দিনাজপুরের নবাবগঞ্জ উপজেলার ওপর দিয়ে বয়ে যাওয়া ভয়াবহ কালবৈশাখী ঝড়ে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতির ঘটনা ঘটেছে। ঝড়ের তাণ্ডবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে ফসলের ক্ষেত, আম-লিচুর বাগান ও বহু বসতবাড়ি। পুরো উপজেলা কয়েক ঘণ্টা বিদ্যুৎবিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ায় দুর্ভোগে পড়েন সাধারণ মানুষ।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, রবিবার ( ২৪ মে) দিবাগত রাতে আকস্মিকভাবে শুরু হওয়া ঝড় ও দমকা হাওয়ায় উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় গাছপালা উপড়ে পড়ে। এতে বেশ কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ সড়কে যান চলাচল সাময়িকভাবে বন্ধ হয়ে যায়। এছাড়া অনেক টিনশেড ঘরের চাল উড়ে যাওয়ার ঘটনাও ঘটে।
ঝড়ের পর থেকেই বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ হয়ে পড়ে নবাবগঞ্জ উপজেলা সদরসহ আশপাশের এলাকায়। সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, ঝড়ে অন্তত ১১টি বৈদ্যুতিক খুঁটি ভেঙে পড়ে। ফলে প্রায় ১৫ ঘণ্টা বিদ্যুৎহীন অবস্থায় থাকতে হয় এলাকাবাসীকে। পরে বিদ্যুৎ বিভাগের কর্মীরা ক্ষতিগ্রস্ত লাইনের মেরামত কাজ শুরু করেন।
ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকরা জানান, মৌসুমের শেষ সময়ে এসে এমন দুর্যোগে তারা চরম আর্থিক অনিশ্চয়তায় পড়েছেন। অনেক কৃষক ঋণ নিয়ে চাষাবাদ করেছিলেন। ঝড়ে ফসল নষ্ট হওয়ায় লোকসানের শঙ্কা দেখা দিয়েছে।
এ বিষয়ে উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা বলেন, ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ নিরূপণে মাঠ পর্যায়ে কাজ চলছে। এখনো পূর্ণাঙ্গ তথ্য সংগ্রহ করা সম্ভব হয়নি।
উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় ক্ষতিগ্রস্তদের তালিকা প্রস্তুত ও সহায়তা কার্যক্রম পরিচালনায় প্রশাসনের পক্ষ থেকে কাজ চলমান রয়েছে বলে জানা গেছে।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৪ মে ২০২৬
দিনাজপুরের নবাবগঞ্জ উপজেলার ওপর দিয়ে বয়ে যাওয়া ভয়াবহ কালবৈশাখী ঝড়ে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতির ঘটনা ঘটেছে। ঝড়ের তাণ্ডবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে ফসলের ক্ষেত, আম-লিচুর বাগান ও বহু বসতবাড়ি। পুরো উপজেলা কয়েক ঘণ্টা বিদ্যুৎবিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ায় দুর্ভোগে পড়েন সাধারণ মানুষ।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, রবিবার ( ২৪ মে) দিবাগত রাতে আকস্মিকভাবে শুরু হওয়া ঝড় ও দমকা হাওয়ায় উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় গাছপালা উপড়ে পড়ে। এতে বেশ কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ সড়কে যান চলাচল সাময়িকভাবে বন্ধ হয়ে যায়। এছাড়া অনেক টিনশেড ঘরের চাল উড়ে যাওয়ার ঘটনাও ঘটে।
ঝড়ের পর থেকেই বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ হয়ে পড়ে নবাবগঞ্জ উপজেলা সদরসহ আশপাশের এলাকায়। সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, ঝড়ে অন্তত ১১টি বৈদ্যুতিক খুঁটি ভেঙে পড়ে। ফলে প্রায় ১৫ ঘণ্টা বিদ্যুৎহীন অবস্থায় থাকতে হয় এলাকাবাসীকে। পরে বিদ্যুৎ বিভাগের কর্মীরা ক্ষতিগ্রস্ত লাইনের মেরামত কাজ শুরু করেন।
ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকরা জানান, মৌসুমের শেষ সময়ে এসে এমন দুর্যোগে তারা চরম আর্থিক অনিশ্চয়তায় পড়েছেন। অনেক কৃষক ঋণ নিয়ে চাষাবাদ করেছিলেন। ঝড়ে ফসল নষ্ট হওয়ায় লোকসানের শঙ্কা দেখা দিয়েছে।
এ বিষয়ে উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা বলেন, ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ নিরূপণে মাঠ পর্যায়ে কাজ চলছে। এখনো পূর্ণাঙ্গ তথ্য সংগ্রহ করা সম্ভব হয়নি।
উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় ক্ষতিগ্রস্তদের তালিকা প্রস্তুত ও সহায়তা কার্যক্রম পরিচালনায় প্রশাসনের পক্ষ থেকে কাজ চলমান রয়েছে বলে জানা গেছে।

আপনার মতামত লিখুন