অ্যাটর্নি জেনারেল অফিসে নোটিশ জালিয়াতির অভিযোগের পর তা প্রতিরোধে পাঁচ দফা নির্দেশনা জারি করা হয়েছে। মঙ্গলবার প্রকাশিত এক বিশেষ নির্দেশনায় বলা হয়, বিদ্যমান নোটিশ প্রদান পদ্ধতির কিছু দুর্বলতা এবং কয়েকজন ক্লার্কের সঙ্গে অফিসের কিছু কর্মচারীর যোগসাজশে নোটিশ জালিয়াতির ঘটনা কর্তৃপক্ষের নজরে এসেছে।
নির্দেশনায় উল্লেখ করা হয়, মঙ্গলবার অবকাশকালীন এনেক্স ভবনের ১৪ নম্বর আদালতে কয়েকটি মামলার এফিডেভিটকৃত মূল আবেদনের টেন্ডার নম্বরের সঙ্গে নোটিশে উল্লেখিত টেন্ডার নম্বরের অসঙ্গতি ধরা পড়ে। বিষয়টি আদালতের নজরে আনার পর তালিকাভুক্ত আরও বেশ কয়েকটি মামলায় একই ধরনের গড়মিল পাওয়া যায়।
এ ঘটনায় আদালত মনে করেন, অনৈতিক সুবিধা অর্জন বা অসৎ উদ্দেশ্যে এ ধরনের প্রক্রিয়া অনুসরণ করা হয়েছে। ফলে ওই আদালতে তালিকাভুক্ত একাধিক মামলার আইটেম বাতিল করা হয়।
এছাড়া বিভিন্ন মামলায় শনাক্তকারী আইনজীবী ও নোটিশে স্বাক্ষরকারী আইনজীবীর মধ্যে অসামঞ্জস্যও পাওয়া গেছে। এতে সংশ্লিষ্ট মামলার দায়িত্বপ্রাপ্ত আইনজীবীকে শনাক্ত করা কঠিন হয়ে পড়ে বলে নির্দেশনায় উল্লেখ করা হয়। এ ধরনের কর্মকাণ্ড বিচার প্রক্রিয়া ও আইনজীবী সমাজকে বিব্রতকর পরিস্থিতিতে ফেলছে বলেও মন্তব্য করা হয়েছে।
বিচারিক স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে অ্যাটর্নি জেনারেল অফিস পাঁচটি নির্দেশনা দিয়েছে। সেগুলো হলো—
১. মূল পিটিশনে শনাক্তকারী আইনজীবী এবং নোটিশে স্বাক্ষরকারী আইনজীবী একই ব্যক্তি হতে হবে।
২. কোনো মামলার এফিডেভিট সম্পন্ন হওয়ার সাত দিনের মধ্যে অ্যাটর্নি জেনারেল অফিসে নোটিশ জারি করতে হবে।
৩. জমা দেওয়া নোটিশে টেন্ডার নম্বর টাইপ করা থাকতে হবে।
৪. এফিডেভিটের পর মূল আবেদনপত্রের ফটোকপি ও ওকালতনামার উভয় পৃষ্ঠাসহ নোটিশ জমা দিতে হবে।
৫. কোনো মামলা এক আদালত থেকে অন্য আদালতে তালিকাভুক্ত হলে নতুন নোটিশের সঙ্গে পূর্ববর্তী আদালতে দাখিল করা নোটিশের অনুলিপি সংযুক্ত করতে হবে।
নতুন নির্দেশনাগুলো আগামী ১৪ জুন থেকে কার্যকর হবে।
বিষয় : অ্যাটর্নি জেনারেল

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০২ জুন ২০২৬
অ্যাটর্নি জেনারেল অফিসে নোটিশ জালিয়াতির অভিযোগের পর তা প্রতিরোধে পাঁচ দফা নির্দেশনা জারি করা হয়েছে। মঙ্গলবার প্রকাশিত এক বিশেষ নির্দেশনায় বলা হয়, বিদ্যমান নোটিশ প্রদান পদ্ধতির কিছু দুর্বলতা এবং কয়েকজন ক্লার্কের সঙ্গে অফিসের কিছু কর্মচারীর যোগসাজশে নোটিশ জালিয়াতির ঘটনা কর্তৃপক্ষের নজরে এসেছে।
নির্দেশনায় উল্লেখ করা হয়, মঙ্গলবার অবকাশকালীন এনেক্স ভবনের ১৪ নম্বর আদালতে কয়েকটি মামলার এফিডেভিটকৃত মূল আবেদনের টেন্ডার নম্বরের সঙ্গে নোটিশে উল্লেখিত টেন্ডার নম্বরের অসঙ্গতি ধরা পড়ে। বিষয়টি আদালতের নজরে আনার পর তালিকাভুক্ত আরও বেশ কয়েকটি মামলায় একই ধরনের গড়মিল পাওয়া যায়।
এ ঘটনায় আদালত মনে করেন, অনৈতিক সুবিধা অর্জন বা অসৎ উদ্দেশ্যে এ ধরনের প্রক্রিয়া অনুসরণ করা হয়েছে। ফলে ওই আদালতে তালিকাভুক্ত একাধিক মামলার আইটেম বাতিল করা হয়।
এছাড়া বিভিন্ন মামলায় শনাক্তকারী আইনজীবী ও নোটিশে স্বাক্ষরকারী আইনজীবীর মধ্যে অসামঞ্জস্যও পাওয়া গেছে। এতে সংশ্লিষ্ট মামলার দায়িত্বপ্রাপ্ত আইনজীবীকে শনাক্ত করা কঠিন হয়ে পড়ে বলে নির্দেশনায় উল্লেখ করা হয়। এ ধরনের কর্মকাণ্ড বিচার প্রক্রিয়া ও আইনজীবী সমাজকে বিব্রতকর পরিস্থিতিতে ফেলছে বলেও মন্তব্য করা হয়েছে।
বিচারিক স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে অ্যাটর্নি জেনারেল অফিস পাঁচটি নির্দেশনা দিয়েছে। সেগুলো হলো—
১. মূল পিটিশনে শনাক্তকারী আইনজীবী এবং নোটিশে স্বাক্ষরকারী আইনজীবী একই ব্যক্তি হতে হবে।
২. কোনো মামলার এফিডেভিট সম্পন্ন হওয়ার সাত দিনের মধ্যে অ্যাটর্নি জেনারেল অফিসে নোটিশ জারি করতে হবে।
৩. জমা দেওয়া নোটিশে টেন্ডার নম্বর টাইপ করা থাকতে হবে।
৪. এফিডেভিটের পর মূল আবেদনপত্রের ফটোকপি ও ওকালতনামার উভয় পৃষ্ঠাসহ নোটিশ জমা দিতে হবে।
৫. কোনো মামলা এক আদালত থেকে অন্য আদালতে তালিকাভুক্ত হলে নতুন নোটিশের সঙ্গে পূর্ববর্তী আদালতে দাখিল করা নোটিশের অনুলিপি সংযুক্ত করতে হবে।
নতুন নির্দেশনাগুলো আগামী ১৪ জুন থেকে কার্যকর হবে।

আপনার মতামত লিখুন