সারাদেশ

৭ লাখ টাকায় চাকরির অভিযোগ, পরে স্বামীকে তালাক

কিশোরগঞ্জের করিমগঞ্জ উপজেলার গুজাদিয়া আবদুল হেকিম মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে তথ্য গোপন ও বয়সসংক্রান্ত অনিয়মের মাধ্যমে চাকরি নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে এক কর্মচারীর বিরুদ্ধে।

⎙ প্রিন্ট
৭ লাখ টাকায় চাকরির অভিযোগ, পরে স্বামীকে তালাক
১১ বছরে কালের নতুন সংবাদ, কিশোরগঞ্জে কেক কাটা ও সাংবাদিক সম্মাননা
⌖ কিশোরগঞ্জ সদর
কিশোরগঞ্জের করিমগঞ্জ উপজেলার গুজাদিয়া আবদুল হেকিম মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে তথ্য গোপন ও বয়সসংক্রান্ত অনিয়মের মাধ্যমে চাকরি নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে এক কর্মচারীর বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়ে জেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তার কাছে লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন দুলাল নামে এক ব্যক্তি।
অভিযোগপত্র সূত্রে জানা যায়, অভিযোগকারী দুলাল, পিতা-মৃত মজিদ মিয়া, পশ্চিম চরকরমশী গ্রামের বাসিন্দা। তার অভিযোগ, জেসমিন আক্তার নামে এক নারীকে বিদ্যালয়ে আয়া পদে চাকরি দেওয়ার ক্ষেত্রে স্থানীয় কয়েকজন ব্যক্তির মাধ্যমে প্রায় ৭ লাখ ২৫ হাজার টাকা লেনদেন করা হয়েছে। অভিযোগ অনুযায়ী, গুজাদিয়া ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক সচিব সাইফুল মেম্বার, ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মাসুদ মিয়াসহ সংশ্লিষ্টদের মাধ্যমে টাকা প্রদান এবং পরে বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক ও স্কুল কমিটির সহযোগিতায় জেসমিন আক্তারকে চাকরি দেওয়া হয়।
অভিযোগে আরও বলা হয়, জেসমিন আক্তার গত ১৯ মার্চ ২০২৩ তারিখে গুজাদিয়া আবদুল হেকিম মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে আয়া পদে যোগদান করেন। অভিযোগকারী দাবি করেন, চাকরিতে যোগদানের সময় বয়স ও শিক্ষাগত যোগ্যতা-সংক্রান্ত তথ্যের সঙ্গে বিভিন্ন সরকারি কাগজপত্রের অসঙ্গতি রয়েছে।
অভিযোগপত্রে আরও দাবি করা হয়, জেসমিন আক্তারের বিভিন্ন কাগজপত্রে বয়সসংক্রান্ত তথ্যেও অসামঞ্জস্য রয়েছে। অভিযোগকারীর ভাষ্য অনুযায়ী, জাতীয় পরিচয়পত্র, বিবাহসংক্রান্ত কাগজপত্র ও বিদ্যালয়ে চাকরিতে যোগদানের তথ্য পর্যালোচনা করলে বয়সের ক্ষেত্রে ভিন্নতা পাওয়া যায়। এ কারণে চাকরি পাওয়ার ক্ষেত্রে বয়সসংক্রান্ত তথ্য গোপন করা হয়েছে কি না, তা তদন্তের দাবি জানিয়েছেন তিনি।
এ ছাড়া অভিযোগপত্রে জেসমিন আক্তারের বিরুদ্ধে ভয়ভীতি ও হুমকি দেওয়ার অভিযোগও করা হয়েছে। এ বিষয়ে অভিযোগকারী কিশোরগঞ্জের আদালতে মামলা এবং সংশ্লিষ্ট বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটির কাছেও অভিযোগ করেছেন বলে উল্লেখ করেছেন।
অভিযোগকারী দুলাল বলেন, “অভিযোগগুলোর সুষ্ঠু তদন্ত করে সত্যতা যাচাই এবং প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হোক।”

সম্পর্কিত সংবাদ