কক্সবাজার জেলা ও দায়রা জজ-২ আদালত প্রাঙ্গণে প্রকাশ্যে গুলিবর্ষণের ঘটনা ঘটেছে। রোববার (২৪ মে) বেলা ১১টার দিকে ঘটে যাওয়া এ ঘটনায় দুইজন আহত হয়েছেন বলে জানিয়েছে পুলিশ। এতে পুরো আদালত এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে।
আহতরা হলেন মহিউদ্দিন ও রনি। তারা স্বেচ্ছাসেবক দলের রাজনীতির সঙ্গে জড়িত বলে জানা গেছে।
প্রত্যক্ষদর্শীদের বরাতে পুলিশ জানায়, কক্সবাজার সদর উপজেলার ঝিলংজা ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক লিয়াকত আলী মেম্বার একটি মামলায় হাজিরা দিতে সহযোগীদের নিয়ে আদালতে আসেন। হাজিরা শেষে তিনি আদালত প্রাঙ্গণ ত্যাগ করার সময় প্রতিপক্ষের লোকজন তার ওপর হামলা চালায় এবং গুলিবর্ষণ করে। এ সময় উভয় পক্ষের মধ্যে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া ও সংঘর্ষের ঘটনাও ঘটে।
গুলির শব্দে বিচারপ্রার্থী ও সাধারণ মানুষ আতঙ্কিত হয়ে পড়ে। পরে পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে এবং আদালত চত্বর ঘিরে ফেলে।
আহতদের কক্সবাজার সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। এ ঘটনায় জড়িত সন্দেহে তিনজনকে আটক করা হয়েছে বলে পুলিশ জানিয়েছে। ঘটনাস্থল থেকে একটি দেশীয় তৈরি অস্ত্রও উদ্ধার করা হয়।
কক্সবাজারের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার অহিদুর রহমান জানান, ঘটনার কারণ ও জড়িতদের শনাক্তে তদন্ত চলছে।
এস.আর

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৪ মে ২০২৬
কক্সবাজার জেলা ও দায়রা জজ-২ আদালত প্রাঙ্গণে প্রকাশ্যে গুলিবর্ষণের ঘটনা ঘটেছে। রোববার (২৪ মে) বেলা ১১টার দিকে ঘটে যাওয়া এ ঘটনায় দুইজন আহত হয়েছেন বলে জানিয়েছে পুলিশ। এতে পুরো আদালত এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে।
আহতরা হলেন মহিউদ্দিন ও রনি। তারা স্বেচ্ছাসেবক দলের রাজনীতির সঙ্গে জড়িত বলে জানা গেছে।
প্রত্যক্ষদর্শীদের বরাতে পুলিশ জানায়, কক্সবাজার সদর উপজেলার ঝিলংজা ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক লিয়াকত আলী মেম্বার একটি মামলায় হাজিরা দিতে সহযোগীদের নিয়ে আদালতে আসেন। হাজিরা শেষে তিনি আদালত প্রাঙ্গণ ত্যাগ করার সময় প্রতিপক্ষের লোকজন তার ওপর হামলা চালায় এবং গুলিবর্ষণ করে। এ সময় উভয় পক্ষের মধ্যে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া ও সংঘর্ষের ঘটনাও ঘটে।
গুলির শব্দে বিচারপ্রার্থী ও সাধারণ মানুষ আতঙ্কিত হয়ে পড়ে। পরে পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে এবং আদালত চত্বর ঘিরে ফেলে।
আহতদের কক্সবাজার সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। এ ঘটনায় জড়িত সন্দেহে তিনজনকে আটক করা হয়েছে বলে পুলিশ জানিয়েছে। ঘটনাস্থল থেকে একটি দেশীয় তৈরি অস্ত্রও উদ্ধার করা হয়।
কক্সবাজারের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার অহিদুর রহমান জানান, ঘটনার কারণ ও জড়িতদের শনাক্তে তদন্ত চলছে।
এস.আর

আপনার মতামত লিখুন