খুলনা নগরীর সোনাডাঙ্গা এলাকায় শাশুড়ি ও দুই শিশুকে হত্যার ঘটনায় আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন অভিযুক্ত সৎ বাবা রফিকুল ইসলাম হাওলাদার।
শনিবার খুলনা মহানগর হাকিম আদালতে দেওয়া জবানবন্দিতে তিনি জানান, পারিবারিক বিরোধের জেরে প্রথমে শাশুড়ি বেবী বেগমকে হত্যা করেন। পরে ঘটনাটি দেখে ফেলায় একে একে দুই শিশু শামীম ও মুস্তাকিমকেও শ্বাসরোধে হত্যা করেন।
তদন্তসংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, ঘটনার দিন সকালে ঘরে প্রবেশ করলে শাশুড়ির সঙ্গে তার বাকবিতণ্ডা হয়। একপর্যায়ে ক্ষুব্ধ হয়ে ওড়না দিয়ে শ্বাসরোধ করে তাকে হত্যা করেন রফিকুল। এ সময় দুই শিশু ঘটনাটি দেখে ফেললে তাদেরও একই কায়দায় হত্যা করা হয়।
হত্যাকাণ্ডের পর তিনজনের মরদেহ ঘরের বিভিন্ন স্থানে লুকিয়ে রেখে বাসায় তালা দিয়ে পালিয়ে যান তিনি। পরে গত ৩০ মে সোনাডাঙ্গার ওই বাসা থেকে বেবী বেগম ও তার দুই নাতির মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ।
ঘটনার পর অভিযান চালিয়ে বরিশাল থেকে রফিকুল ইসলাম হাওলাদারকে গ্রেপ্তার করে র্যাব। আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেওয়ার পর তাকে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।
এস.আর

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৭ জুন ২০২৬
খুলনা নগরীর সোনাডাঙ্গা এলাকায় শাশুড়ি ও দুই শিশুকে হত্যার ঘটনায় আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন অভিযুক্ত সৎ বাবা রফিকুল ইসলাম হাওলাদার।
শনিবার খুলনা মহানগর হাকিম আদালতে দেওয়া জবানবন্দিতে তিনি জানান, পারিবারিক বিরোধের জেরে প্রথমে শাশুড়ি বেবী বেগমকে হত্যা করেন। পরে ঘটনাটি দেখে ফেলায় একে একে দুই শিশু শামীম ও মুস্তাকিমকেও শ্বাসরোধে হত্যা করেন।
তদন্তসংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, ঘটনার দিন সকালে ঘরে প্রবেশ করলে শাশুড়ির সঙ্গে তার বাকবিতণ্ডা হয়। একপর্যায়ে ক্ষুব্ধ হয়ে ওড়না দিয়ে শ্বাসরোধ করে তাকে হত্যা করেন রফিকুল। এ সময় দুই শিশু ঘটনাটি দেখে ফেললে তাদেরও একই কায়দায় হত্যা করা হয়।
হত্যাকাণ্ডের পর তিনজনের মরদেহ ঘরের বিভিন্ন স্থানে লুকিয়ে রেখে বাসায় তালা দিয়ে পালিয়ে যান তিনি। পরে গত ৩০ মে সোনাডাঙ্গার ওই বাসা থেকে বেবী বেগম ও তার দুই নাতির মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ।
ঘটনার পর অভিযান চালিয়ে বরিশাল থেকে রফিকুল ইসলাম হাওলাদারকে গ্রেপ্তার করে র্যাব। আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেওয়ার পর তাকে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।
এস.আর

আপনার মতামত লিখুন