রাজধানীর মিরপুরে পপুলার মডেল হাই স্কুলের শিক্ষার্থী রামিসা আক্তার হত্যার ঘটনায় দ্রুত বিচার ও সর্বোচ্চ শাস্তির দাবিতে বিক্ষোভ ও মানববন্ধন করেছেন বিভিন্ন স্কুলের শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও অভিভাবকরা।
বৃহস্পতিবার সকালে মিরপুরের একটি স্কুল প্রাঙ্গণ থেকে মিছিলটি শুরু হয়। পরে তা মিরপুর-১১ এলাকার বিভিন্ন সড়ক ঘুরে আবারও একই এলাকায় গিয়ে শেষ হয়। কর্মসূচিতে অংশ নেয় বিভিন্ন বয়সী শিক্ষার্থী, যাদের মধ্যে বেশিরভাগই ছিল ৮ থেকে ১০ বছরের শিশু।
মিছিলে অংশ নেওয়া শিক্ষার্থীরা ‘উই ওয়ান্ট জাস্টিস’ ও ‘জাস্টিস ফর রামিসা’ স্লোগান দেয়। তাদের হাতে বিচার দাবি সংবলিত প্ল্যাকার্ডও দেখা যায়।
অংশগ্রহণকারী শিক্ষক ও অভিভাবকরা দাবি করেন, রামিসাকে ধর্ষণের পর হত্যা করা হয়েছে। তারা জানান, ঘটনায় জড়িত সন্দেহে একজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে এবং তিনি ঘটনার দায় স্বীকার করেছেন বলেও তারা শুনেছেন। এরপরও তারা দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালের মাধ্যমে মামলার নিষ্পত্তি ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানান।
একজন শিক্ষক বলেন, এ ধরনের নৃশংস ঘটনার পুনরাবৃত্তি ঠেকাতে কঠোর বিচার নিশ্চিত করা জরুরি। বিচার প্রক্রিয়া দীর্ঘ হলে অভিভাবকদের মধ্যে অনিশ্চয়তা বাড়ে, যা শিক্ষার্থীদের স্কুলমুখী হওয়াকেও প্রভাবিত করে।
অভিভাবকরাও শিশুদের নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেন। তারা বলেন, এলাকায় আগেও শিশু নিখোঁজের ঘটনা ঘটেছে, কিন্তু কার্যকর নিরাপত্তা ব্যবস্থা এখনও দৃশ্যমান নয়। সিসি ক্যামেরা থাকলেও সেগুলোর যথাযথ ব্যবহার নিয়ে প্রশ্ন রয়েছে।
শেষে তারা দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালের মাধ্যমে আসামির সর্বোচ্চ শাস্তি নিশ্চিত করার আহ্বান জানান।
এস.আর

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২১ মে ২০২৬
রাজধানীর মিরপুরে পপুলার মডেল হাই স্কুলের শিক্ষার্থী রামিসা আক্তার হত্যার ঘটনায় দ্রুত বিচার ও সর্বোচ্চ শাস্তির দাবিতে বিক্ষোভ ও মানববন্ধন করেছেন বিভিন্ন স্কুলের শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও অভিভাবকরা।
বৃহস্পতিবার সকালে মিরপুরের একটি স্কুল প্রাঙ্গণ থেকে মিছিলটি শুরু হয়। পরে তা মিরপুর-১১ এলাকার বিভিন্ন সড়ক ঘুরে আবারও একই এলাকায় গিয়ে শেষ হয়। কর্মসূচিতে অংশ নেয় বিভিন্ন বয়সী শিক্ষার্থী, যাদের মধ্যে বেশিরভাগই ছিল ৮ থেকে ১০ বছরের শিশু।
মিছিলে অংশ নেওয়া শিক্ষার্থীরা ‘উই ওয়ান্ট জাস্টিস’ ও ‘জাস্টিস ফর রামিসা’ স্লোগান দেয়। তাদের হাতে বিচার দাবি সংবলিত প্ল্যাকার্ডও দেখা যায়।
অংশগ্রহণকারী শিক্ষক ও অভিভাবকরা দাবি করেন, রামিসাকে ধর্ষণের পর হত্যা করা হয়েছে। তারা জানান, ঘটনায় জড়িত সন্দেহে একজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে এবং তিনি ঘটনার দায় স্বীকার করেছেন বলেও তারা শুনেছেন। এরপরও তারা দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালের মাধ্যমে মামলার নিষ্পত্তি ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানান।
একজন শিক্ষক বলেন, এ ধরনের নৃশংস ঘটনার পুনরাবৃত্তি ঠেকাতে কঠোর বিচার নিশ্চিত করা জরুরি। বিচার প্রক্রিয়া দীর্ঘ হলে অভিভাবকদের মধ্যে অনিশ্চয়তা বাড়ে, যা শিক্ষার্থীদের স্কুলমুখী হওয়াকেও প্রভাবিত করে।
অভিভাবকরাও শিশুদের নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেন। তারা বলেন, এলাকায় আগেও শিশু নিখোঁজের ঘটনা ঘটেছে, কিন্তু কার্যকর নিরাপত্তা ব্যবস্থা এখনও দৃশ্যমান নয়। সিসি ক্যামেরা থাকলেও সেগুলোর যথাযথ ব্যবহার নিয়ে প্রশ্ন রয়েছে।
শেষে তারা দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালের মাধ্যমে আসামির সর্বোচ্চ শাস্তি নিশ্চিত করার আহ্বান জানান।
এস.আর

আপনার মতামত লিখুন