ক্যান্সার, কিডনি রোগসহ ছয়টি দুরারোগ্য ব্যাধিতে আক্রান্ত অসচ্ছল রোগীদের জন্য আর্থিক সহায়তা বাড়িয়েছে সরকার। নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, এসব রোগে আক্রান্ত উপকারভোগীরা বছরে সর্বোচ্চ ১ লাখ টাকা পর্যন্ত চিকিৎসা সহায়তা পাবেন।
সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের আওতায় পরিচালিত এ কর্মসূচির মাধ্যমে ক্যান্সার, কিডনি বিকল, লিভার সিরোসিস, জন্মগত হৃদরোগ, থ্যালাসেমিয়া এবং স্ট্রোকে আক্রান্ত দরিদ্র ও অসচ্ছল রোগীদের এই সহায়তা দেওয়া হবে। চিকিৎসা ব্যয়ের ক্রমবর্ধমান চাপ মোকাবিলা এবং রোগীদের প্রয়োজনীয় চিকিৎসাসেবা নিশ্চিত করতেই সহায়তার পরিমাণ বৃদ্ধি করা হয়েছে।
সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে, নির্ধারিত যোগ্যতা ও শর্ত পূরণ সাপেক্ষে রোগীরা এ সহায়তার জন্য আবেদন করতে পারবেন। সরকারের এই উদ্যোগের ফলে দেশের হাজারো অসচ্ছল রোগী উন্নত চিকিৎসা গ্রহণের সুযোগ পাবেন এবং তাদের পরিবারের আর্থিক চাপও অনেকাংশে কমবে।
স্বাস্থ্য ও সমাজকল্যাণ খাতের সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, ব্যয়বহুল চিকিৎসা সেবার ক্ষেত্রে এ ধরনের আর্থিক সহায়তা রোগীদের জন্য গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। বিশেষ করে দীর্ঘমেয়াদি চিকিৎসার প্রয়োজন হয় এমন রোগীদের জন্য এই সহায়তা আশার আলো হয়ে উঠবে।
সরকারের এই সিদ্ধান্তকে মানবিক ও জনকল্যাণমুখী পদক্ষেপ হিসেবে অভিহিত করেছেন সংশ্লিষ্টরা। তারা আশা করছেন, এর মাধ্যমে দুরারোগ্য ব্যাধিতে আক্রান্ত অসচ্ছল মানুষ আরও সহজে প্রয়োজনীয় চিকিৎসাসেবা গ্রহণ করতে পারবেন।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১১ জুন ২০২৬
ক্যান্সার, কিডনি রোগসহ ছয়টি দুরারোগ্য ব্যাধিতে আক্রান্ত অসচ্ছল রোগীদের জন্য আর্থিক সহায়তা বাড়িয়েছে সরকার। নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, এসব রোগে আক্রান্ত উপকারভোগীরা বছরে সর্বোচ্চ ১ লাখ টাকা পর্যন্ত চিকিৎসা সহায়তা পাবেন।
সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের আওতায় পরিচালিত এ কর্মসূচির মাধ্যমে ক্যান্সার, কিডনি বিকল, লিভার সিরোসিস, জন্মগত হৃদরোগ, থ্যালাসেমিয়া এবং স্ট্রোকে আক্রান্ত দরিদ্র ও অসচ্ছল রোগীদের এই সহায়তা দেওয়া হবে। চিকিৎসা ব্যয়ের ক্রমবর্ধমান চাপ মোকাবিলা এবং রোগীদের প্রয়োজনীয় চিকিৎসাসেবা নিশ্চিত করতেই সহায়তার পরিমাণ বৃদ্ধি করা হয়েছে।
সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে, নির্ধারিত যোগ্যতা ও শর্ত পূরণ সাপেক্ষে রোগীরা এ সহায়তার জন্য আবেদন করতে পারবেন। সরকারের এই উদ্যোগের ফলে দেশের হাজারো অসচ্ছল রোগী উন্নত চিকিৎসা গ্রহণের সুযোগ পাবেন এবং তাদের পরিবারের আর্থিক চাপও অনেকাংশে কমবে।
স্বাস্থ্য ও সমাজকল্যাণ খাতের সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, ব্যয়বহুল চিকিৎসা সেবার ক্ষেত্রে এ ধরনের আর্থিক সহায়তা রোগীদের জন্য গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। বিশেষ করে দীর্ঘমেয়াদি চিকিৎসার প্রয়োজন হয় এমন রোগীদের জন্য এই সহায়তা আশার আলো হয়ে উঠবে।
সরকারের এই সিদ্ধান্তকে মানবিক ও জনকল্যাণমুখী পদক্ষেপ হিসেবে অভিহিত করেছেন সংশ্লিষ্টরা। তারা আশা করছেন, এর মাধ্যমে দুরারোগ্য ব্যাধিতে আক্রান্ত অসচ্ছল মানুষ আরও সহজে প্রয়োজনীয় চিকিৎসাসেবা গ্রহণ করতে পারবেন।

আপনার মতামত লিখুন