বুধবার (১৪ অক্টোবর) সকাল ১০টায় উপজেলার নকিপুর পাইলট মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়।
নাগরিক প্রকল্পের আওতায় সুইজারল্যান্ড দূতাবাস, গ্লোবাল অ্যাফেয়ার্স কানাডা, ইউরোপীয় ইউনিয়ন, নাগরিকতা ও মানুষের জন্য ফাউন্ডেশনের অর্থায়নে এবং উই ক্যান বাংলাদেশ ও নকশীকাঁথার যৌথ আয়োজনে সভাটি অনুষ্ঠিত হয়।
নকশীকাঁথার পরিচালক চন্দ্রিকা ব্যানার্জীর সঞ্চালনায় এবং বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মোঃ হারুন অর রশীদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন শ্যামনগর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা শামসুজ্জাহান কনক।
বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা মহিলাবিষয়ক কর্মকর্তা শারিদ বিন শফিক, উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মিয়ারাজ হোসেন খান, ওসিসি কর্মকর্তা প্রণব কুমার বিশ্বাসসহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা শামসুজ্জাহান কনক বলেন, শুধু আইন প্রয়োগ কিংবা জরিমানা করে বাল্যবিবাহ পুরোপুরি বন্ধ করা সম্ভব নয়। এ জন্য সবার আগে প্রয়োজন সামাজিক সচেতনতা বৃদ্ধি এবং মানসিকতার পরিবর্তন। কন্যাশিশুকে পরিবারের বোঝা হিসেবে না দেখে সম্পদ ও সম্ভাবনার উৎস হিসেবে বিবেচনা করতে হবে।
তিনি আরও বলেন, নারীর প্রতি সহিংসতা প্রতিরোধে সমাজের প্রতিটি স্তরে শূন্য সহনশীলতা বা ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি অনুসরণ করা জরুরি। পরিবার, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও কর্মক্ষেত্রসহ সর্বত্র নারীর নিরাপত্তা নিশ্চিত করা আমাদের সামাজিক ও নৈতিক দায়িত্ব।
কোথাও বাল্যবিবাহ কিংবা নারী নির্যাতনের ঘটনা ঘটলে নীরব না থেকে প্রতিবাদ করার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, প্রয়োজনে স্থানীয় প্রশাসনের সহযোগিতা নিতে হবে। সম্মিলিত উদ্যোগ ও সচেতনতার মাধ্যমেই বাল্যবিবাহ ও নারীর প্রতি সহিংসতা প্রতিরোধ করা সম্ভব।
সভায় বাল্যবিবাহের কুফল, নারীর অধিকার, নিরাপত্তা এবং সহিংসতা প্রতিরোধে সামাজিক সচেতনতার গুরুত্ব তুলে ধরা হয়।








