দেশে খাদ্যের মান পরীক্ষা ও ভেজাল প্রতিরোধ কার্যক্রম সম্প্রসারণের উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। বুধবার সকালে সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান একটি ভ্রাম্যমাণ খাদ্য পরীক্ষাগার পরিদর্শন করেন। নিজের দপ্তরে যাওয়ার আগে তিনি পরীক্ষাগারটির বিভিন্ন সরঞ্জাম ও নমুনা পরীক্ষার পদ্ধতি দেখেন। সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা তাঁকে খাদ্য পরীক্ষার বর্তমান ব্যবস্থা এবং ভবিষ্যৎ সম্প্রসারণ পরিকল্পনা সম্পর্কে অবহিত করেন। প্রধানমন্ত্রীর ডেপুটি প্রেস সেক্রেটারি মোস্তফা জুলফিকার হাসান এ তথ্য জানিয়েছেন।
বাংলাদেশ নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষের অধীনে বর্তমানে দেশের আটটি মহানগর এলাকায় মোবাইল ল্যাবরেটরির মাধ্যমে খাদ্য পরীক্ষার কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে। সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের তথ্য অনুযায়ী, এই সুবিধা পর্যায়ক্রমে দেশের ৬৪ জেলায় সম্প্রসারণের পরিকল্পনা রয়েছে। চলতি ২০২৬-২৭ অর্থবছরে সংশ্লিষ্ট প্রকল্পের আওতায় ৭২টি ভ্রাম্যমাণ খাদ্য পরীক্ষাগার ভ্যান সংগ্রহের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। নিয়মিত বাজার তদারকি ও ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনার ক্ষেত্রেও খাদ্য পরীক্ষার তথ্য ব্যবহার করা হতে পারে।
খাদ্যে ভেজাল, ক্ষতিকর রাসায়নিক এবং নিম্নমানের পণ্য শনাক্তে দ্রুত পরীক্ষা করার ব্যবস্থা গুরুত্বপূর্ণ। তবে নতুন ৭২টি ভ্যান ইতিমধ্যে কেনা হয়েছে কিংবা সব জেলায় কার্যক্রম চালু হয়েছে—এমন তথ্য পাওয়া যায়নি। পরিকল্পনা বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে সরঞ্জাম সংগ্রহ, প্রশিক্ষিত জনবল, পরীক্ষার নির্ভুলতা এবং নিয়মিত নজরদারি নিশ্চিত করতে হবে। কতটি প্রতিষ্ঠান পরীক্ষায় অনিয়মের কারণে শনাক্ত হয়েছে, তার নতুন পরিসংখ্যানও প্রকাশিত প্রতিবেদনে পাওয়া যায়নি।








