু দুঃখ প্রকাশ করে দায় এড়ানোর সুযোগ থাকবে না। যার ভুল, তাকেই জবাবদিহির মুখোমুখি হতে হবে।’

সভায় তিনি আরও জানান, শিক্ষা কার্যক্রমকে সময়োপযোগী করতে পরীক্ষা পদ্ধতিতেও পরিবর্তন আনা হচ্ছে। এর অংশ হিসেবে ২০২৭ সাল থেকে মাধ্যমিক স্কুল সার্টিফিকেট (এসএসসি) পরীক্ষা জানুয়ারি মাসে অনুষ্ঠিত হবে।

তিনি বলেন, ‘আগের পরীক্ষা আইন সংশোধন করে বর্তমান সময়ের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ করা হয়েছে। নতুন পরিকল্পনা অনুযায়ী পরীক্ষার সময়সূচিতে পরিবর্তন আনা হচ্ছে।’


দৈনিক উন্নয়নে বাংলাদেশ

সম্পাদক ও প্রকাশক: মোঃ ফয়সাল আলম , মোবাইল- ০১৯১৬৫৫৭০১৭
  প্রধান সম্পাদক: মো: আতাউর রহমান, মোবাইল: ০২৪১০৯১৭৩০

কপিরাইট © ২০২৫ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত দৈনিক উন্নয়নে বাংলাদেশ