বরিশালের বাবুগঞ্জ উপজেলার চাঁদপাশা ইউনিয়নে চাঁদা দাবির অভিযোগে গণপিটুনির ঘটনার পর বিএনপির দুই নেতার দলীয় পদ সাময়িকভাবে স্থগিত করা হয়েছে। দলীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গ ও সংগঠনবিরোধী কর্মকাণ্ডের অভিযোগে তাদের বিরুদ্ধে এ ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছে স্থানীয় বিএনপি।
স্থগিত হওয়া নেতারা হলেন চাঁদপাশা ইউনিয়নের ২ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি ও ইউনিয়ন বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক মেহেদী হাসান জাকির মোল্লা এবং একই ওয়ার্ড বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক আব্দুর রাজ্জাক।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সোমবার রাতে চাঁদপাশা ইউনিয়নের রেইনট্রিতলা এলাকায় এক বালু ব্যবসায়ীর কাছে চাঁদা দাবি করার অভিযোগ ওঠে ওই দুই নেতার বিরুদ্ধে। এ সময় ক্ষুব্ধ স্থানীয়রা তাদের আটক করে গণপিটুনি দেয়। পরে মুচলেকা নিয়ে তাদের ছেড়ে দেওয়া হয়।
ঘটনার পর চাঁদপাশা ইউনিয়ন বিএনপি এক নোটিশে জানায়, অভিযোগের প্রেক্ষিতে দুই নেতার সব সাংগঠনিক পদ সাময়িকভাবে স্থগিত করা হয়েছে। পাশাপাশি দলীয় নেতাকর্মীদের তাদের সঙ্গে সাংগঠনিক যোগাযোগ না রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত তারা দলের কোনো কার্যক্রমে অংশ নিতে পারবেন না বলেও নোটিশে উল্লেখ করা হয়।
এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকাজুড়ে ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনার সৃষ্টি হয়েছে। অভিযোগের বিষয়ে দলীয়ভাবে আরও তদন্ত করে পরবর্তী সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৬ জুন ২০২৬
বরিশালের বাবুগঞ্জ উপজেলার চাঁদপাশা ইউনিয়নে চাঁদা দাবির অভিযোগে গণপিটুনির ঘটনার পর বিএনপির দুই নেতার দলীয় পদ সাময়িকভাবে স্থগিত করা হয়েছে। দলীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গ ও সংগঠনবিরোধী কর্মকাণ্ডের অভিযোগে তাদের বিরুদ্ধে এ ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছে স্থানীয় বিএনপি।
স্থগিত হওয়া নেতারা হলেন চাঁদপাশা ইউনিয়নের ২ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি ও ইউনিয়ন বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক মেহেদী হাসান জাকির মোল্লা এবং একই ওয়ার্ড বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক আব্দুর রাজ্জাক।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সোমবার রাতে চাঁদপাশা ইউনিয়নের রেইনট্রিতলা এলাকায় এক বালু ব্যবসায়ীর কাছে চাঁদা দাবি করার অভিযোগ ওঠে ওই দুই নেতার বিরুদ্ধে। এ সময় ক্ষুব্ধ স্থানীয়রা তাদের আটক করে গণপিটুনি দেয়। পরে মুচলেকা নিয়ে তাদের ছেড়ে দেওয়া হয়।
ঘটনার পর চাঁদপাশা ইউনিয়ন বিএনপি এক নোটিশে জানায়, অভিযোগের প্রেক্ষিতে দুই নেতার সব সাংগঠনিক পদ সাময়িকভাবে স্থগিত করা হয়েছে। পাশাপাশি দলীয় নেতাকর্মীদের তাদের সঙ্গে সাংগঠনিক যোগাযোগ না রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত তারা দলের কোনো কার্যক্রমে অংশ নিতে পারবেন না বলেও নোটিশে উল্লেখ করা হয়।
এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকাজুড়ে ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনার সৃষ্টি হয়েছে। অভিযোগের বিষয়ে দলীয়ভাবে আরও তদন্ত করে পরবর্তী সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে।

আপনার মতামত লিখুন