পটুয়াখালীর গলাচিপা উপজেলার রতনদি-তালতলী ইউনিয়নে জেলেদের জন্য বরাদ্দকৃত সরকারি চাল নিয়ে অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগ রয়েছে, ইউনিয়নের বিএনপির আহ্বায়ক মোঃ হায়দার আলী শরীফ ইউনিয়ন পরিষদের সচিব গোলাম মাওলা শুভকে মোবাইল ফোনে যোগাযোগ করে জেলেদের ১০ বস্তা চাল বিক্রি করে সেই অর্থ বিকাশের মাধ্যমে পাঠানোর জন্য বলেন।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বিষয়টি এলাকায় ছড়িয়ে পড়লে জেলে ও সাধারণ মানুষের মধ্যে ব্যাপক ক্ষোভের সৃষ্টি হয়। অনেকেই অভিযোগ করেন, জেলেদের জন্য বরাদ্দকৃত সরকারি সহায়তা কোনোভাবেই বিক্রি করা বা অন্য খাতে ব্যবহার করা উচিত নয়। এতে প্রকৃত সুবিধাভোগীরা বঞ্চিত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।
এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় নানা আলোচনা-সমালোচনার জন্ম হয়েছে। স্থানীয় বাসিন্দারা বিষয়টির সুষ্ঠু তদন্ত এবং প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন। তারা মনে করেন, অভিযোগের সত্যতা প্রমাণিত হলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা উচিত।
তবে এ বিষয়ে অভিযুক্ত মোঃ হায়দার আলী শরীফের একাধিকবার তার মুঠোফোনে কল দিয়ে বক্তব্য পাওয়া যায়নি। একই সঙ্গে অভিযোগের বিষয়টি গলাচিপা উপজেলার বিভিন্ন পেইজে যেমন গলাচিপা সংবাদ, টিভি তে অডিও আকারে প্রকাশিত হয়েছে।
ঘটনাটি নিয়ে সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের পক্ষ থেকে তদন্ত করা হলে প্রকৃত সত্য উদঘাটিত হবে বলে স্থানীয়রা আশা প্রকাশ করেছেন।
এস.আর

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০১ জুন ২০২৬
পটুয়াখালীর গলাচিপা উপজেলার রতনদি-তালতলী ইউনিয়নে জেলেদের জন্য বরাদ্দকৃত সরকারি চাল নিয়ে অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগ রয়েছে, ইউনিয়নের বিএনপির আহ্বায়ক মোঃ হায়দার আলী শরীফ ইউনিয়ন পরিষদের সচিব গোলাম মাওলা শুভকে মোবাইল ফোনে যোগাযোগ করে জেলেদের ১০ বস্তা চাল বিক্রি করে সেই অর্থ বিকাশের মাধ্যমে পাঠানোর জন্য বলেন।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বিষয়টি এলাকায় ছড়িয়ে পড়লে জেলে ও সাধারণ মানুষের মধ্যে ব্যাপক ক্ষোভের সৃষ্টি হয়। অনেকেই অভিযোগ করেন, জেলেদের জন্য বরাদ্দকৃত সরকারি সহায়তা কোনোভাবেই বিক্রি করা বা অন্য খাতে ব্যবহার করা উচিত নয়। এতে প্রকৃত সুবিধাভোগীরা বঞ্চিত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।
এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় নানা আলোচনা-সমালোচনার জন্ম হয়েছে। স্থানীয় বাসিন্দারা বিষয়টির সুষ্ঠু তদন্ত এবং প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন। তারা মনে করেন, অভিযোগের সত্যতা প্রমাণিত হলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা উচিত।
তবে এ বিষয়ে অভিযুক্ত মোঃ হায়দার আলী শরীফের একাধিকবার তার মুঠোফোনে কল দিয়ে বক্তব্য পাওয়া যায়নি। একই সঙ্গে অভিযোগের বিষয়টি গলাচিপা উপজেলার বিভিন্ন পেইজে যেমন গলাচিপা সংবাদ, টিভি তে অডিও আকারে প্রকাশিত হয়েছে।
ঘটনাটি নিয়ে সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের পক্ষ থেকে তদন্ত করা হলে প্রকৃত সত্য উদঘাটিত হবে বলে স্থানীয়রা আশা প্রকাশ করেছেন।
এস.আর

আপনার মতামত লিখুন