ঠাকুরগাঁও সদর উপজেলার বড়গাঁও ইউনিয়নের কেশুর বাড়ী এলাকায় ঐতিহ্যবাহী তাঁতশিল্প পুনরুজ্জীবনের আশার বার্তা দিয়েছেন ড. শামারুহ মির্জা। মঙ্গলবার (১২ মে) দুপুরে তিনি এলাকাটি পরিদর্শন করে স্থানীয় তাঁতশিল্পীদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন এবং তাদের সমস্যা ও সম্ভাবনার কথা শোনেন।
ড. শামারুহ মির্জা বিএনপির মহাসচিব ও স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের সাবেক মন্ত্রীর বড় কন্যা। সফরকালে তিনি স্থানীয় তাঁতশিল্প ঘুরে দেখেন এবং তাঁতিদের সঙ্গে সরাসরি কথা বলেন।
তাঁতশিল্পীদের উদ্দেশে তিনি বলেন, “ব্র্যাক থেকে প্রতিনিধিরা এসে আপনাদের সঙ্গে তাঁতশিল্প নিয়ে আলোচনা করেছেন। আড়ংয়ের মাধ্যমে তাঁতজাত পণ্য বাজারজাত করার পরিকল্পনা রয়েছে। প্রশিক্ষণের মাধ্যমে আধুনিক ও মানসম্মত পণ্য উৎপাদনে সহযোগিতা করা হবে। এ বিষয়ে ব্র্যাক ও সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে আমার আলোচনা হয়েছে।”
তিনি আরও বলেন, “আপনারা আমার আব্বাকে নির্বাচিত করেছেন। আপনাদের যেকোনো সমস্যা ইউনিয়নের নেতাদের মাধ্যমে জানাবেন। সব কথা আমাদের কাছে পৌঁছে যাবে। তাঁতশিল্প যেন আবার ঘুরে দাঁড়াতে পারে, সে বিষয়ে আমরা আন্তরিকভাবে কাজ করতে চাই।”
পরিদর্শন শেষে ড. শামারুহ মির্জা স্থানীয় তাঁতিদের তৈরি কম্বল ক্রয় করেন। তার এই উদ্যোগ ও আশ্বাসে স্থানীয় তাঁতশিল্পীদের মাঝে নতুন আশার সঞ্চার হয়েছে।
স্থানীয় তাঁতশিল্পী শ্যামলি রানী বলেন, “একসময় এই এলাকায় শতাধিক পরিবার তাঁতশিল্পের সঙ্গে জড়িত ছিল। কিন্তু কাঁচামালের সংকট, সুতার উচ্চমূল্য এবং বাজার ব্যবস্থার দুর্বলতার কারণে এখন অনেক তাঁত বন্ধ হয়ে গেছে। সরকারি ও বেসরকারি সহযোগিতা পেলে এই শিল্প আবার আগের অবস্থায় ফিরতে পারবে।”
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বর্তমানে কেশুর বাড়ী এলাকার অধিকাংশ তাঁত অচল অবস্থায় পড়ে আছে। কাজের সংকটে অনেক তাঁতশিল্পী জীবিকার তাগিদে দিনমজুরের কাজ করতে বাধ্য হচ্ছেন। এমন বাস্তবতায় ড. শামারুহ মির্জার সফর ও সহায়তার আশ্বাস এলাকাবাসীর মধ্যে নতুন সম্ভাবনার আলো দেখাচ্ছে।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন ঠাকুরগাঁও উপজেলা বিএনপির সহ-দপ্তর সম্পাদক মো. আশরাফুল হক, ৪ নম্বর বড়গাঁও ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আলহাজ্ব মাহফুজুর রহমান, সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক মো. শাহিন আলম, যুবদলের সাধারণ সম্পাদক মো. রমজান আলীসহ স্থানীয় নেতৃবৃন্দ।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১২ মে ২০২৬
ঠাকুরগাঁও সদর উপজেলার বড়গাঁও ইউনিয়নের কেশুর বাড়ী এলাকায় ঐতিহ্যবাহী তাঁতশিল্প পুনরুজ্জীবনের আশার বার্তা দিয়েছেন ড. শামারুহ মির্জা। মঙ্গলবার (১২ মে) দুপুরে তিনি এলাকাটি পরিদর্শন করে স্থানীয় তাঁতশিল্পীদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন এবং তাদের সমস্যা ও সম্ভাবনার কথা শোনেন।
ড. শামারুহ মির্জা বিএনপির মহাসচিব ও স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের সাবেক মন্ত্রীর বড় কন্যা। সফরকালে তিনি স্থানীয় তাঁতশিল্প ঘুরে দেখেন এবং তাঁতিদের সঙ্গে সরাসরি কথা বলেন।
তাঁতশিল্পীদের উদ্দেশে তিনি বলেন, “ব্র্যাক থেকে প্রতিনিধিরা এসে আপনাদের সঙ্গে তাঁতশিল্প নিয়ে আলোচনা করেছেন। আড়ংয়ের মাধ্যমে তাঁতজাত পণ্য বাজারজাত করার পরিকল্পনা রয়েছে। প্রশিক্ষণের মাধ্যমে আধুনিক ও মানসম্মত পণ্য উৎপাদনে সহযোগিতা করা হবে। এ বিষয়ে ব্র্যাক ও সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে আমার আলোচনা হয়েছে।”
তিনি আরও বলেন, “আপনারা আমার আব্বাকে নির্বাচিত করেছেন। আপনাদের যেকোনো সমস্যা ইউনিয়নের নেতাদের মাধ্যমে জানাবেন। সব কথা আমাদের কাছে পৌঁছে যাবে। তাঁতশিল্প যেন আবার ঘুরে দাঁড়াতে পারে, সে বিষয়ে আমরা আন্তরিকভাবে কাজ করতে চাই।”
পরিদর্শন শেষে ড. শামারুহ মির্জা স্থানীয় তাঁতিদের তৈরি কম্বল ক্রয় করেন। তার এই উদ্যোগ ও আশ্বাসে স্থানীয় তাঁতশিল্পীদের মাঝে নতুন আশার সঞ্চার হয়েছে।
স্থানীয় তাঁতশিল্পী শ্যামলি রানী বলেন, “একসময় এই এলাকায় শতাধিক পরিবার তাঁতশিল্পের সঙ্গে জড়িত ছিল। কিন্তু কাঁচামালের সংকট, সুতার উচ্চমূল্য এবং বাজার ব্যবস্থার দুর্বলতার কারণে এখন অনেক তাঁত বন্ধ হয়ে গেছে। সরকারি ও বেসরকারি সহযোগিতা পেলে এই শিল্প আবার আগের অবস্থায় ফিরতে পারবে।”
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বর্তমানে কেশুর বাড়ী এলাকার অধিকাংশ তাঁত অচল অবস্থায় পড়ে আছে। কাজের সংকটে অনেক তাঁতশিল্পী জীবিকার তাগিদে দিনমজুরের কাজ করতে বাধ্য হচ্ছেন। এমন বাস্তবতায় ড. শামারুহ মির্জার সফর ও সহায়তার আশ্বাস এলাকাবাসীর মধ্যে নতুন সম্ভাবনার আলো দেখাচ্ছে।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন ঠাকুরগাঁও উপজেলা বিএনপির সহ-দপ্তর সম্পাদক মো. আশরাফুল হক, ৪ নম্বর বড়গাঁও ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আলহাজ্ব মাহফুজুর রহমান, সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক মো. শাহিন আলম, যুবদলের সাধারণ সম্পাদক মো. রমজান আলীসহ স্থানীয় নেতৃবৃন্দ।

আপনার মতামত লিখুন