জাতীয় সংসদের স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ দেশের রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন বিতর্কের জন্ম দিয়েছেন। মঙ্গলবার জুলাই গণঅভ্যুত্থান স্মৃতি জাদুঘর পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলতে গিয়ে তিনি দাবি করেন, ভবিষ্যতে মানুষ জাদুঘর পরিদর্শনের সময় সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও তার দলকে “থুতু দেবে”।
স্পিকার জানান, ২০২৪ সালের জুলাই গণঅভ্যুত্থানের সময়কার বিভিন্ন নথি, ভিডিও ও কলরেকর্ড স্মৃতি জাদুঘরে সংরক্ষণ করা হচ্ছে। তার দাবি— এসব প্রমাণ দেখলেই জনগণ বুঝতে পারবে, সেসময় সরকার জনগণের বিরুদ্ধে অবস্থান নিয়েছিল। তার ভাষায়, “এই জাদুঘর যতদিন থাকবে, শেখ হাসিনা ও তার দলকে জনগণ ততদিন ঘৃণা করবে।”
জাদুঘর পরিদর্শনকালে উপস্থিত ছিলেন ডেপুটি স্পিকার কায়সার কামাল। তিনি বলেন, স্মৃতি জাদুঘর দেশের গণতান্ত্রিক আন্দোলন ও ফ্যাসিবাদবিরোধী সংগ্রামের প্রতীক হিসেবে কাজ করবে। তিনি আরও জানান, এখানে শহীদ ও নিখোঁজ ব্যক্তিদের স্মৃতি সংরক্ষণ করা হবে, যাতে ভবিষ্যৎ প্রজন্ম সত্য ইতিহাস জানতে পারে।
সরকারের পক্ষ থেকে সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের প্রতিনিধি জানান, জাদুঘরের কাজ দ্রুত এগোচ্ছে এবং এটি আগামী আগস্টের প্রথম দিকে জনগণের জন্য খুলে দেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে। জাদুঘরটি অতীত রাজনৈতিক ঘটনার নথিপত্র, ছবি, অডিও-ভিডিও সংরক্ষণে দেশের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ প্রতিষ্ঠান হিসেবে গড়ে তোলা হচ্ছে।
এদিকে স্পিকারের মন্তব্য ঘিরে রাজনৈতিক মহলে তীব্র প্রতিক্রিয়া তৈরি হয়েছে। ক্ষমতাসীন পক্ষ স্পিকারের বক্তব্যকে “ঐতিহাসিক বাস্তবতার ভিত্তিতে দেওয়া মন্তব্য” বলে দাবি করলেও বিরোধী দল এটিকে “একপাক্ষিক, উসকানিমূলক এবং অশোভন” বলে অভিহিত করছে। রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, স্পিকারের এমন মন্তব্য দেশে বিদ্যমান রাজনৈতিক বিভাজনকে আরও উস্কে দিতে পারে।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও বক্তব্যটি দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে এবং নানা মতামতের জন্ম দেয়। কেউ এটিকে ইতিহাসের বাস্তব চিত্র তুলে ধরা হিসেবে দেখছেন, আবার কেউ এটিকে রাজনৈতিক প্রতিহিংসা ও ব্যক্তিগত আক্রমণ বলেও মন্তব্য করছেন।
ইতোমধ্যেই জুলাই গণঅভ্যুত্থান স্মৃতি জাদুঘর দেশের সমকালীন রাজনৈতিক আলোচনা ও গবেষণার নতুন কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হয়েছে। স্পিকারের সর্বশেষ মন্তব্য এই বিতর্ককে আরও তীব্র করেছে বলেই মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১২ মে ২০২৬
জাতীয় সংসদের স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ দেশের রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন বিতর্কের জন্ম দিয়েছেন। মঙ্গলবার জুলাই গণঅভ্যুত্থান স্মৃতি জাদুঘর পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলতে গিয়ে তিনি দাবি করেন, ভবিষ্যতে মানুষ জাদুঘর পরিদর্শনের সময় সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও তার দলকে “থুতু দেবে”।
স্পিকার জানান, ২০২৪ সালের জুলাই গণঅভ্যুত্থানের সময়কার বিভিন্ন নথি, ভিডিও ও কলরেকর্ড স্মৃতি জাদুঘরে সংরক্ষণ করা হচ্ছে। তার দাবি— এসব প্রমাণ দেখলেই জনগণ বুঝতে পারবে, সেসময় সরকার জনগণের বিরুদ্ধে অবস্থান নিয়েছিল। তার ভাষায়, “এই জাদুঘর যতদিন থাকবে, শেখ হাসিনা ও তার দলকে জনগণ ততদিন ঘৃণা করবে।”
জাদুঘর পরিদর্শনকালে উপস্থিত ছিলেন ডেপুটি স্পিকার কায়সার কামাল। তিনি বলেন, স্মৃতি জাদুঘর দেশের গণতান্ত্রিক আন্দোলন ও ফ্যাসিবাদবিরোধী সংগ্রামের প্রতীক হিসেবে কাজ করবে। তিনি আরও জানান, এখানে শহীদ ও নিখোঁজ ব্যক্তিদের স্মৃতি সংরক্ষণ করা হবে, যাতে ভবিষ্যৎ প্রজন্ম সত্য ইতিহাস জানতে পারে।
সরকারের পক্ষ থেকে সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের প্রতিনিধি জানান, জাদুঘরের কাজ দ্রুত এগোচ্ছে এবং এটি আগামী আগস্টের প্রথম দিকে জনগণের জন্য খুলে দেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে। জাদুঘরটি অতীত রাজনৈতিক ঘটনার নথিপত্র, ছবি, অডিও-ভিডিও সংরক্ষণে দেশের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ প্রতিষ্ঠান হিসেবে গড়ে তোলা হচ্ছে।
এদিকে স্পিকারের মন্তব্য ঘিরে রাজনৈতিক মহলে তীব্র প্রতিক্রিয়া তৈরি হয়েছে। ক্ষমতাসীন পক্ষ স্পিকারের বক্তব্যকে “ঐতিহাসিক বাস্তবতার ভিত্তিতে দেওয়া মন্তব্য” বলে দাবি করলেও বিরোধী দল এটিকে “একপাক্ষিক, উসকানিমূলক এবং অশোভন” বলে অভিহিত করছে। রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, স্পিকারের এমন মন্তব্য দেশে বিদ্যমান রাজনৈতিক বিভাজনকে আরও উস্কে দিতে পারে।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও বক্তব্যটি দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে এবং নানা মতামতের জন্ম দেয়। কেউ এটিকে ইতিহাসের বাস্তব চিত্র তুলে ধরা হিসেবে দেখছেন, আবার কেউ এটিকে রাজনৈতিক প্রতিহিংসা ও ব্যক্তিগত আক্রমণ বলেও মন্তব্য করছেন।
ইতোমধ্যেই জুলাই গণঅভ্যুত্থান স্মৃতি জাদুঘর দেশের সমকালীন রাজনৈতিক আলোচনা ও গবেষণার নতুন কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হয়েছে। স্পিকারের সর্বশেষ মন্তব্য এই বিতর্ককে আরও তীব্র করেছে বলেই মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

আপনার মতামত লিখুন