কিয়ার স্টারমার আবারও নিজের দলের ভেতর থেকেই বড় ধরনের চাপের মুখে পড়েছেন। ১০০ জনেরও বেশি লেবার এমপি তাকে পদত্যাগের আহ্বান জানিয়েছেন এবং দ্রুত নেতৃত্ব ছাড়ার একটি সময়সূচি দেওয়ার দাবি তুলেছেন।
দলের ভেতরের একাংশ এমনকি সতর্ক করেছে, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে পদত্যাগের ঘোষণা না এলে তাকে জোর করে সরানোর প্রক্রিয়া শুরু হতে পারে। তবে কিয়ার স্টারমার স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন, তিনি পদ ছাড়ছেন না এবং যেকোনো রাজনৈতিক চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করবেন।
সম্প্রতি উত্তর ইংল্যান্ডে একটি উপনির্বাচনে বড় ব্যবধানে জয় পাওয়ার পর দলীয় রাজনীতিতে নতুন করে উত্তাপ তৈরি হয়। ওই বিজয়ের পর থেকেই অ্যান্ডি বার্নহাম–কে ঘিরে নেতৃত্ব পরিবর্তনের আলোচনা আরও জোরালো হয়েছে।
লেবার পার্টির ভেতরে ‘রেড ওয়াল’ গ্রুপের কয়েকজন প্রভাবশালী এমপিসহ একাধিক নেতা প্রকাশ্যে স্টারমারের বিরুদ্ধে অবস্থান নিয়েছেন। কেউ কেউ সরাসরি বার্নহামকে ভবিষ্যৎ নেতৃত্বের বিকল্প হিসেবে তুলে ধরছেন।
মন্ত্রিসভার কয়েকজন সদস্যও ক্ষমতা হস্তান্তরের ইঙ্গিত দিয়েছেন, যা দলীয় বিভাজন আরও বাড়িয়ে তুলেছে। এর ফলে লেবার পার্টির অভ্যন্তরীণ রাজনীতি এখন নতুন করে অস্থিরতার মধ্যে রয়েছে।
সূত্র: ডেইলি টেলিগ্রাফ, বিবিসি
এস.আর

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২০ জুন ২০২৬
কিয়ার স্টারমার আবারও নিজের দলের ভেতর থেকেই বড় ধরনের চাপের মুখে পড়েছেন। ১০০ জনেরও বেশি লেবার এমপি তাকে পদত্যাগের আহ্বান জানিয়েছেন এবং দ্রুত নেতৃত্ব ছাড়ার একটি সময়সূচি দেওয়ার দাবি তুলেছেন।
দলের ভেতরের একাংশ এমনকি সতর্ক করেছে, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে পদত্যাগের ঘোষণা না এলে তাকে জোর করে সরানোর প্রক্রিয়া শুরু হতে পারে। তবে কিয়ার স্টারমার স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন, তিনি পদ ছাড়ছেন না এবং যেকোনো রাজনৈতিক চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করবেন।
সম্প্রতি উত্তর ইংল্যান্ডে একটি উপনির্বাচনে বড় ব্যবধানে জয় পাওয়ার পর দলীয় রাজনীতিতে নতুন করে উত্তাপ তৈরি হয়। ওই বিজয়ের পর থেকেই অ্যান্ডি বার্নহাম–কে ঘিরে নেতৃত্ব পরিবর্তনের আলোচনা আরও জোরালো হয়েছে।
লেবার পার্টির ভেতরে ‘রেড ওয়াল’ গ্রুপের কয়েকজন প্রভাবশালী এমপিসহ একাধিক নেতা প্রকাশ্যে স্টারমারের বিরুদ্ধে অবস্থান নিয়েছেন। কেউ কেউ সরাসরি বার্নহামকে ভবিষ্যৎ নেতৃত্বের বিকল্প হিসেবে তুলে ধরছেন।
মন্ত্রিসভার কয়েকজন সদস্যও ক্ষমতা হস্তান্তরের ইঙ্গিত দিয়েছেন, যা দলীয় বিভাজন আরও বাড়িয়ে তুলেছে। এর ফলে লেবার পার্টির অভ্যন্তরীণ রাজনীতি এখন নতুন করে অস্থিরতার মধ্যে রয়েছে।
সূত্র: ডেইলি টেলিগ্রাফ, বিবিসি
এস.আর

আপনার মতামত লিখুন