স্পর্শকাতর ভিডিও প্রচারে হলদিয়া ইউনিয়ন জামায়াতের নিন্দা ও প্রতিবাদ
অভিযুক্ত জামায়াতে ইসলামীর স্থানীয় কোনো সাংগঠনিক কার্যক্রম বা দায়িত্বের সঙ্গে সম্পৃক্ত নন
যাচাই বাছাই না করে ‘কক্সবাজারের কলাতলী আবাসিক হোটেলে নারী নিয়ে একটি স্পর্শকাতর ভিডিও- জামায়াত নেতা বলে অনিবন্ধিত কিছু মিডিয়ায়্য প্রকাশিত সংবাদের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছেন কক্সবাজারে হলদিয়া পালং ইউনিয়ন জামায়াতের আমীর হাফেজ আবুল হোছাইন ও সেক্রেটারি মাস্টার সেলিম উদ্দিন।যৌথ বিবৃতিতে তারা দাবি করেন, প্রতিবেদনে যাকে জামায়াত নেতার সঙ্গে সম্পৃক্ত করে উপস্থাপন করা হয়েছে, তিনি জামায়াতে ইসলামীর কোন নেতা ও দায়িত্বশীল নন। এ কোন পর্যায়ের কর্মকাণ্ডের সাথে জড়িত নন। খোঁজ নিয়ে জানা যায় মূলতঃ দীর্ঘদিন প্রবাসে থাকার পর দেশে ফিরে কক্সবাজারের কলাতলী হোটেল জোনে ব্যবসা করে আসছেন।বিবৃতিতে আরও বলা হয়, ব্যবসায়িক প্রয়োজনে মনসুর আলম দীর্ঘদিন ধরে সোনার কলাতলীর বিভিন্ন হোটেলে অবস্থান ও ব্যবসায়িক কার্যক্রম পরিচালনা করছেন। তবে তিনি জামায়াতে ইসলামীর স্থানীয় কোনো সাংগঠনিক কার্যক্রম বা দায়িত্বের সঙ্গে সম্পৃক্ত নন । এমনকি তার অবস্থানকৃত কলাতলী জামায়াতের সঙ্গেও তার সাংগঠনিক সম্পৃক্ততার বিষয়ে তারা কোনো তথ্য পাননি বলে জানিয়েছেন হলদিয়া পালং ইউনিয়ন আমীর হাফেজ আবুল হোছাইন।জামায়াত নেতারা বলেন, কোনো ব্যক্তির পরিচয় ও সাংগঠনিক সম্পৃক্ততা যাচাই না করে তাকে জামায়াতের সঙ্গে যুক্ত করে সংবাদ প্রকাশ করা অনভিপ্রেত ও দু:খজনক। তারা এ ধরনের সংবাদ প্রকাশের আগে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির রাজনৈতিক বা সাংগঠনিক পরিচয় যাচাইয়ের আহ্বান জানান। মুখে দাঁড়ি ও পায়জামা পাঞ্জাবি দেখে জামায়াত নেতা বলে সংবাদ প্রকাশ করা সাংবাদিকতার নীতিমালার পরিপন্থি। ভবিষ্যতে এ ধরনের মিথ্যা এবং জামায়াত কে জড়িয়ে রাজনৈতিক উদ্দেশ্য প্রণোদিত সংবাদ প্রকাশ থেকে বিরত থাকার জন্য অনুরোধ জানান হলদিয়া পালং ইউনিয়ন জামায়াতের আমির হাফেজ মাওলানা আবুল হোছাইন ও সেক্রেটারি মাস্টার সেলিম উদ্দিন।








