ঢাকা    শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
দৈনিক উন্নয়নে বাংলাদেশ

রূপপুরের প্রথম ইউনিটে জ্বালানি লোডিং শেষ


নিজস্ব প্রতিবেদন
নিজস্ব প্রতিবেদন
প্রকাশ : ১৩ মে ২০২৬

রূপপুরের প্রথম ইউনিটে জ্বালানি লোডিং শেষ

রূপপুরের পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র -এর প্রথম ইউনিটের রিঅ্যাক্টর কোরে সফলভাবে নতুন পারমাণবিক জ্বালানি লোডিং সম্পন্ন হয়েছে। সংশ্লিষ্টরা বলছেন, এটি ইউনিটটির কমিশনিং এবং বাণিজ্যিক বিদ্যুৎ উৎপাদন শুরুর ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক।

চলতি বছরের ২৮ এপ্রিল জ্বালানি লোডিং কার্যক্রম শুরু হয়। ধাপে ধাপে রিঅ্যাক্টর কোরে মোট ১৬৩টি জ্বালানি অ্যাসেম্বলি স্থাপন করা হয়েছে, যা বিদ্যুৎ উৎপাদনের আগে অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ ধাপ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।

মঙ্গলবার (১২ মে) এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানায় রাশিয়ার রাষ্ট্রীয় পরমাণু সংস্থা রসাটম

বিজ্ঞপ্তিতে প্রকল্প পরিচালক এবং অ্যাটমস্ট্রয় এক্সপোর্ট-এর ভাইস প্রেসিডেন্ট আলেক্সি ডেইরি বলেন, আন্তর্জাতিক পারমাণবিক নিরাপত্তা মানদণ্ড এবং পরিচালনাগত বিধিমালা অনুসরণ করেই প্রাথমিক কোর লোডিং সম্পন্ন করা হয়েছে।

পরবর্তী ধাপে রিঅ্যাক্টরের উপরের অংশ স্থাপন, ইন-কোর ইনস্ট্রুমেন্টেশন সিস্টেম সংযুক্তকরণ এবং বিভিন্ন প্রযুক্তিগত পরীক্ষা চালানো হবে। এরপর রিঅ্যাক্টরকে ন্যূনতম নিয়ন্ত্রণযোগ্য বিদ্যুৎ উৎপাদন স্তরে নেওয়া হবে এবং ধাপে ধাপে উৎপাদন বাড়ানো হবে।

প্রকল্প কর্মকর্তাদের তথ্য অনুযায়ী, প্রতি মাসে ১০ থেকে ১৫ শতাংশ হারে উৎপাদন সক্ষমতা বাড়ানো হবে। ফিজিক্যাল স্টার্টআপের পর পূর্ণ ১২০০ মেগাওয়াট উৎপাদনে যেতে প্রায় ৮ থেকে ১০ মাস সময় লাগতে পারে।

এ বছরের শেষ দিকে দ্বিতীয় ইউনিটেও জ্বালানি লোডিং শুরু করার পরিকল্পনা রয়েছে।

ঈশ্বরদীর পদ্মা নদীর তীরে প্রায় ১২ দশমিক ৬৫ বিলিয়ন ডলার ব্যয়ে নির্মিত এই প্রকল্পে দুটি ভিভিইআর-১২০০ রিঅ্যাক্টর ব্যবহার করা হয়েছে। দুই ইউনিট পূর্ণ সক্ষমতায় চালু হলে মোট ২ হাজার ৪০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন হবে, যা দেশের মোট বিদ্যুৎ চাহিদার ১০ শতাংশের বেশি পূরণ করতে সক্ষম হবে।

আপনার মতামত লিখুন

দৈনিক উন্নয়নে বাংলাদেশ

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬


রূপপুরের প্রথম ইউনিটে জ্বালানি লোডিং শেষ

প্রকাশের তারিখ : ১৩ মে ২০২৬

featured Image

রূপপুরের পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র -এর প্রথম ইউনিটের রিঅ্যাক্টর কোরে সফলভাবে নতুন পারমাণবিক জ্বালানি লোডিং সম্পন্ন হয়েছে। সংশ্লিষ্টরা বলছেন, এটি ইউনিটটির কমিশনিং এবং বাণিজ্যিক বিদ্যুৎ উৎপাদন শুরুর ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক।

চলতি বছরের ২৮ এপ্রিল জ্বালানি লোডিং কার্যক্রম শুরু হয়। ধাপে ধাপে রিঅ্যাক্টর কোরে মোট ১৬৩টি জ্বালানি অ্যাসেম্বলি স্থাপন করা হয়েছে, যা বিদ্যুৎ উৎপাদনের আগে অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ ধাপ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।

মঙ্গলবার (১২ মে) এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানায় রাশিয়ার রাষ্ট্রীয় পরমাণু সংস্থা রসাটম

বিজ্ঞপ্তিতে প্রকল্প পরিচালক এবং অ্যাটমস্ট্রয় এক্সপোর্ট-এর ভাইস প্রেসিডেন্ট আলেক্সি ডেইরি বলেন, আন্তর্জাতিক পারমাণবিক নিরাপত্তা মানদণ্ড এবং পরিচালনাগত বিধিমালা অনুসরণ করেই প্রাথমিক কোর লোডিং সম্পন্ন করা হয়েছে।

পরবর্তী ধাপে রিঅ্যাক্টরের উপরের অংশ স্থাপন, ইন-কোর ইনস্ট্রুমেন্টেশন সিস্টেম সংযুক্তকরণ এবং বিভিন্ন প্রযুক্তিগত পরীক্ষা চালানো হবে। এরপর রিঅ্যাক্টরকে ন্যূনতম নিয়ন্ত্রণযোগ্য বিদ্যুৎ উৎপাদন স্তরে নেওয়া হবে এবং ধাপে ধাপে উৎপাদন বাড়ানো হবে।

প্রকল্প কর্মকর্তাদের তথ্য অনুযায়ী, প্রতি মাসে ১০ থেকে ১৫ শতাংশ হারে উৎপাদন সক্ষমতা বাড়ানো হবে। ফিজিক্যাল স্টার্টআপের পর পূর্ণ ১২০০ মেগাওয়াট উৎপাদনে যেতে প্রায় ৮ থেকে ১০ মাস সময় লাগতে পারে।

এ বছরের শেষ দিকে দ্বিতীয় ইউনিটেও জ্বালানি লোডিং শুরু করার পরিকল্পনা রয়েছে।

ঈশ্বরদীর পদ্মা নদীর তীরে প্রায় ১২ দশমিক ৬৫ বিলিয়ন ডলার ব্যয়ে নির্মিত এই প্রকল্পে দুটি ভিভিইআর-১২০০ রিঅ্যাক্টর ব্যবহার করা হয়েছে। দুই ইউনিট পূর্ণ সক্ষমতায় চালু হলে মোট ২ হাজার ৪০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন হবে, যা দেশের মোট বিদ্যুৎ চাহিদার ১০ শতাংশের বেশি পূরণ করতে সক্ষম হবে।


দৈনিক উন্নয়নে বাংলাদেশ

সম্পাদক ও প্রকাশক: মোঃ ফয়সাল আলম , মোবাইল- ০১৯১৬৫৫৭০১৭
  প্রধান সম্পাদক: মো: আতাউর রহমান, মোবাইল: ০২৪১০৯১৭৩০

কপিরাইট © ২০২৫ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত দৈনিক উন্নয়নে বাংলাদেশ