অপরাধ ও দুর্ণীতি

উত্তরায় জি এম কাদেরের বাসায় হামলা-ভাঙচুর, ৩০-৪০ জনের কথা বলল পুলিশ

⎙ প্রিন্ট
উত্তরায় জি এম কাদেরের বাসায় হামলা-ভাঙচুর, ৩০-৪০ জনের কথা বলল পুলিশ


রাজধানীর উত্তরায় জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান জি এম কাদের-এর বাসভবনে হামলা ও ভাঙচুরের ঘটনা ঘটেছে।

সোমবার (১২ অক্টোবর) সকালে উত্তরার ৭ নম্বর সেক্টরে তাঁর বাসার সামনে একদল লোক জড়ো হয়ে স্লোগান দেন। পরে বাসাটি লক্ষ্য করে ইটপাটকেল নিক্ষেপ করা হয়।

এতে বাসার জানালার কাচ ভেঙে যায়। তবে হামলাকারীরা বাসার ভেতরে প্রবেশ করতে পারেননি।

জি এম কাদেরের প্রেস সেক্রেটারি শৌর্য দীপ্ত সূর্য জানিয়েছেন, সকাল সাড়ে ১০টার দিকে ব্যানার নিয়ে কয়েকজন নারী-পুরুষ বাসার সামনে অবস্থান নেন।

তাঁর বক্তব্য অনুযায়ী, প্রায় ১০ মিনিট পর তাঁরা ইটপাটকেল ছুড়তে শুরু করেন।

হামলার সময় জি এম কাদের বাসার ভেতরে অবস্থান করছিলেন।

তিনি সংবাদমাধ্যমকে জানিয়েছেন, সকালে নাশতা করার সময় হঠাৎ বাসার চারপাশ থেকে ইটপাটকেল নিক্ষেপ শুরু হয়।

এতে জানালার কাচ ভেঙে ঘরের ভেতরে ছড়িয়ে পড়ে। তবে প্রধান ফটক বন্ধ থাকায় কেউ বাসার ভেতরে ঢুকতে পারেননি।

হামলাকারীদের পরিচয় সম্পর্কে জানতে চাইলে জি এম কাদের জানান, তিনি তাঁদের চিনতে পারেননি।

উত্তরা পশ্চিম থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মোহাম্মদ খালিদ মনসুর জানিয়েছেন, বেলা ১১টার দিকে হামলার খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে যায়।

পুলিশের প্রাথমিক তথ্য অনুযায়ী, সাধারণ জনতার ব্যানারে প্রায় ৩০ থেকে ৪০ জন ব্যক্তি সেখানে অবস্থান করেছিলেন।

তাঁরা বাইরে থেকে ইটপাটকেল ছুড়ে ভাঙচুর করেন।

পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছানোর আগেই হামলাকারীরা চলে যান।

ঘটনার পর বাসভবনের আশপাশে পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।

রাজনৈতিক দলের শীর্ষ নেতার বাসভবনে এ ধরনের হামলা রাজনৈতিক সহনশীলতা ও ব্যক্তিগত নিরাপত্তা নিয়ে নতুন উদ্বেগ তৈরি করেছে।

তবে কারা হামলা চালিয়েছেন, তাঁদের রাজনৈতিক পরিচয় কী এবং হামলার পেছনে কোনো সংগঠিত পরিকল্পনা ছিল কি না, তা নিশ্চিত হওয়া যায়নি।

এখন হামলাকারীদের শনাক্ত করা এবং ঘটনার সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার বিষয়টি গুরুত্বপূর্ণ।

হামলাকারীদের পরিচয় নিশ্চিত না হওয়ায় কোনো নির্দিষ্ট রাজনৈতিক দল বা সংগঠনকে দায়ী করা হচ্ছে না।

সম্পর্কিত সংবাদ