বিশ্ববিদ্যালয় সূত্র অনুযায়ী, গত ২৪ আগস্ট একাডেমিক ভবনের একটি কক্ষে দুই শিক্ষার্থীকে আটকে রাখা, মারধর, ভিডিও ধারণ এবং ৫০ হাজার টাকা দাবির অভিযোগ ওঠে। ভুক্তভোগী একজন শিক্ষার্থী লিখিত অভিযোগ দেন। এরপর বিশ্ববিদ্যালয়ের তদন্ত কমিটি ও শৃঙ্খলা বোর্ডের সুপারিশের ভিত্তিতে গত ৯ অক্টোবর রিজেন্ট বোর্ডের সভায় শাস্তির সিদ্ধান্ত অনুমোদিত হয়।
বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, শাস্তিপ্রাপ্তদের নির্ধারিত সময়ের মধ্যে অভিভাবকসহ মুচলেকা দিতে হবে। অন্য চারজনের বিষয়ে আরও তদন্ত হবে। তবে এই প্রশাসনিক শাস্তি ফৌজদারি আদালতের রায়ের সমতুল্য নয়। অভিযোগে জড়িত ব্যক্তিদের পৃথক আত্মপক্ষসমর্থন এবং কোনো ফৌজদারি মামলার অগ্রগতি এই রানে নিশ্চিত করা যায়নি।








