জলবায়ু পরিবর্তনের ক্রমবর্ধমান প্রভাব এবং এল নিনো পরিস্থিতির কারণে বাংলাদেশে আগামী কয়েক মাস তাপমাত্রা স্বাভাবিকের তুলনায় বেশি থাকতে পারে বলে সতর্ক করেছেন আবহাওয়াবিদ ও জলবায়ু বিশেষজ্ঞরা। এর ফলে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে তাপপ্রবাহের তীব্রতা ও স্থায়িত্ব বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, বৈশ্বিক উষ্ণায়নের কারণে পৃথিবীর গড় তাপমাত্রা বাড়ছে। এর সঙ্গে প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলের আবহাওয়া-সংক্রান্ত ঘটনা এল নিনোর প্রভাব যুক্ত হওয়ায় দক্ষিণ এশিয়ার বিভিন্ন দেশের মতো বাংলাদেশেও তাপমাত্রা বৃদ্ধি এবং বৃষ্টিপাতের ধরনে পরিবর্তন দেখা দিতে পারে।
তাদের মতে, দীর্ঘস্থায়ী তাপপ্রবাহ জনস্বাস্থ্যের জন্য বড় ধরনের ঝুঁকি তৈরি করতে পারে। বিশেষ করে শিশু, বয়স্ক এবং বাইরে কর্মরত শ্রমজীবী মানুষ সবচেয়ে বেশি ক্ষতির মুখে পড়তে পারেন। একই সঙ্গে কৃষি উৎপাদন, পানির চাহিদা এবং বিদ্যুৎ ব্যবস্থার ওপরও অতিরিক্ত চাপ সৃষ্টি হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।
এ পরিস্থিতিতে জনগণকে প্রয়োজন ছাড়া দীর্ঘ সময় রোদে অবস্থান না করা, পর্যাপ্ত পানি পান করা এবং স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি সম্ভাব্য তাপপ্রবাহ মোকাবিলায় আগাম প্রস্তুতি গ্রহণের জন্য সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলোর প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা।
আবহাওয়া সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো জানিয়েছে, পরিস্থিতির ওপর নজর রাখা হচ্ছে এবং প্রয়োজন হলে নতুন করে তাপপ্রবাহ সংক্রান্ত সতর্কতা জারি করা হবে।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৪ জুন ২০২৬
জলবায়ু পরিবর্তনের ক্রমবর্ধমান প্রভাব এবং এল নিনো পরিস্থিতির কারণে বাংলাদেশে আগামী কয়েক মাস তাপমাত্রা স্বাভাবিকের তুলনায় বেশি থাকতে পারে বলে সতর্ক করেছেন আবহাওয়াবিদ ও জলবায়ু বিশেষজ্ঞরা। এর ফলে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে তাপপ্রবাহের তীব্রতা ও স্থায়িত্ব বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, বৈশ্বিক উষ্ণায়নের কারণে পৃথিবীর গড় তাপমাত্রা বাড়ছে। এর সঙ্গে প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলের আবহাওয়া-সংক্রান্ত ঘটনা এল নিনোর প্রভাব যুক্ত হওয়ায় দক্ষিণ এশিয়ার বিভিন্ন দেশের মতো বাংলাদেশেও তাপমাত্রা বৃদ্ধি এবং বৃষ্টিপাতের ধরনে পরিবর্তন দেখা দিতে পারে।
তাদের মতে, দীর্ঘস্থায়ী তাপপ্রবাহ জনস্বাস্থ্যের জন্য বড় ধরনের ঝুঁকি তৈরি করতে পারে। বিশেষ করে শিশু, বয়স্ক এবং বাইরে কর্মরত শ্রমজীবী মানুষ সবচেয়ে বেশি ক্ষতির মুখে পড়তে পারেন। একই সঙ্গে কৃষি উৎপাদন, পানির চাহিদা এবং বিদ্যুৎ ব্যবস্থার ওপরও অতিরিক্ত চাপ সৃষ্টি হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।
এ পরিস্থিতিতে জনগণকে প্রয়োজন ছাড়া দীর্ঘ সময় রোদে অবস্থান না করা, পর্যাপ্ত পানি পান করা এবং স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি সম্ভাব্য তাপপ্রবাহ মোকাবিলায় আগাম প্রস্তুতি গ্রহণের জন্য সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলোর প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা।
আবহাওয়া সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো জানিয়েছে, পরিস্থিতির ওপর নজর রাখা হচ্ছে এবং প্রয়োজন হলে নতুন করে তাপপ্রবাহ সংক্রান্ত সতর্কতা জারি করা হবে।

আপনার মতামত লিখুন