আসন্ন ২০২৬-২৭ অর্থবছরের (এফওয়াই-২৭) জাতীয় বাজেটকে ঘিরে রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক অঙ্গনে ব্যাপক আলোচনা চলছে। রাজস্ব আয় বাড়ানো, উন্নয়ন কর্মকাণ্ডে গতি আনা এবং অর্থনীতিকে স্থিতিশীল রাখার লক্ষ্য নিয়ে সরকার নতুন বাজেট প্রণয়নের প্রস্তুতি নিচ্ছে।
তবে প্রস্তাবিত কর সংস্কার, ব্যাংক ঋণের ওপর বাড়তি নির্ভরতা এবং ক্রমবর্ধমান ঋণের বোঝা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন অর্থনীতিবিদরা। তাদের মতে, জনগণের ওপর অতিরিক্ত করের চাপ সৃষ্টি না করে করের আওতা বাড়ানো এবং রাজস্ব ব্যবস্থাপনায় স্বচ্ছতা নিশ্চিত করা জরুরি।
বিশেষজ্ঞরা সতর্ক করে বলেছেন, উচ্চ মূল্যস্ফীতি, বৈদেশিক ঋণ পরিশোধের চাপ এবং বিনিয়োগের ধীরগতির মতো চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় বাস্তবসম্মত ও জনবান্ধব বাজেট প্রয়োজন। অন্যথায় অর্থনীতির ওপর নতুন চাপ তৈরি হতে পারে।
অর্থনীতিবিদদের মতে, এফওয়াই-২৭ বাজেট শুধু আগামী এক বছরের আর্থিক পরিকল্পনাই নয়, বরং দেশের দীর্ঘমেয়াদি অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা ও উন্নয়নের পথরেখাও নির্ধারণ করবে। ফলে বাজেটের প্রতিটি সিদ্ধান্তের দিকে নজর রাখছেন ব্যবসায়ী, বিনিয়োগকারী ও সাধারণ মানুষ।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০২ জুন ২০২৬
আসন্ন ২০২৬-২৭ অর্থবছরের (এফওয়াই-২৭) জাতীয় বাজেটকে ঘিরে রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক অঙ্গনে ব্যাপক আলোচনা চলছে। রাজস্ব আয় বাড়ানো, উন্নয়ন কর্মকাণ্ডে গতি আনা এবং অর্থনীতিকে স্থিতিশীল রাখার লক্ষ্য নিয়ে সরকার নতুন বাজেট প্রণয়নের প্রস্তুতি নিচ্ছে।
তবে প্রস্তাবিত কর সংস্কার, ব্যাংক ঋণের ওপর বাড়তি নির্ভরতা এবং ক্রমবর্ধমান ঋণের বোঝা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন অর্থনীতিবিদরা। তাদের মতে, জনগণের ওপর অতিরিক্ত করের চাপ সৃষ্টি না করে করের আওতা বাড়ানো এবং রাজস্ব ব্যবস্থাপনায় স্বচ্ছতা নিশ্চিত করা জরুরি।
বিশেষজ্ঞরা সতর্ক করে বলেছেন, উচ্চ মূল্যস্ফীতি, বৈদেশিক ঋণ পরিশোধের চাপ এবং বিনিয়োগের ধীরগতির মতো চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় বাস্তবসম্মত ও জনবান্ধব বাজেট প্রয়োজন। অন্যথায় অর্থনীতির ওপর নতুন চাপ তৈরি হতে পারে।
অর্থনীতিবিদদের মতে, এফওয়াই-২৭ বাজেট শুধু আগামী এক বছরের আর্থিক পরিকল্পনাই নয়, বরং দেশের দীর্ঘমেয়াদি অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা ও উন্নয়নের পথরেখাও নির্ধারণ করবে। ফলে বাজেটের প্রতিটি সিদ্ধান্তের দিকে নজর রাখছেন ব্যবসায়ী, বিনিয়োগকারী ও সাধারণ মানুষ।

আপনার মতামত লিখুন