রাজধানীর পল্লবীতে ৮ বছরের শিশু রামিসা ধর্ষণ ও হত্যা মামলায় প্রধান অভিযুক্ত সোহেল রানা ও তার স্ত্রী স্বপ্না আক্তারকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন আদালত। রবিবার ঢাকা মহানগর শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মাসরুর সালেকীন আসামিদের উপস্থিতিতে এ রায় ঘোষণা করেন।
রায় ঘোষণার দিন সকাল থেকেই আদালত প্রাঙ্গণে ছিল কঠোর নিরাপত্তা ব্যবস্থা। সকাল সাড়ে ৮টার দিকে আসামি স্বপ্না আক্তারকে আদালতে আনা হয়। পরে সকাল ৮টা ৫০ মিনিটে কারাগার থেকে প্রিজনভ্যানে করে প্রধান অভিযুক্ত সোহেল রানাকে আদালতে হাজির করা হয়। তাদের ঢাকা মহানগর দায়রা জজ আদালতের হাজতখানায় রাখা হয় এবং রায় ঘোষণার আগে এজলাসে তোলা হয়।
বেলা ১১টার পর বিচারক রায়ের পর্যবেক্ষণ পাঠ শুরু করেন। দীর্ঘ শুনানি ও সাক্ষ্যপ্রমাণ পর্যালোচনার পর আদালত দুই আসামিকে মৃত্যুদণ্ডের আদেশ দেন।
রায়কে কেন্দ্র করে আদালত এলাকায় নিরাপত্তা জোরদার করা হয়। অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েনের পাশাপাশি সাদা পোশাকে বিভিন্ন গোয়েন্দা সংস্থার সদস্যদেরও দায়িত্ব পালন করতে দেখা যায়।
শিশু রামিসাকে ধর্ষণ ও হত্যার ঘটনাটি দেশজুড়ে ব্যাপক আলোড়ন সৃষ্টি করেছিল। আলোচিত এ মামলার রায়ে সন্তোষ প্রকাশ করেছেন ভুক্তভোগী পরিবারের সদস্যরা ও আদালতে উপস্থিত সাধারণ মানুষ।
এস.আর

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৭ জুন ২০২৬
রাজধানীর পল্লবীতে ৮ বছরের শিশু রামিসা ধর্ষণ ও হত্যা মামলায় প্রধান অভিযুক্ত সোহেল রানা ও তার স্ত্রী স্বপ্না আক্তারকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন আদালত। রবিবার ঢাকা মহানগর শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মাসরুর সালেকীন আসামিদের উপস্থিতিতে এ রায় ঘোষণা করেন।
রায় ঘোষণার দিন সকাল থেকেই আদালত প্রাঙ্গণে ছিল কঠোর নিরাপত্তা ব্যবস্থা। সকাল সাড়ে ৮টার দিকে আসামি স্বপ্না আক্তারকে আদালতে আনা হয়। পরে সকাল ৮টা ৫০ মিনিটে কারাগার থেকে প্রিজনভ্যানে করে প্রধান অভিযুক্ত সোহেল রানাকে আদালতে হাজির করা হয়। তাদের ঢাকা মহানগর দায়রা জজ আদালতের হাজতখানায় রাখা হয় এবং রায় ঘোষণার আগে এজলাসে তোলা হয়।
বেলা ১১টার পর বিচারক রায়ের পর্যবেক্ষণ পাঠ শুরু করেন। দীর্ঘ শুনানি ও সাক্ষ্যপ্রমাণ পর্যালোচনার পর আদালত দুই আসামিকে মৃত্যুদণ্ডের আদেশ দেন।
রায়কে কেন্দ্র করে আদালত এলাকায় নিরাপত্তা জোরদার করা হয়। অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েনের পাশাপাশি সাদা পোশাকে বিভিন্ন গোয়েন্দা সংস্থার সদস্যদেরও দায়িত্ব পালন করতে দেখা যায়।
শিশু রামিসাকে ধর্ষণ ও হত্যার ঘটনাটি দেশজুড়ে ব্যাপক আলোড়ন সৃষ্টি করেছিল। আলোচিত এ মামলার রায়ে সন্তোষ প্রকাশ করেছেন ভুক্তভোগী পরিবারের সদস্যরা ও আদালতে উপস্থিত সাধারণ মানুষ।
এস.আর

আপনার মতামত লিখুন