জলবায়ু পরিবর্তন ও প্রাকৃতিক দুর্যোগের কারণে শিক্ষা কার্যক্রম যাতে ব্যাহত না হয়, সেই লক্ষ্য নিয়ে পরিচালিত বাংলাদেশের ব্যতিক্রমধর্মী ‘ভাসমান বিদ্যালয়’ উদ্যোগ আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি অর্জন করেছে। শিক্ষার প্রসারে অসামান্য অবদানের জন্য ইউনেস্কোর মর্যাদাপূর্ণ স্বীকৃতি পেয়েছে এ উদ্যোগ।
বন্যাপ্রবণ এলাকার শিশুদের দোরগোড়ায় শিক্ষা পৌঁছে দিতে সৌরশক্তিচালিত নৌকাকে শ্রেণিকক্ষ হিসেবে ব্যবহার করে পরিচালিত হচ্ছে এই ভাসমান বিদ্যালয়। দীর্ঘদিন ধরে দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চলে শিক্ষাবঞ্চিত শিশুদের শিক্ষার সুযোগ সৃষ্টি করে আসছে এ প্রকল্প।
সংশ্লিষ্টরা জানান, বর্ষা মৌসুমে যখন অনেক এলাকা পানিতে তলিয়ে যায় এবং শিক্ষার্থীদের বিদ্যালয়ে যাতায়াত কঠিন হয়ে পড়ে, তখন ভাসমান বিদ্যালয়গুলো শিক্ষার্থীদের কাছে পৌঁছে যায়। এতে শিক্ষার ধারাবাহিকতা বজায় থাকে এবং ঝরে পড়ার হারও কমে আসে।
ইউনেস্কো এ উদ্যোগকে উদ্ভাবনী ও টেকসই শিক্ষা ব্যবস্থার একটি অনন্য উদাহরণ হিসেবে উল্লেখ করেছে। বিশেষ করে জলবায়ু ঝুঁকিপূর্ণ অঞ্চলে শিক্ষা নিশ্চিত করার ক্ষেত্রে বাংলাদেশের এই মডেল আন্তর্জাতিক অঙ্গনে প্রশংসা কুড়িয়েছে।
শিক্ষাবিদদের মতে, ভাসমান বিদ্যালয় শুধু একটি শিক্ষা প্রকল্প নয়; এটি জলবায়ু পরিবর্তনের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় বাংলাদেশের সৃজনশীল উদ্ভাবনেরও প্রতীক। ইউনেস্কোর এই স্বীকৃতি দেশের শিক্ষা খাতে নতুন সম্ভাবনার দ্বার উন্মোচন করবে বলেও তারা আশা প্রকাশ করেছেন।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১০ জুন ২০২৬
জলবায়ু পরিবর্তন ও প্রাকৃতিক দুর্যোগের কারণে শিক্ষা কার্যক্রম যাতে ব্যাহত না হয়, সেই লক্ষ্য নিয়ে পরিচালিত বাংলাদেশের ব্যতিক্রমধর্মী ‘ভাসমান বিদ্যালয়’ উদ্যোগ আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি অর্জন করেছে। শিক্ষার প্রসারে অসামান্য অবদানের জন্য ইউনেস্কোর মর্যাদাপূর্ণ স্বীকৃতি পেয়েছে এ উদ্যোগ।
বন্যাপ্রবণ এলাকার শিশুদের দোরগোড়ায় শিক্ষা পৌঁছে দিতে সৌরশক্তিচালিত নৌকাকে শ্রেণিকক্ষ হিসেবে ব্যবহার করে পরিচালিত হচ্ছে এই ভাসমান বিদ্যালয়। দীর্ঘদিন ধরে দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চলে শিক্ষাবঞ্চিত শিশুদের শিক্ষার সুযোগ সৃষ্টি করে আসছে এ প্রকল্প।
সংশ্লিষ্টরা জানান, বর্ষা মৌসুমে যখন অনেক এলাকা পানিতে তলিয়ে যায় এবং শিক্ষার্থীদের বিদ্যালয়ে যাতায়াত কঠিন হয়ে পড়ে, তখন ভাসমান বিদ্যালয়গুলো শিক্ষার্থীদের কাছে পৌঁছে যায়। এতে শিক্ষার ধারাবাহিকতা বজায় থাকে এবং ঝরে পড়ার হারও কমে আসে।
ইউনেস্কো এ উদ্যোগকে উদ্ভাবনী ও টেকসই শিক্ষা ব্যবস্থার একটি অনন্য উদাহরণ হিসেবে উল্লেখ করেছে। বিশেষ করে জলবায়ু ঝুঁকিপূর্ণ অঞ্চলে শিক্ষা নিশ্চিত করার ক্ষেত্রে বাংলাদেশের এই মডেল আন্তর্জাতিক অঙ্গনে প্রশংসা কুড়িয়েছে।
শিক্ষাবিদদের মতে, ভাসমান বিদ্যালয় শুধু একটি শিক্ষা প্রকল্প নয়; এটি জলবায়ু পরিবর্তনের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় বাংলাদেশের সৃজনশীল উদ্ভাবনেরও প্রতীক। ইউনেস্কোর এই স্বীকৃতি দেশের শিক্ষা খাতে নতুন সম্ভাবনার দ্বার উন্মোচন করবে বলেও তারা আশা প্রকাশ করেছেন।

আপনার মতামত লিখুন