পাকিস্তান বিমানবাহিনীর একটি প্রশিক্ষণ যুদ্ধবিমান বিধ্বস্ত হয়ে দুই পাইলট নিহত হয়েছেন। দেশটির উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলীয় মারদান জেলার কাছে নিয়মিত প্রশিক্ষণ উড্ডয়নের সময় এ দুর্ঘটনা ঘটে।
পাকিস্তান সামরিক বাহিনীর এক বিবৃতিতে জানানো হয়েছে, বিমানটি প্রশিক্ষণ মিশনে থাকাকালে হঠাৎ নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে বিধ্বস্ত হয়। দুর্ঘটনায় বিমানবাহিনীর ফ্লাইট লেফটেন্যান্ট মুহাম্মদ কাসিম আবদুল্লাহ এবং নৌবাহিনীর লেফটেন্যান্ট তাহা আব্বাসি ঘটনাস্থলেই নিহত হন।
দুর্ঘটনার পরপরই উদ্ধারকারী দল ঘটনাস্থলে পৌঁছে উদ্ধার অভিযান চালায়। তবে বিমানটি সম্পূর্ণ ধ্বংস হয়ে যাওয়ায় দুই পাইলটকে জীবিত উদ্ধার করা সম্ভব হয়নি।
বিমান দুর্ঘটনার প্রকৃত কারণ জানতে পাকিস্তান বিমানবাহিনী একটি তদন্ত কমিটি গঠন করেছে। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, যান্ত্রিক ত্রুটি অথবা প্রযুক্তিগত কোনো সমস্যার কারণে দুর্ঘটনাটি ঘটতে পারে। তবে তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত নিশ্চিতভাবে কিছু বলা যাচ্ছে না।
এদিকে দুর্ঘটনায় নিহত দুই পাইলটের প্রতি গভীর শোক প্রকাশ করেছেন পাকিস্তানের প্রেসিডেন্ট, প্রধানমন্ত্রী এবং সামরিক বাহিনীর ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা। তারা নিহতদের পরিবারের সদস্যদের প্রতি সমবেদনা জানিয়েছেন এবং তাদের আত্মার মাগফিরাত কামনা করেছেন।
সাম্প্রতিক সময়ে পাকিস্তানে সামরিক উড়োজাহাজ দুর্ঘটনার সংখ্যা বেড়ে যাওয়ায় দেশটির প্রতিরক্ষা ও বিমান নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়ে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৫ জুন ২০২৬
পাকিস্তান বিমানবাহিনীর একটি প্রশিক্ষণ যুদ্ধবিমান বিধ্বস্ত হয়ে দুই পাইলট নিহত হয়েছেন। দেশটির উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলীয় মারদান জেলার কাছে নিয়মিত প্রশিক্ষণ উড্ডয়নের সময় এ দুর্ঘটনা ঘটে।
পাকিস্তান সামরিক বাহিনীর এক বিবৃতিতে জানানো হয়েছে, বিমানটি প্রশিক্ষণ মিশনে থাকাকালে হঠাৎ নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে বিধ্বস্ত হয়। দুর্ঘটনায় বিমানবাহিনীর ফ্লাইট লেফটেন্যান্ট মুহাম্মদ কাসিম আবদুল্লাহ এবং নৌবাহিনীর লেফটেন্যান্ট তাহা আব্বাসি ঘটনাস্থলেই নিহত হন।
দুর্ঘটনার পরপরই উদ্ধারকারী দল ঘটনাস্থলে পৌঁছে উদ্ধার অভিযান চালায়। তবে বিমানটি সম্পূর্ণ ধ্বংস হয়ে যাওয়ায় দুই পাইলটকে জীবিত উদ্ধার করা সম্ভব হয়নি।
বিমান দুর্ঘটনার প্রকৃত কারণ জানতে পাকিস্তান বিমানবাহিনী একটি তদন্ত কমিটি গঠন করেছে। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, যান্ত্রিক ত্রুটি অথবা প্রযুক্তিগত কোনো সমস্যার কারণে দুর্ঘটনাটি ঘটতে পারে। তবে তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত নিশ্চিতভাবে কিছু বলা যাচ্ছে না।
এদিকে দুর্ঘটনায় নিহত দুই পাইলটের প্রতি গভীর শোক প্রকাশ করেছেন পাকিস্তানের প্রেসিডেন্ট, প্রধানমন্ত্রী এবং সামরিক বাহিনীর ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা। তারা নিহতদের পরিবারের সদস্যদের প্রতি সমবেদনা জানিয়েছেন এবং তাদের আত্মার মাগফিরাত কামনা করেছেন।
সাম্প্রতিক সময়ে পাকিস্তানে সামরিক উড়োজাহাজ দুর্ঘটনার সংখ্যা বেড়ে যাওয়ায় দেশটির প্রতিরক্ষা ও বিমান নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়ে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন