ঢাকার আশুলিয়ায় পারিবারিক বিরোধের জেরে স্ত্রীকে হত্যা করার মামলায় স্বামী মো. রেজাউল করিম মাদবরকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে তাকে ১০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড করা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (২১ মে) ঢাকার অতিরিক্ত মহানগর দায়রা জজ-৭ম আদালতের বিচারক মো. আব্দুল্লাহ আল মাসুদ এ রায় ঘোষণা করেন। রায় ঘোষণার সময় আসামি আদালতে অনুপস্থিত ছিলেন। পরে তার বিরুদ্ধে সাজা পরোয়ানাসহ গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করা হয়।
মামলার নথি অনুযায়ী, ২০১৬ সালের ২৪ এপ্রিল ভোরে আশুলিয়ার জিরাবো এলাকায় স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে পারিবারিক বিষয় নিয়ে বিরোধ হয়। ওই সময় স্ত্রী সীমা আক্তারকে মাথায় আঘাত করে এবং পরে জবাই করে হত্যা করেন রেজাউল করিম। ঘটনার সময় তিনি পালানোর চেষ্টা করলে স্থানীয়রা তাকে আটক করে পুলিশে সোপর্দ করে।
নিহতের বাবা জাহিদুল ইসলাম ওই ঘটনায় আশুলিয়া থানায় হত্যা মামলা করেন। পরে আসামি আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেন।
তদন্ত শেষে একই বছরের ৩১ আগস্ট পুলিশ আদালতে অভিযোগপত্র জমা দেয়। ২০১৭ সালের ১১ জানুয়ারি অভিযোগ গঠনের মাধ্যমে মামলার বিচার শুরু হয়।
বিচার চলাকালে আদালত ১২ জন সাক্ষীর সাক্ষ্য গ্রহণ করেন। দীর্ঘ শুনানি শেষে প্রায় ১০ বছর পর মামলার রায় ঘোষণা হলো।
এস.আর

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২১ মে ২০২৬
ঢাকার আশুলিয়ায় পারিবারিক বিরোধের জেরে স্ত্রীকে হত্যা করার মামলায় স্বামী মো. রেজাউল করিম মাদবরকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে তাকে ১০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড করা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (২১ মে) ঢাকার অতিরিক্ত মহানগর দায়রা জজ-৭ম আদালতের বিচারক মো. আব্দুল্লাহ আল মাসুদ এ রায় ঘোষণা করেন। রায় ঘোষণার সময় আসামি আদালতে অনুপস্থিত ছিলেন। পরে তার বিরুদ্ধে সাজা পরোয়ানাসহ গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করা হয়।
মামলার নথি অনুযায়ী, ২০১৬ সালের ২৪ এপ্রিল ভোরে আশুলিয়ার জিরাবো এলাকায় স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে পারিবারিক বিষয় নিয়ে বিরোধ হয়। ওই সময় স্ত্রী সীমা আক্তারকে মাথায় আঘাত করে এবং পরে জবাই করে হত্যা করেন রেজাউল করিম। ঘটনার সময় তিনি পালানোর চেষ্টা করলে স্থানীয়রা তাকে আটক করে পুলিশে সোপর্দ করে।
নিহতের বাবা জাহিদুল ইসলাম ওই ঘটনায় আশুলিয়া থানায় হত্যা মামলা করেন। পরে আসামি আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেন।
তদন্ত শেষে একই বছরের ৩১ আগস্ট পুলিশ আদালতে অভিযোগপত্র জমা দেয়। ২০১৭ সালের ১১ জানুয়ারি অভিযোগ গঠনের মাধ্যমে মামলার বিচার শুরু হয়।
বিচার চলাকালে আদালত ১২ জন সাক্ষীর সাক্ষ্য গ্রহণ করেন। দীর্ঘ শুনানি শেষে প্রায় ১০ বছর পর মামলার রায় ঘোষণা হলো।
এস.আর

আপনার মতামত লিখুন