থানচি রেঞ্জে বনদস্যুদের দৌরাত্ম্যের অভিযোগ উঠেছে,
বান্দরবানের দুর্গম থানচি উপজেলার বিস্তীর্ণ বনাঞ্চলকে ঘিরে অবৈধ কাঠ পাচার ও বনদুস্য চক্রের সদস্যদের তৎপরতা নিয়ে বেড়েছে উদ্বেগ। স্থানীয়দের অভিযোগ দুর্গম পাহাড়ি এলাকার সুযোগ নিয়ে কয়েকটি সংঘবদ্ধ শক্তিশালী চক্র দীর্ঘদিন ধরে থানচি রেঞ্জ কর্মকর্তা ইসরাফিল ইসলামের এর সহযোগিতায় বনজ সম্পদ লুটপাটে সক্রিয় রয়েছে বলে জানা যায় স্থানীয়দের কাছ থেকে ।
বান্দরবানের দুর্গম থানচি উপজেলার বিস্তীর্ণ বনাঞ্চলকে ঘিরে অবৈধ কাঠ পাচার ও বনদুস্য চক্রের সদস্যদের তৎপরতা নিয়ে বেড়েছে উদ্বেগ। স্থানীয়দের অভিযোগ দুর্গম পাহাড়ি এলাকার সুযোগ নিয়ে কয়েকটি সংঘবদ্ধ শক্তিশালী চক্র দীর্ঘদিন ধরে থানচি রেঞ্জ কর্মকর্তা ইসরাফিল ইসলামের এর সহযোগিতায় বনজ সম্পদ লুটপাটে সক্রিয় রয়েছে বলে জানা যায় স্থানীয়দের কাছ থেকে । থানচি রেঞ্জ কর্মকর্তার সহযোগিতায় টেবিল জোত পারমিটে রাতের আঁধারে মূল্যবান গাছ কেটে বিভিন্ন পথ ব্যবহার করে কাঠ পাচার করা হচ্ছে। স্থানীয় কয়েকজন বাসিন্দা জানান রেঞ্জ কর্মকর্তা ইসরাইল ইসলামের সহযোগিতায় এলাকার দুর্গম বনাঞ্চলের বিভিন্ন স্থানে কাঠ পাচারকারী চক্র সাথে সরাসরি জড়িত বলে জানান। সেগুন গর্জনসহ বিভিন্ন প্রজাতির মূল্যবান গাছ অবৈধভাবে কাটার অভিযোগ রয়েছে সক্রিয় চক্রের বিরুদ্ধে । দূর্গম পাহাড়ি পথ ছড়া ও সীমিত যোগাযোগ ব্যবস্থাকে কাজে লাগিয়ে পাচারকারীরা কাঠ বনাঞ্চল থেকে বের করে আনার চেষ্টা করে বলে অভিযোগ জানান । স্থানীয়দের ভাসোমতে বনাঞ্চল রক্ষা এবং অবৈধ গাছ কাটা বন্ধের নিয়মিত নজরদারি ও অভিযান প্রয়োজন হলেও অনেক ক্ষেত্রে তার দৃশ্যমান নয়। ফলে পাচারকারীরা আরও বেপরোয়া হয়ে উঠেছে বলে অভিযোগ তাদের বিরুদ্ধে। বিশেষ করে দুর্গম এলাকাগুলোতে প্রশাসনিক নজরদারি সীমাবদ্ধতার সুযোগ নিচে সঙ্ঘবদ্ধ চক্র । স্থানীয়দের কেউ কেউ অভিযোগ করছেন অবৈধ কর্মকাণ্ড নিয়ন্ত্রণে কঠোর অবস্থানে পরবর্তীতে প্রভাবশালী পাচারকারীদের সঙ্গে সমঝোতার অভিযোগ রয়েছে ।এমনকি মাসোহারার বিনিময়ে অবৈধ কাঠ পাচারে সুযোগ দেওয়ার অভিযোগ ও শোনা যাচ্ছে রেঞ্জ কর্মকর্তা ইসরাফিল ইসলামের বিরুদ্ধে ।এ বিষয়ে বিভাগীয় বন কর্মকর্তা বান্দরবান বিভাগকে মুঠোফোনে যোগাযোগ করার চেষ্টা করলে মুঠোফোনে পাওয়া যাচ্ছে না। আর ও উল্লেখ্য যে মো জনাব ইসরাইল ইসলাম ডেপুটি রেঞ্জার থানচি রেঞ্জ ডি. এফ.ও কে ম্যানেজ করে টেবিল জোতের মাধ্যমে বন উজাড় করে জীব বৈচিত্র্য সংরক্ষণ সহ পরিবেশের ক্ষতি সাধন করছে বিষয়টি প্রধান বন সংরক্ষক বাংলাদেশ ঢাকা ও বন সংরক্ষক চট্টগ্রাম অঞ্চলের দৃষ্টি আকর্ষণ সহ উল্লেখযোগ্য জোত পারমিট এলাকা তদন্ত পূর্বক ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য অনুরোধ করা হলো ।








