শরীয়তপুর সদর উপজেলায় নিরাপদ খাদ্য আইন, ২০১৩ অনুযায়ী পরিচালিত মোবাইল কোর্টে দুইটি মিষ্টির দোকানকে মোট ২ লাখ টাকা জরিমানা করা হয়েছে। মঙ্গলবার (১২ মে) শরীয়তপুর সদর উপজেলা প্রশাসন ও বাংলাদেশ নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষের যৌথ উদ্যোগে পালং উত্তর বাজার এলাকায় এ অভিযান পরিচালনা করা হয়।
অভিযানে নেতৃত্ব দেন শরীয়তপুর সদর উপজেলার সহকারী কমিশনার (ভূমি) নাফিস এলাহী। সার্বিক সমন্বয়ে ছিলেন বাংলাদেশ নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষের নিরাপদ খাদ্য অফিসার সুব্রত ভট্টাচার্য্য। এ সময় জেলা নিরাপদ খাদ্য পরিদর্শক এবং শরীয়তপুর জেলা পুলিশের একটি চৌকস দল উপস্থিত ছিলেন।
ভ্রাম্যমাণ আদালত সূত্রে জানা যায়, অভিযানের সময় বিভিন্ন খাদ্য প্রতিষ্ঠানে একাধিক অনিয়ম ধরা পড়ে। এর মধ্যে ছিল অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে খাদ্য প্রস্তুত ও সংরক্ষণ, দই ও ঘিতে বিএসটিআইয়ের বাধ্যতামূলক নিবন্ধন না থাকা, খাদ্যপণ্যে সঠিক লেবেলিং না করা, খাদ্য খোলা অবস্থায় রাখা, স্বাস্থ্যবিধি না মেনে খাদ্য পরিবেশন এবং প্রয়োজনীয় চালান সংরক্ষণ না করা।
প্রশাসনের মতে, এসব অনিয়ম জনস্বাস্থ্যের জন্য মারাত্মক ঝুঁকিপূর্ণ এবং নিরাপদ খাদ্য আইন, ২০১৩-এর সুস্পষ্ট লঙ্ঘন।
অভিযানে “গোপাল ঘোষ মিষ্টান্ন ভান্ডার”-কে নিরাপদ খাদ্য আইন, ২০১৩-এর ধারা ৩৯ অনুযায়ী ১ লাখ টাকা এবং “হারু ঘোষ মিষ্টান্ন ভান্ডার”-কে ধারা ৩৮ অনুযায়ী আরও ১ লাখ টাকা জরিমানা করা হয়। তাৎক্ষণিকভাবে এসব অর্থদণ্ড আদায়ও করা হয়েছে।
এ সময় সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলোকে ভবিষ্যতে এ ধরনের অনিয়ম থেকে বিরত থাকার জন্য কঠোরভাবে সতর্ক করা হয়। অন্যথায় পরবর্তীতে আরও কঠোর আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে বলে জানিয়েছে ভ্রাম্যমাণ আদালত।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১২ মে ২০২৬
শরীয়তপুর সদর উপজেলায় নিরাপদ খাদ্য আইন, ২০১৩ অনুযায়ী পরিচালিত মোবাইল কোর্টে দুইটি মিষ্টির দোকানকে মোট ২ লাখ টাকা জরিমানা করা হয়েছে। মঙ্গলবার (১২ মে) শরীয়তপুর সদর উপজেলা প্রশাসন ও বাংলাদেশ নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষের যৌথ উদ্যোগে পালং উত্তর বাজার এলাকায় এ অভিযান পরিচালনা করা হয়।
অভিযানে নেতৃত্ব দেন শরীয়তপুর সদর উপজেলার সহকারী কমিশনার (ভূমি) নাফিস এলাহী। সার্বিক সমন্বয়ে ছিলেন বাংলাদেশ নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষের নিরাপদ খাদ্য অফিসার সুব্রত ভট্টাচার্য্য। এ সময় জেলা নিরাপদ খাদ্য পরিদর্শক এবং শরীয়তপুর জেলা পুলিশের একটি চৌকস দল উপস্থিত ছিলেন।
ভ্রাম্যমাণ আদালত সূত্রে জানা যায়, অভিযানের সময় বিভিন্ন খাদ্য প্রতিষ্ঠানে একাধিক অনিয়ম ধরা পড়ে। এর মধ্যে ছিল অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে খাদ্য প্রস্তুত ও সংরক্ষণ, দই ও ঘিতে বিএসটিআইয়ের বাধ্যতামূলক নিবন্ধন না থাকা, খাদ্যপণ্যে সঠিক লেবেলিং না করা, খাদ্য খোলা অবস্থায় রাখা, স্বাস্থ্যবিধি না মেনে খাদ্য পরিবেশন এবং প্রয়োজনীয় চালান সংরক্ষণ না করা।
প্রশাসনের মতে, এসব অনিয়ম জনস্বাস্থ্যের জন্য মারাত্মক ঝুঁকিপূর্ণ এবং নিরাপদ খাদ্য আইন, ২০১৩-এর সুস্পষ্ট লঙ্ঘন।
অভিযানে “গোপাল ঘোষ মিষ্টান্ন ভান্ডার”-কে নিরাপদ খাদ্য আইন, ২০১৩-এর ধারা ৩৯ অনুযায়ী ১ লাখ টাকা এবং “হারু ঘোষ মিষ্টান্ন ভান্ডার”-কে ধারা ৩৮ অনুযায়ী আরও ১ লাখ টাকা জরিমানা করা হয়। তাৎক্ষণিকভাবে এসব অর্থদণ্ড আদায়ও করা হয়েছে।
এ সময় সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলোকে ভবিষ্যতে এ ধরনের অনিয়ম থেকে বিরত থাকার জন্য কঠোরভাবে সতর্ক করা হয়। অন্যথায় পরবর্তীতে আরও কঠোর আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে বলে জানিয়েছে ভ্রাম্যমাণ আদালত।

আপনার মতামত লিখুন