বিশ্বকাপ ফুটবলের মহারণ শুরু হতে আর মাত্র দুই দিন বাকি। বিশ্বকাপের উত্তাপ বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে ফুটবলপ্রেমীদের স্মৃতিতে ফিরে আসছে ইতিহাসের অবিস্মরণীয় কিছু ম্যাচ। এর মধ্যে অন্যতম ২০০৬ বিশ্বকাপের কোয়ার্টার ফাইনালে ফ্রান্স ও ব্রাজিলের সেই বহুল আলোচিত লড়াই।
জার্মানিতে অনুষ্ঠিত ওই ম্যাচে তারকায় ঠাসা ব্রাজিল দলকে ১-০ গোলে হারিয়ে সেমিফাইনালে জায়গা করে নেয় ফ্রান্স। তবে ম্যাচের ফলাফলের চেয়েও বেশি আলোচনায় ছিল ফরাসি কিংবদন্তি জিনেদিন জিদানের অনবদ্য পারফরম্যান্স।
ম্যাচের ৫৭তম মিনিটে জিদানের নেওয়া নিখুঁত ফ্রি-কিক থেকে গোল করেন থিয়েরি অঁরি। সেই একমাত্র গোলেই ব্রাজিলের বিশ্বকাপ যাত্রা শেষ হয়ে যায়। মাঠে জিদানের পাসিং, বল নিয়ন্ত্রণ এবং আক্রমণভাগে নেতৃত্বে বারবার বিপাকে পড়ে ব্রাজিলের রক্ষণভাগ।
সে সময় ব্রাজিল দলে ছিলেন রোনালদো, রোনালদিনহো, কাকা ও আদ্রিয়ানোর মতো বিশ্বমানের তারকারা। তবুও জিদানের অসাধারণ নৈপুণ্যের সামনে তারা নিজেদের সেরাটা মেলে ধরতে পারেননি।
ফুটবল বিশ্লেষকদের মতে, এটি ছিল জিদানের ক্যারিয়ারের অন্যতম সেরা ম্যাচ। বিশ্বকাপ ইতিহাসের সেরা ব্যক্তিগত পারফরম্যান্সগুলোর তালিকায় এখনও স্থান করে আছে এই ম্যাচটি।
বিশ্বকাপের নতুন আসরকে সামনে রেখে ফুটবলপ্রেমীরা যখন নিজেদের প্রিয় দলের সাফল্যের স্বপ্ন দেখছেন, তখন ২০০৬ সালের সেই রাতের স্মৃতি আবারও মনে করিয়ে দেয়—একজন মহান খেলোয়াড় কখনো কখনো একাই বদলে দিতে পারেন পুরো ম্যাচের ভাগ্য।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৯ জুন ২০২৬
বিশ্বকাপ ফুটবলের মহারণ শুরু হতে আর মাত্র দুই দিন বাকি। বিশ্বকাপের উত্তাপ বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে ফুটবলপ্রেমীদের স্মৃতিতে ফিরে আসছে ইতিহাসের অবিস্মরণীয় কিছু ম্যাচ। এর মধ্যে অন্যতম ২০০৬ বিশ্বকাপের কোয়ার্টার ফাইনালে ফ্রান্স ও ব্রাজিলের সেই বহুল আলোচিত লড়াই।
জার্মানিতে অনুষ্ঠিত ওই ম্যাচে তারকায় ঠাসা ব্রাজিল দলকে ১-০ গোলে হারিয়ে সেমিফাইনালে জায়গা করে নেয় ফ্রান্স। তবে ম্যাচের ফলাফলের চেয়েও বেশি আলোচনায় ছিল ফরাসি কিংবদন্তি জিনেদিন জিদানের অনবদ্য পারফরম্যান্স।
ম্যাচের ৫৭তম মিনিটে জিদানের নেওয়া নিখুঁত ফ্রি-কিক থেকে গোল করেন থিয়েরি অঁরি। সেই একমাত্র গোলেই ব্রাজিলের বিশ্বকাপ যাত্রা শেষ হয়ে যায়। মাঠে জিদানের পাসিং, বল নিয়ন্ত্রণ এবং আক্রমণভাগে নেতৃত্বে বারবার বিপাকে পড়ে ব্রাজিলের রক্ষণভাগ।
সে সময় ব্রাজিল দলে ছিলেন রোনালদো, রোনালদিনহো, কাকা ও আদ্রিয়ানোর মতো বিশ্বমানের তারকারা। তবুও জিদানের অসাধারণ নৈপুণ্যের সামনে তারা নিজেদের সেরাটা মেলে ধরতে পারেননি।
ফুটবল বিশ্লেষকদের মতে, এটি ছিল জিদানের ক্যারিয়ারের অন্যতম সেরা ম্যাচ। বিশ্বকাপ ইতিহাসের সেরা ব্যক্তিগত পারফরম্যান্সগুলোর তালিকায় এখনও স্থান করে আছে এই ম্যাচটি।
বিশ্বকাপের নতুন আসরকে সামনে রেখে ফুটবলপ্রেমীরা যখন নিজেদের প্রিয় দলের সাফল্যের স্বপ্ন দেখছেন, তখন ২০০৬ সালের সেই রাতের স্মৃতি আবারও মনে করিয়ে দেয়—একজন মহান খেলোয়াড় কখনো কখনো একাই বদলে দিতে পারেন পুরো ম্যাচের ভাগ্য।

আপনার মতামত লিখুন