সমুদ্রপথে অবৈধভাবে কুয়েতে প্রবেশের চেষ্টার সময় চারজনকে গ্রেপ্তার করেছে দেশটির কর্তৃপক্ষ। কুয়েতের দাবি, আটক ব্যক্তিরা ইরানের ইসলামি বিপ্লবী গার্ড বাহিনীর (আইআরজিসি) সদস্য এবং তারা ‘বিশেষ অভিযান’ পরিচালনার উদ্দেশ্যে দেশটিতে প্রবেশ করেছিল। মঙ্গলবার রাষ্ট্রীয় সংবাদ সংস্থা কুনা এ তথ্য জানায়।
কুয়েতের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, আটক ব্যক্তিরা জিজ্ঞাসাবাদে স্বীকার করেছে যে তারা আইআরজিসির সদস্য এবং কুয়েতের ভেতরে বিশেষ অভিযান পরিচালনার দায়িত্বে ছিল। তারা গত ১ মে একটি মাছ ধরার নৌকায় করে বুবিয়ান দ্বীপে অনুপ্রবেশ করে। অভিযানের জন্য নৌকাটি বিশেষভাবে ভাড়া করা হয়েছিল বলেও জানানো হয়।
কর্তৃপক্ষ আরও জানায়, অনুপ্রবেশকারীদের সঙ্গে দ্বীপে অবস্থানরত কুয়েতি সশস্ত্র বাহিনীর সদস্যদের গোলাগুলির ঘটনা ঘটে। এতে দায়িত্ব পালনরত এক কুয়েতি সেনা আহত হন।
গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের পরিচয়ও প্রকাশ করেছে কুয়েত। তারা হলেন নৌবাহিনীর কর্নেল আমির হোসেন আব্দুলমোহাম্মদ যারাই, কর্নেল আব্দুসসামাদ ইয়েদালেহ ঘানাভাতি, ক্যাপ্টেন আহমদ জামশিদ গোলামরেজা যুলফাগারি এবং ফার্স্ট লেফটেন্যান্ট মোহাম্মদ হোসেন সোহরাব ফরৌঘি রাদ। এছাড়া সংঘর্ষের সময় আরও দুইজন পালিয়ে যায় বলে জানানো হয়েছে—ক্যাপ্টেন মনসুর কাম্বারি ও জাহাজ কমান্ডার আব্দুলআলি কাজেম সিয়ামরি।
স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, আটক ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। পাশাপাশি কুয়েতের নিরাপত্তা ও স্থিতিশীলতার বিরুদ্ধে যেকোনো হুমকি মোকাবিলায় দেশটির নিরাপত্তা বাহিনী সতর্ক অবস্থানে রয়েছে।
এর আগে ৩ মে কুয়েতের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় জানায়, সমুদ্রপথে অনুপ্রবেশের আরেকটি চেষ্টা ব্যর্থ করে চারজনকে আটক করা হয়েছিল।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৩ মে ২০২৬
সমুদ্রপথে অবৈধভাবে কুয়েতে প্রবেশের চেষ্টার সময় চারজনকে গ্রেপ্তার করেছে দেশটির কর্তৃপক্ষ। কুয়েতের দাবি, আটক ব্যক্তিরা ইরানের ইসলামি বিপ্লবী গার্ড বাহিনীর (আইআরজিসি) সদস্য এবং তারা ‘বিশেষ অভিযান’ পরিচালনার উদ্দেশ্যে দেশটিতে প্রবেশ করেছিল। মঙ্গলবার রাষ্ট্রীয় সংবাদ সংস্থা কুনা এ তথ্য জানায়।
কুয়েতের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, আটক ব্যক্তিরা জিজ্ঞাসাবাদে স্বীকার করেছে যে তারা আইআরজিসির সদস্য এবং কুয়েতের ভেতরে বিশেষ অভিযান পরিচালনার দায়িত্বে ছিল। তারা গত ১ মে একটি মাছ ধরার নৌকায় করে বুবিয়ান দ্বীপে অনুপ্রবেশ করে। অভিযানের জন্য নৌকাটি বিশেষভাবে ভাড়া করা হয়েছিল বলেও জানানো হয়।
কর্তৃপক্ষ আরও জানায়, অনুপ্রবেশকারীদের সঙ্গে দ্বীপে অবস্থানরত কুয়েতি সশস্ত্র বাহিনীর সদস্যদের গোলাগুলির ঘটনা ঘটে। এতে দায়িত্ব পালনরত এক কুয়েতি সেনা আহত হন।
গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের পরিচয়ও প্রকাশ করেছে কুয়েত। তারা হলেন নৌবাহিনীর কর্নেল আমির হোসেন আব্দুলমোহাম্মদ যারাই, কর্নেল আব্দুসসামাদ ইয়েদালেহ ঘানাভাতি, ক্যাপ্টেন আহমদ জামশিদ গোলামরেজা যুলফাগারি এবং ফার্স্ট লেফটেন্যান্ট মোহাম্মদ হোসেন সোহরাব ফরৌঘি রাদ। এছাড়া সংঘর্ষের সময় আরও দুইজন পালিয়ে যায় বলে জানানো হয়েছে—ক্যাপ্টেন মনসুর কাম্বারি ও জাহাজ কমান্ডার আব্দুলআলি কাজেম সিয়ামরি।
স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, আটক ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। পাশাপাশি কুয়েতের নিরাপত্তা ও স্থিতিশীলতার বিরুদ্ধে যেকোনো হুমকি মোকাবিলায় দেশটির নিরাপত্তা বাহিনী সতর্ক অবস্থানে রয়েছে।
এর আগে ৩ মে কুয়েতের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় জানায়, সমুদ্রপথে অনুপ্রবেশের আরেকটি চেষ্টা ব্যর্থ করে চারজনকে আটক করা হয়েছিল।

আপনার মতামত লিখুন