গাজীপুরের টঙ্গীর চেরাগ আলী এলাকায় ড্রাগ ইন্টারন্যাশনাল লিমিটেডের ওষুধ কারখানায় লাগা ভয়াবহ আগুন নিয়ন্ত্রণে আসার খবর পাওয়া গেছে। বুধবার (১৪ অক্টোবর) দুপুর ২টা ২৯ মিনিটে যুগান্তরের সর্বশেষ আপডেটে আগুন নিয়ন্ত্রণে আসার কথা জানানো হয়। এর আগে সকাল সোয়া ১০টার দিকে কারখানাটির একটি ইউনিটে আগুনের সূত্রপাত হয়। দ্রুত আগুন ছড়িয়ে পড়লে ফায়ার সার্ভিসের একাধিক ইউনিট ঘটনাস্থলে পৌঁছায়। পরিস্থিতির অবনতি হওয়ায় পর্যায়ক্রমে ইউনিটের সংখ্যা বাড়ানো হয়। দুপুর পর্যন্ত বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদনে ১৯ থেকে ২০টি ইউনিট আগুন নেভানোর কাজে অংশ নেওয়ার তথ্য পাওয়া যায়। উদ্ধার ও অগ্নিনির্বাপণ কার্যক্রমে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর সদস্যরাও যোগ দেন।
প্রত্যক্ষদর্শীদের বরাতে প্রকাশিত প্রতিবেদনে জানা গেছে, কারখানার ভেতরে ওষুধ তৈরির উপকরণ, রাসায়নিক পদার্থ, উৎপাদন যন্ত্রপাতি এবং অন্যান্য শিল্পসামগ্রী থাকায় আগুন দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে। একপর্যায়ে পাশের একটি চারতলা ভবনেও আগুন ছড়িয়ে যাওয়ার খবর পাওয়া যায়। প্রচণ্ড তাপ, ঘন ধোঁয়া ও রাসায়নিকের গন্ধের কারণে ফায়ার সার্ভিসের সদস্যদের ভবনের ভেতরে প্রবেশ করে কাজ করতে বেগ পেতে হয়। গাজীপুর ফায়ার সার্ভিসের উপপরিচালক সাইদুল আলম চৌধুরী জানান, আগুনের খবর পাওয়ার পরপরই টঙ্গী ফায়ার স্টেশনের সদস্যরা ঘটনাস্থলে যান। পরে আগুনের তীব্রতা বিবেচনায় অতিরিক্ত ইউনিট পাঠানো হয়। দুপুর ১২টা ৪৫ মিনিটের দিকে সেনাবাহিনীর একটি দল নিজস্ব পানির ট্যাংক নিয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছায়।
দুপুর ২টা পর্যন্ত প্রকাশিত কয়েকটি প্রতিবেদনে আগুন পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণে না আসার কথা জানানো হলেও পরবর্তী সময়ে যুগান্তর আগুন নিয়ন্ত্রণে আসার খবর প্রকাশ করে। তবে ফায়ার সার্ভিসের পক্ষ থেকে নিয়ন্ত্রণের সুনির্দিষ্ট সময়, অগ্নিকাণ্ডের কারণ, হতাহতের চূড়ান্ত সংখ্যা কিংবা মোট আর্থিক ক্ষয়ক্ষতির পূর্ণাঙ্গ বিবরণ পাওয়া যায়নি। কারখানা কর্তৃপক্ষের বিস্তারিত বক্তব্যও প্রকাশিত হয়নি। আগুন নিয়ন্ত্রণে আসার পরও ভবনের ভেতরে অবশিষ্ট আগুন নেভানো এবং ক্ষতিগ্রস্ত অংশ নিরাপদ করার কাজ প্রয়োজন হতে পারে। অগ্নিকাণ্ডের কারণ ও ক্ষয়ক্ষতি নির্ধারণে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের পরবর্তী তদন্ত গুরুত্বপূর্ণ হবে।








