নড়াইলে বিয়ের বাড়িতে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে এক ব্যক্তির মৃত্যুতে আনন্দঘন পরিবেশে নেমে এসেছে শোকের ছায়া।
শুক্রবার (১৯ জুন) রাত ৮টার দিকে সদর উপজেলার কলোড়া ইউনিয়নের মুসুড়ি গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। নিহত ব্যক্তি নকুল মল্লিক (৫২)। তিনি ওই গ্রামের মৃত সতিস চন্দ্র মল্লিকের ছেলে।
পরিবার ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ওই রাতে নকুল মল্লিকের ভাতিজির বিয়ের অনুষ্ঠান চলছিল। ধোপাখোলা এলাকা থেকে বরযাত্রী দল বিয়ে বাড়িতে পৌঁছালে বরণ করার প্রস্তুতি চলছিল। বরকে স্বাগত জানাতে অন্যান্যদের সঙ্গে গেটের দিকে যান নকুল মল্লিক।
এ সময় বিয়ে বাড়ির আলোকসজ্জার জন্য টানানো বিদ্যুতের তারের সংস্পর্শে এসে তিনি বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হন। উপস্থিত লোকজন দ্রুত তাকে উদ্ধার করে নড়াইল জেলা হাসপাতালে নিলে জরুরি বিভাগে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
তার মৃত্যুর খবর ছড়িয়ে পড়লে বিয়ের বাড়ির আনন্দ মুহূর্তেই বিষাদে পরিণত হয়। কান্নায় ভেঙে পড়েন স্বজন ও উপস্থিত অতিথিরা।
নড়াইল সদর থানার ওসি অজয় কুমার কুন্ডু জানান, আইনগত প্রক্রিয়া শেষে মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২০ জুন ২০২৬
নড়াইলে বিয়ের বাড়িতে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে এক ব্যক্তির মৃত্যুতে আনন্দঘন পরিবেশে নেমে এসেছে শোকের ছায়া।
শুক্রবার (১৯ জুন) রাত ৮টার দিকে সদর উপজেলার কলোড়া ইউনিয়নের মুসুড়ি গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। নিহত ব্যক্তি নকুল মল্লিক (৫২)। তিনি ওই গ্রামের মৃত সতিস চন্দ্র মল্লিকের ছেলে।
পরিবার ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ওই রাতে নকুল মল্লিকের ভাতিজির বিয়ের অনুষ্ঠান চলছিল। ধোপাখোলা এলাকা থেকে বরযাত্রী দল বিয়ে বাড়িতে পৌঁছালে বরণ করার প্রস্তুতি চলছিল। বরকে স্বাগত জানাতে অন্যান্যদের সঙ্গে গেটের দিকে যান নকুল মল্লিক।
এ সময় বিয়ে বাড়ির আলোকসজ্জার জন্য টানানো বিদ্যুতের তারের সংস্পর্শে এসে তিনি বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হন। উপস্থিত লোকজন দ্রুত তাকে উদ্ধার করে নড়াইল জেলা হাসপাতালে নিলে জরুরি বিভাগে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
তার মৃত্যুর খবর ছড়িয়ে পড়লে বিয়ের বাড়ির আনন্দ মুহূর্তেই বিষাদে পরিণত হয়। কান্নায় ভেঙে পড়েন স্বজন ও উপস্থিত অতিথিরা।
নড়াইল সদর থানার ওসি অজয় কুমার কুন্ডু জানান, আইনগত প্রক্রিয়া শেষে মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন