পবিত্র ধর্মীয় উৎসব ‘Eid’ এর বাংলা বানান নিয়ে দীর্ঘদিন ধরেই সাধারণ মানুষ ও লেখালেখির জগতে বিভ্রান্তি রয়েছে। কোথাও লেখা হয় “ঈদ”, আবার কোথাও “ইদ”—দুই ধরনের বানানই সমানভাবে চোখে পড়ে।
বাংলা একাডেমির বানানরীতি অনুযায়ী, “ইদ” বানানটিকেই মানক হিসেবে গ্রহণ করা হয়েছে। একাডেমির মতে, আরবি শব্দ “عيد”-এর উচ্চারণে দীর্ঘ “ঈ” ধ্বনি নেই। বরং এটি স্বাভাবিকভাবে হালকা “ই” ধ্বনিতে উচ্চারিত হয়। তাই ধ্বনিগত সামঞ্জস্য বজায় রেখে “ইদ” বানান নির্ধারণ করা হয়েছে।
তবে বাস্তব চিত্র ভিন্ন। দেশের সংবাদমাধ্যম, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম, বইপত্র এবং সাধারণ লেখালেখিতে এখনো “ঈদ” বানান ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হচ্ছে। দীর্ঘদিনের প্রচলনের কারণে এটি জনমানসে গভীরভাবে প্রতিষ্ঠিত হয়ে গেছে।
ভাষাবিদরা বলছেন, ভাষার মানক রীতি ও প্রচলিত ব্যবহার সব সময় এক নয়। ফলে একদিকে একাডেমিক মানদণ্ডে “ইদ” গ্রহণযোগ্য হলেও, সামাজিক ব্যবহারে “ঈদ” এখনো সমানভাবে দৃশ্যমান।
এ বিষয়ে ভাষা বিশেষজ্ঞদের অভিমত, নির্দিষ্ট পরীক্ষামূলক বা একাডেমিক লেখায় বাংলা একাডেমির বানান অনুসরণ করা উচিত। তবে দৈনন্দিন ব্যবহারে “ঈদ”কে ভুল হিসেবে গণ্য করার সুযোগ নেই।
সব মিলিয়ে বলা যায়, বানান নিয়ে বিভ্রান্তি থাকলেও দুই রূপই এখন সমাজে প্রচলিত। ভাষার পরিবর্তনশীল স্বভাবের কারণে এই দ্বৈত ব্যবহার আপাতত বহাল রয়েছে।
এস.আর

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৪ মে ২০২৬
পবিত্র ধর্মীয় উৎসব ‘Eid’ এর বাংলা বানান নিয়ে দীর্ঘদিন ধরেই সাধারণ মানুষ ও লেখালেখির জগতে বিভ্রান্তি রয়েছে। কোথাও লেখা হয় “ঈদ”, আবার কোথাও “ইদ”—দুই ধরনের বানানই সমানভাবে চোখে পড়ে।
বাংলা একাডেমির বানানরীতি অনুযায়ী, “ইদ” বানানটিকেই মানক হিসেবে গ্রহণ করা হয়েছে। একাডেমির মতে, আরবি শব্দ “عيد”-এর উচ্চারণে দীর্ঘ “ঈ” ধ্বনি নেই। বরং এটি স্বাভাবিকভাবে হালকা “ই” ধ্বনিতে উচ্চারিত হয়। তাই ধ্বনিগত সামঞ্জস্য বজায় রেখে “ইদ” বানান নির্ধারণ করা হয়েছে।
তবে বাস্তব চিত্র ভিন্ন। দেশের সংবাদমাধ্যম, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম, বইপত্র এবং সাধারণ লেখালেখিতে এখনো “ঈদ” বানান ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হচ্ছে। দীর্ঘদিনের প্রচলনের কারণে এটি জনমানসে গভীরভাবে প্রতিষ্ঠিত হয়ে গেছে।
ভাষাবিদরা বলছেন, ভাষার মানক রীতি ও প্রচলিত ব্যবহার সব সময় এক নয়। ফলে একদিকে একাডেমিক মানদণ্ডে “ইদ” গ্রহণযোগ্য হলেও, সামাজিক ব্যবহারে “ঈদ” এখনো সমানভাবে দৃশ্যমান।
এ বিষয়ে ভাষা বিশেষজ্ঞদের অভিমত, নির্দিষ্ট পরীক্ষামূলক বা একাডেমিক লেখায় বাংলা একাডেমির বানান অনুসরণ করা উচিত। তবে দৈনন্দিন ব্যবহারে “ঈদ”কে ভুল হিসেবে গণ্য করার সুযোগ নেই।
সব মিলিয়ে বলা যায়, বানান নিয়ে বিভ্রান্তি থাকলেও দুই রূপই এখন সমাজে প্রচলিত। ভাষার পরিবর্তনশীল স্বভাবের কারণে এই দ্বৈত ব্যবহার আপাতত বহাল রয়েছে।
এস.আর

আপনার মতামত লিখুন