আইনজীবী হিসেবে নতুন করে তালিকাভুক্তির ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ বয়সসীমা ৩৫ বছর নির্ধারণ করেছে বাংলাদেশ বার কাউন্সিল। তবে সিদ্ধান্তটি তাৎক্ষণিকভাবে কার্যকর হচ্ছে না। আগামী ২০৩০ সালের ১ জানুয়ারি থেকে নতুন বয়সসীমা কার্যকর হওয়ার কথা রয়েছে। মঙ্গলবার অ্যাটর্নি জেনারেল এবং বার কাউন্সিলের চেয়ারম্যান ব্যারিস্টার মো. রুহুল কুদ্দুস কাজল বিষয়টি নিশ্চিত করেন। বর্তমানে আইনজীবী তালিকাভুক্তির ক্ষেত্রে ন্যূনতম বয়স ২১ বছর হলেও সর্বোচ্চ বয়সসীমা ছিল না।
বার কাউন্সিলের তথ্য অনুযায়ী, গত ১৯ আগস্ট চেয়ারম্যানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় সর্বোচ্চ বয়স নির্ধারণের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। এর আগে লিগ্যাল এডুকেশন কমিটি আইন পেশায় প্রবেশের বয়সসীমা নিয়ে সুপারিশ করে। কমিটির যুক্তি ছিল, পেশাগত দক্ষতা বৃদ্ধি, দীর্ঘমেয়াদি পেশাগত সম্পৃক্ততা এবং আইনশিক্ষার মানোন্নয়নের বিষয়গুলো বিবেচনা করা প্রয়োজন। এসব প্রস্তাব পর্যালোচনা করে বার কাউন্সিল নতুন বয়সসীমা নির্ধারণের সিদ্ধান্ত নেয়।
নতুন নিয়ম অনুযায়ী, ২০৩০ সাল থেকে প্রথমবার আইনজীবী হিসেবে তালিকাভুক্ত হওয়ার ক্ষেত্রে বয়সসীমা প্রযোজ্য হবে। তবে আগে থেকেই তালিকাভুক্ত আইনজীবীদের ৩৫ বছর বয়সে পেশা থেকে অবসর নিতে হবে, এমন সিদ্ধান্ত দেওয়া হয়নি। আইনশিক্ষা শেষ করার পর দেরিতে পেশায় আসার পরিকল্পনা রয়েছে, এমন ব্যক্তিদের জন্য পরিবর্তনটি গুরুত্বপূর্ণ। সিদ্ধান্তটি কার্যকর হওয়ার আগে কোনো নতুন সংশোধন বা বিচারিক পরিবর্তন আসে কি না, সেটিও ভবিষ্যতে বিবেচ্য হবে।








