ভারতের রাজধানী নয়াদিল্লিতে অনুষ্ঠিত বিজিবি-বিএসএফ মহাপরিচালক পর্যায়ের বৈঠকে সীমান্তে ‘পুশ-ইন’ বা জোরপূর্বক লোকজনকে বাংলাদেশে ঠেলে পাঠানোর ঘটনা বন্ধে কড়া অবস্থান নিয়েছে বাংলাদেশ। বৈঠকে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী বিএসএফকে এ ধরনের কার্যক্রম অবিলম্বে বন্ধ করার আহ্বান জানিয়েছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)।
বিজিবি মহাপরিচালক মেজর জেনারেল মোহাম্মদ আশরাফুজ্জামান সিদ্দিকী বলেন, সাম্প্রতিক সময়ে রোহিঙ্গা, মিয়ানমারের নাগরিক এবং ভারতীয় নাগরিকদের বাংলাদেশে ‘পুশ-ইন’ করার যে ঘটনা ঘটেছে, তা দুই দেশের মধ্যে বিদ্যমান চুক্তি ও সীমান্ত ব্যবস্থাপনার নীতিমালার পরিপন্থী।
তিনি স্পষ্টভাবে জানান, কোনো ব্যক্তি যথাযথ যাচাই-বাছাই শেষে বাংলাদেশি নাগরিক হিসেবে প্রমাণিত হলে প্রচলিত দ্বিপাক্ষিক প্রত্যাবাসন প্রক্রিয়ার মাধ্যমেই বাংলাদেশ তাকে গ্রহণ করবে। তবে কোনোভাবেই একতরফাভাবে সীমান্ত দিয়ে লোকজন ঠেলে পাঠানো গ্রহণযোগ্য নয়।
বৈঠকে সীমান্ত হত্যা, মাদক ও অস্ত্র চোরাচালান, মানবপাচার, অবৈধ অনুপ্রবেশ এবং সীমান্ত নিরাপত্তা জোরদারের বিষয়েও আলোচনা হয়। উভয় দেশের প্রতিনিধিরা সীমান্তে শান্তি ও স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে পারস্পরিক সহযোগিতা বৃদ্ধির ওপর গুরুত্বারোপ করেন।
এ সময় সীমান্তে প্রাণহানি শূন্যের কোঠায় নামিয়ে আনা এবং সকল ধরনের আন্তঃসীমান্ত অপরাধ প্রতিরোধে সমন্বিত উদ্যোগ গ্রহণের বিষয়ে দুই পক্ষ একমত হয়।
বিশ্লেষকদের মতে, সীমান্ত ব্যবস্থাপনা ও দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের ক্ষেত্রে ‘পুশ-ইন’ ইস্যু দীর্ঘদিনের একটি স্পর্শকাতর বিষয়। নয়াদিল্লির এই বৈঠকে বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে উত্থাপন করায় ভবিষ্যতে সমস্যার সমাধানে ইতিবাচক অগ্রগতি হতে পারে বলে আশা করা হচ্ছে।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৩ জুন ২০২৬
ভারতের রাজধানী নয়াদিল্লিতে অনুষ্ঠিত বিজিবি-বিএসএফ মহাপরিচালক পর্যায়ের বৈঠকে সীমান্তে ‘পুশ-ইন’ বা জোরপূর্বক লোকজনকে বাংলাদেশে ঠেলে পাঠানোর ঘটনা বন্ধে কড়া অবস্থান নিয়েছে বাংলাদেশ। বৈঠকে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী বিএসএফকে এ ধরনের কার্যক্রম অবিলম্বে বন্ধ করার আহ্বান জানিয়েছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)।
বিজিবি মহাপরিচালক মেজর জেনারেল মোহাম্মদ আশরাফুজ্জামান সিদ্দিকী বলেন, সাম্প্রতিক সময়ে রোহিঙ্গা, মিয়ানমারের নাগরিক এবং ভারতীয় নাগরিকদের বাংলাদেশে ‘পুশ-ইন’ করার যে ঘটনা ঘটেছে, তা দুই দেশের মধ্যে বিদ্যমান চুক্তি ও সীমান্ত ব্যবস্থাপনার নীতিমালার পরিপন্থী।
তিনি স্পষ্টভাবে জানান, কোনো ব্যক্তি যথাযথ যাচাই-বাছাই শেষে বাংলাদেশি নাগরিক হিসেবে প্রমাণিত হলে প্রচলিত দ্বিপাক্ষিক প্রত্যাবাসন প্রক্রিয়ার মাধ্যমেই বাংলাদেশ তাকে গ্রহণ করবে। তবে কোনোভাবেই একতরফাভাবে সীমান্ত দিয়ে লোকজন ঠেলে পাঠানো গ্রহণযোগ্য নয়।
বৈঠকে সীমান্ত হত্যা, মাদক ও অস্ত্র চোরাচালান, মানবপাচার, অবৈধ অনুপ্রবেশ এবং সীমান্ত নিরাপত্তা জোরদারের বিষয়েও আলোচনা হয়। উভয় দেশের প্রতিনিধিরা সীমান্তে শান্তি ও স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে পারস্পরিক সহযোগিতা বৃদ্ধির ওপর গুরুত্বারোপ করেন।
এ সময় সীমান্তে প্রাণহানি শূন্যের কোঠায় নামিয়ে আনা এবং সকল ধরনের আন্তঃসীমান্ত অপরাধ প্রতিরোধে সমন্বিত উদ্যোগ গ্রহণের বিষয়ে দুই পক্ষ একমত হয়।
বিশ্লেষকদের মতে, সীমান্ত ব্যবস্থাপনা ও দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের ক্ষেত্রে ‘পুশ-ইন’ ইস্যু দীর্ঘদিনের একটি স্পর্শকাতর বিষয়। নয়াদিল্লির এই বৈঠকে বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে উত্থাপন করায় ভবিষ্যতে সমস্যার সমাধানে ইতিবাচক অগ্রগতি হতে পারে বলে আশা করা হচ্ছে।

আপনার মতামত লিখুন