দেশের অন্যতম বৃহৎ নদীভিত্তিক উন্নয়ন উদ্যোগ তিস্তা মহাপরিকল্পনার বাস্তবায়ন নিয়ে উচ্চপর্যায়ের একটি গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে। প্রধানমন্ত্রীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এ বৈঠকে প্রকল্পের সার্বিক অগ্রগতি, বাস্তবায়ন প্রক্রিয়া এবং ভবিষ্যৎ কর্মপরিকল্পনা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়।
বৈঠকে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় ও দপ্তরের কর্মকর্তারা প্রকল্পের বর্তমান অবস্থা তুলে ধরেন। একই সঙ্গে তিস্তা নদীকে কেন্দ্র করে দীর্ঘমেয়াদি পানি ব্যবস্থাপনা, নদীভাঙন প্রতিরোধ, সেচ সুবিধা সম্প্রসারণ এবং অববাহিকাজুড়ে পরিবেশগত ভারসাম্য রক্ষার বিষয়েও গুরুত্বারোপ করা হয়।
প্রধানমন্ত্রী প্রকল্পের কাজ নির্ধারিত সময়ের মধ্যে সম্পন্ন করতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেন। তিনি প্রকল্প বাস্তবায়নে সমন্বিত উদ্যোগ, কার্যকর পরিকল্পনা এবং জনগণের স্বার্থকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়ার ওপর জোর দেন।
সংশ্লিষ্টরা বলছেন, তিস্তা মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়িত হলে উত্তরাঞ্চলের কৃষি, মৎস্য, যোগাযোগ ও সামগ্রিক অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডে ইতিবাচক পরিবর্তন আসবে। পাশাপাশি নদীভাঙনের ঝুঁকি কমে আসবে এবং লাখো মানুষের জীবন-জীবিকায় নতুন সম্ভাবনার দ্বার উন্মোচিত হবে।
প্রকল্পটির অগ্রগতি পর্যবেক্ষণ ও বাস্তবায়ন ত্বরান্বিত করতে সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলোকে নিয়মিত সমন্বয়ের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে বলে বৈঠক সূত্রে জানা গেছে।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৫ জুন ২০২৬
দেশের অন্যতম বৃহৎ নদীভিত্তিক উন্নয়ন উদ্যোগ তিস্তা মহাপরিকল্পনার বাস্তবায়ন নিয়ে উচ্চপর্যায়ের একটি গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে। প্রধানমন্ত্রীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এ বৈঠকে প্রকল্পের সার্বিক অগ্রগতি, বাস্তবায়ন প্রক্রিয়া এবং ভবিষ্যৎ কর্মপরিকল্পনা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়।
বৈঠকে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় ও দপ্তরের কর্মকর্তারা প্রকল্পের বর্তমান অবস্থা তুলে ধরেন। একই সঙ্গে তিস্তা নদীকে কেন্দ্র করে দীর্ঘমেয়াদি পানি ব্যবস্থাপনা, নদীভাঙন প্রতিরোধ, সেচ সুবিধা সম্প্রসারণ এবং অববাহিকাজুড়ে পরিবেশগত ভারসাম্য রক্ষার বিষয়েও গুরুত্বারোপ করা হয়।
প্রধানমন্ত্রী প্রকল্পের কাজ নির্ধারিত সময়ের মধ্যে সম্পন্ন করতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেন। তিনি প্রকল্প বাস্তবায়নে সমন্বিত উদ্যোগ, কার্যকর পরিকল্পনা এবং জনগণের স্বার্থকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়ার ওপর জোর দেন।
সংশ্লিষ্টরা বলছেন, তিস্তা মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়িত হলে উত্তরাঞ্চলের কৃষি, মৎস্য, যোগাযোগ ও সামগ্রিক অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডে ইতিবাচক পরিবর্তন আসবে। পাশাপাশি নদীভাঙনের ঝুঁকি কমে আসবে এবং লাখো মানুষের জীবন-জীবিকায় নতুন সম্ভাবনার দ্বার উন্মোচিত হবে।
প্রকল্পটির অগ্রগতি পর্যবেক্ষণ ও বাস্তবায়ন ত্বরান্বিত করতে সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলোকে নিয়মিত সমন্বয়ের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে বলে বৈঠক সূত্রে জানা গেছে।

আপনার মতামত লিখুন