শনিবার (২৬ সেপ্টেম্বর) বেলা ১২টার দিকে তারা ঐতিহাসিক সীতাকোট বৌদ্ধ বিহার পরিদর্শনে যান। এ সময় মন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রী বিহারের বিভিন্ন স্থাপনা ও প্রত্নতাত্ত্বিক নিদর্শন ঘুরে দেখেন এবং এর ঐতিহাসিক গুরুত্ব সম্পর্কে খোঁজখবর নেন।
পরিদর্শনকালে উপস্থিত ছিলেন দিনাজপুরের জেলা প্রশাসক মো. রফিকুল ইসলাম, পুলিশ সুপার মো. জেদান আল মুসা বিপিএম, নবাবগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বিধান কান্তি হালদার, সহকারী কমিশনার (ভূমি) সাইফ উদ্দিন, প্রত্নতত্ত্ব অধিদপ্তরের মহাপরিচালক সাবিনা আলম এবং রংপুর আঞ্চলিক কার্যালয়ের পরিচালক ড. আহমেদ আব্দুল্লাহসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা।
সীতাকোট বৌদ্ধ বিহার দিনাজপুর অঞ্চলের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ প্রত্নতাত্ত্বিক নিদর্শন। প্রাচীন এই স্থাপনা দেখতে বিভিন্ন স্থান থেকে দর্শনার্থীরা এলেও পর্যাপ্ত অবকাঠামো, প্রচার-প্রচারণা ও পর্যটন সুবিধার অভাবে এর সম্ভাবনা পুরোপুরি কাজে লাগানো যাচ্ছে না বলে স্থানীয়দের অভিমত।
এলাকাবাসীর দাবি, ঐতিহাসিক সীতাকোট বৌদ্ধ বিহারকে পরিকল্পিতভাবে আকর্ষণীয় পর্যটন কেন্দ্র হিসেবে গড়ে তোলা হলে দেশ-বিদেশের পর্যটকদের আগমন বাড়বে। পাশাপাশি স্থানীয় ব্যবসা-বাণিজ্যের প্রসার, রাজস্ব আয় বৃদ্ধি এবং নতুন কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি হবে।
স্থানীয়রা আরও জানান, সীতাকোট বৌদ্ধ বিহারের ঐতিহাসিক গুরুত্ব ও প্রত্নতাত্ত্বিক মূল্য যথাযথভাবে তুলে ধরতে উন্নত যোগাযোগব্যবস্থা, দর্শনার্থীদের প্রয়োজনীয় সুযোগ-সুবিধা, নিরাপত্তা এবং পর্যাপ্ত প্রচার-প্রচারণা প্রয়োজন।
সরকারের সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলোর সমন্বিত উদ্যোগ নেওয়া হলে ঐতিহাসিক এই প্রত্নস্থলটি উত্তরাঞ্চলের অন্যতম আকর্ষণীয় পর্যটন কেন্দ্রে পরিণত হতে পারে বলে মনে করছেন এলাকাবাসী।








