দেশের প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের পুষ্টি নিশ্চিত করতে চালু হওয়া স্কুল ফিডিং প্রকল্প এখন দুর্নীতির ভয়াবহ চিত্রে পরিণত হয়েছে। শিক্ষার্থীদের জন্য বরাদ্দ করা কলা ও ডিম সরবরাহের নামেই প্রতি সপ্তাহে প্রায় ১৭ কোটি টাকা লোপাটের অভিযোগ উঠেছে। তদন্ত সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে শিক্ষার্থীদের প্রকৃত উপস্থিতির তুলনায় অতিরিক্ত বিল দেখিয়ে কোটি কোটি টাকা আত্মসাৎ করা হচ্ছে। কোথাও নিম্নমানের খাবার দেওয়া হচ্ছে, আবার কোথাও শিক্ষার্থীরা খাবারই পাচ্ছে না—তবুও কাগজে-কলমে দেখানো হচ্ছে শতভাগ বিতরণ। অভিভাবক ও স্থানীয়দের অভিযোগ, বাজারে একটি ডিম ও একটি কলার প্রকৃত দামের চেয়ে কয়েকগুণ বেশি দেখিয়ে বিল তোলা হচ্ছে। কিছু ক্ষেত্রে শিক্ষার্থীর সংখ্যা বাড়িয়ে দেখিয়ে অতিরিক্ত অর্থ উত্তোলনেরও প্রমাণ মিলেছে।তদন্তে উঠে এসেছে যেসব অনিয়ম:
বাজারমূল্যের চেয়ে অতিরিক্ত দামে খাদ্য ক্রয়, ভুয়া শিক্ষার্থী সংখ্যা দেখিয়ে বিল উত্তোলন, নিম্নমানের ও পচা খাবার সরবরাহ, পর্যাপ্ত মনিটরিং না থাকায় ব্যাপক দুর্নীতি, ঠিকাদার ও সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের যোগসাজশের অভিযোগ
শিক্ষা বিশ্লেষকরা বলছেন, যে প্রকল্পের উদ্দেশ্য ছিল দরিদ্র শিক্ষার্থীদের পুষ্টি নিশ্চিত করা এবং স্কুলে উপস্থিতি বাড়ানো, সেটিই এখন দুর্নীতিবাজদের আয়ের বড় উৎসে পরিণত হয়েছে।
এদিকে বিষয়টি নিয়ে শিক্ষা মন্ত্রণালয় ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ তদন্তের আশ্বাস দিয়েছে। অনিয়মে জড়িতদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও জানানো হয়েছে।
বিশেষজ্ঞদের মতে, দ্রুত স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করা না গেলে সরকারের কোটি কোটি টাকা অপচয়ের পাশাপাশি ক্ষতিগ্রস্ত হবে দেশের ভবিষ্যৎ প্রজন্ম।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৯ মে ২০২৬
দেশের প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের পুষ্টি নিশ্চিত করতে চালু হওয়া স্কুল ফিডিং প্রকল্প এখন দুর্নীতির ভয়াবহ চিত্রে পরিণত হয়েছে। শিক্ষার্থীদের জন্য বরাদ্দ করা কলা ও ডিম সরবরাহের নামেই প্রতি সপ্তাহে প্রায় ১৭ কোটি টাকা লোপাটের অভিযোগ উঠেছে।
তদন্ত সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে শিক্ষার্থীদের প্রকৃত উপস্থিতির তুলনায় অতিরিক্ত বিল দেখিয়ে কোটি কোটি টাকা আত্মসাৎ করা হচ্ছে। কোথাও নিম্নমানের খাবার দেওয়া হচ্ছে, আবার কোথাও শিক্ষার্থীরা খাবারই পাচ্ছে না—তবুও কাগজে-কলমে দেখানো হচ্ছে শতভাগ বিতরণ।
অভিভাবক ও স্থানীয়দের অভিযোগ, বাজারে একটি ডিম ও একটি কলার প্রকৃত দামের চেয়ে কয়েকগুণ বেশি দেখিয়ে বিল তোলা হচ্ছে। কিছু ক্ষেত্রে শিক্ষার্থীর সংখ্যা বাড়িয়ে দেখিয়ে অতিরিক্ত অর্থ উত্তোলনেরও প্রমাণ মিলেছে।
শিক্ষা বিশ্লেষকরা বলছেন, যে প্রকল্পের উদ্দেশ্য ছিল দরিদ্র শিক্ষার্থীদের পুষ্টি নিশ্চিত করা এবং স্কুলে উপস্থিতি বাড়ানো, সেটিই এখন দুর্নীতিবাজদের আয়ের বড় উৎসে পরিণত হয়েছে।
এদিকে বিষয়টি নিয়ে শিক্ষা মন্ত্রণালয় ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ তদন্তের আশ্বাস দিয়েছে। অনিয়মে জড়িতদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও জানানো হয়েছে।
বিশেষজ্ঞদের মতে, দ্রুত স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করা না গেলে সরকারের কোটি কোটি টাকা অপচয়ের পাশাপাশি ক্ষতিগ্রস্ত হবে দেশের ভবিষ্যৎ প্রজন্ম।

আপনার মতামত লিখুন