নারায়ণগঞ্জের দীর্ঘদিনের জলাবদ্ধতা ও পরিবেশ দূষণ নিরসনে কল্যাণী খাল দখলমুক্ত করতে বড় ধরনের উচ্ছেদ অভিযান শুরু করেছে নারায়ণগঞ্জ জেলা প্রশাসন। গতকাল মঙ্গলবার (৯ জুন) নারায়ণগঞ্জ সদর উপজেলার কাশীপুর ইউনিয়নের ভোলাইল মিষ্টির দোকান এলাকায় এই অভিযান পরিচালনা করা হয়।
জেলা প্রশাসন সূত্র জানিয়েছে, খালের স্বাভাবিক পানি প্রবাহ ফিরিয়ে আনতে দখলদারদের বিরুদ্ধে ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি গ্রহণ করা হয়েছে।
দীর্ঘদিন ধরে স্থানীয় প্রভাবশালী ব্যক্তি ও বেশ কিছু প্রতিষ্ঠান কল্যাণী খালের বিভিন্ন অংশ অবৈধভাবে দখল করে স্থাপনা নির্মাণ করেছিল। জেলা প্রশাসক ও জেলা ম্যাজিস্ট্রেট মো. রায়হান কবিরের নির্দেশনায় গতকাল সহকারী কমিশনার ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট তারিফ আল তাওহীদের নেতৃত্বে উচ্ছেদকারী দল মাঠে নামে।
অভিযান চলাকালে খালের ওপর ও তীরবর্তী এলাকায় অবৈধভাবে গড়ে ওঠা বেশ কয়েকটি বৃহৎ শিল্পপ্রতিষ্ঠান, গার্মেন্টস কারখানা এবং ব্যক্তিমালিকানাধীন স্থাপনার অবৈধ অংশ অপসারণের কাজ শুরু হয়।
"সরকারি খাল, নদী ও জলাশয় রক্ষায় জেলা প্রশাসন জিরো টলারেন্স নীতিতে কাজ করছে। কল্যাণী খাল সম্পূর্ণরূপে দখলমুক্ত না হওয়া পর্যন্ত পর্যায়ক্রমে এই উচ্ছেদ কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।"
— তারিফ আল তাওহীদ, সহকারী কমিশনার ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট
স্থানীয় বাসিন্দারা জেলা প্রশাসনের এই উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়েছেন। তারা জানান, কল্যাণী খাল বেদখল হয়ে যাওয়ার কারণে বর্ষা মৌসুমে কাশীপুর, ভোলাইলসহ আশপাশের বিশাল এলাকায় তীব্র জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হতো। নোংরা পানির কারণে পরিবেশ দূষণের পাশাপাশি চরম ভোগান্তিতে পড়তেন সাধারণ মানুষ। খালটি পুরোপুরি উদ্ধার হলে এলাকার পানি নিষ্কাশন ব্যবস্থা স্বাভাবিক হবে এবং স্থানীয় কৃষিকাজেও বড় ধরনের সুবিধা পাওয়া যাবে।
জেলা প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, এই উচ্ছেদ অভিযান কেবল সাময়িক কোনো পদক্ষেপ নয়। ইতিমধ্যেই খাল দখলদারদের একটি পূর্ণাঙ্গ তালিকা তৈরি করা হচ্ছে। এই তালিকা অনুযায়ী পর্যায়ক্রমে সব অবৈধ স্থাপনা গুঁড়িয়ে দেওয়া হবে। এছাড়া উচ্ছেদ শেষে খালের দুই পাড়ে স্থায়ীভাবে সীমানা নির্ধারণ ও খাল সংরক্ষণের জন্য প্রয়োজনীয় উদ্যোগ নেওয়া হবে বলে জানিয়েছে প্রশাসন।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১০ জুন ২০২৬
নারায়ণগঞ্জের দীর্ঘদিনের জলাবদ্ধতা ও পরিবেশ দূষণ নিরসনে কল্যাণী খাল দখলমুক্ত করতে বড় ধরনের উচ্ছেদ অভিযান শুরু করেছে নারায়ণগঞ্জ জেলা প্রশাসন। গতকাল মঙ্গলবার (৯ জুন) নারায়ণগঞ্জ সদর উপজেলার কাশীপুর ইউনিয়নের ভোলাইল মিষ্টির দোকান এলাকায় এই অভিযান পরিচালনা করা হয়।
জেলা প্রশাসন সূত্র জানিয়েছে, খালের স্বাভাবিক পানি প্রবাহ ফিরিয়ে আনতে দখলদারদের বিরুদ্ধে ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি গ্রহণ করা হয়েছে।
দীর্ঘদিন ধরে স্থানীয় প্রভাবশালী ব্যক্তি ও বেশ কিছু প্রতিষ্ঠান কল্যাণী খালের বিভিন্ন অংশ অবৈধভাবে দখল করে স্থাপনা নির্মাণ করেছিল। জেলা প্রশাসক ও জেলা ম্যাজিস্ট্রেট মো. রায়হান কবিরের নির্দেশনায় গতকাল সহকারী কমিশনার ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট তারিফ আল তাওহীদের নেতৃত্বে উচ্ছেদকারী দল মাঠে নামে।
অভিযান চলাকালে খালের ওপর ও তীরবর্তী এলাকায় অবৈধভাবে গড়ে ওঠা বেশ কয়েকটি বৃহৎ শিল্পপ্রতিষ্ঠান, গার্মেন্টস কারখানা এবং ব্যক্তিমালিকানাধীন স্থাপনার অবৈধ অংশ অপসারণের কাজ শুরু হয়।
"সরকারি খাল, নদী ও জলাশয় রক্ষায় জেলা প্রশাসন জিরো টলারেন্স নীতিতে কাজ করছে। কল্যাণী খাল সম্পূর্ণরূপে দখলমুক্ত না হওয়া পর্যন্ত পর্যায়ক্রমে এই উচ্ছেদ কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।"
— তারিফ আল তাওহীদ, সহকারী কমিশনার ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট
স্থানীয় বাসিন্দারা জেলা প্রশাসনের এই উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়েছেন। তারা জানান, কল্যাণী খাল বেদখল হয়ে যাওয়ার কারণে বর্ষা মৌসুমে কাশীপুর, ভোলাইলসহ আশপাশের বিশাল এলাকায় তীব্র জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হতো। নোংরা পানির কারণে পরিবেশ দূষণের পাশাপাশি চরম ভোগান্তিতে পড়তেন সাধারণ মানুষ। খালটি পুরোপুরি উদ্ধার হলে এলাকার পানি নিষ্কাশন ব্যবস্থা স্বাভাবিক হবে এবং স্থানীয় কৃষিকাজেও বড় ধরনের সুবিধা পাওয়া যাবে।
জেলা প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, এই উচ্ছেদ অভিযান কেবল সাময়িক কোনো পদক্ষেপ নয়। ইতিমধ্যেই খাল দখলদারদের একটি পূর্ণাঙ্গ তালিকা তৈরি করা হচ্ছে। এই তালিকা অনুযায়ী পর্যায়ক্রমে সব অবৈধ স্থাপনা গুঁড়িয়ে দেওয়া হবে। এছাড়া উচ্ছেদ শেষে খালের দুই পাড়ে স্থায়ীভাবে সীমানা নির্ধারণ ও খাল সংরক্ষণের জন্য প্রয়োজনীয় উদ্যোগ নেওয়া হবে বলে জানিয়েছে প্রশাসন।

আপনার মতামত লিখুন