পারস্য উপসাগরীয় অঞ্চলে স্থায়ী শান্তি ও নিরাপত্তা প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং উত্থাপিত চার দফা প্রস্তাবকে সমর্থন জানিয়েছে ইরান।
চীনে নিযুক্ত ইরানের রাষ্ট্রদূত আবদোলরেজা রহমানি ফাজলি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে জানিয়েছেন, তেহরান চীনের এ উদ্যোগকে গুরুত্বসহকারে বিবেচনা করছে এবং আঞ্চলিক স্থিতিশীলতার স্বার্থে এতে সমর্থন দিতে প্রস্তুত।
তিনি বলেন, ইরান-চীন পররাষ্ট্রমন্ত্রী পর্যায়ের আলোচনায়ও এ প্রস্তাব গুরুত্ব পায়। দুই দেশই পারস্য উপসাগরীয় অঞ্চলে দীর্ঘমেয়াদি নিরাপত্তা ও উন্নয়ন নিশ্চিত করার বিষয়ে একমত।
চীনের প্রস্তাবে শান্তিপূর্ণ সহাবস্থান, রাষ্ট্রের সার্বভৌমত্বের প্রতি সম্মান, আন্তর্জাতিক আইন মেনে চলা এবং উন্নয়ন ও নিরাপত্তার মধ্যে ভারসাম্য বজায় রাখার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।
শি জিনপিং সম্প্রতি পশ্চিম এশিয়ার কয়েকটি দেশের নেতৃত্বের সঙ্গে বৈঠকে এ চার দফা পরিকল্পনা তুলে ধরেন। আঞ্চলিক সংঘাত ও উত্তেজনার প্রেক্ষাপটে এই উদ্যোগকে একটি কূটনৈতিক প্রচেষ্টা হিসেবে দেখা হচ্ছে।
ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচি বেইজিং সফরের পর জানান, চীনের প্রতি আস্থা রাখে তেহরান এবং তারা আশা করে, বেইজিং মধ্যপ্রাচ্যে শান্তি প্রতিষ্ঠায় সক্রিয় ভূমিকা অব্যাহত রাখবে।
বিশ্লেষকদের মতে, যুক্তরাষ্ট্র ও পশ্চিমা প্রভাবের বাইরে গিয়ে চীনকে আঞ্চলিক সমীকরণে আরও গুরুত্বপূর্ণ মধ্যস্থতাকারী শক্তি হিসেবে তুলে ধরতে এই উদ্যোগ ভূমিকা রাখতে পারে।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১২ মে ২০২৬
পারস্য উপসাগরীয় অঞ্চলে স্থায়ী শান্তি ও নিরাপত্তা প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং উত্থাপিত চার দফা প্রস্তাবকে সমর্থন জানিয়েছে ইরান।
চীনে নিযুক্ত ইরানের রাষ্ট্রদূত আবদোলরেজা রহমানি ফাজলি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে জানিয়েছেন, তেহরান চীনের এ উদ্যোগকে গুরুত্বসহকারে বিবেচনা করছে এবং আঞ্চলিক স্থিতিশীলতার স্বার্থে এতে সমর্থন দিতে প্রস্তুত।
তিনি বলেন, ইরান-চীন পররাষ্ট্রমন্ত্রী পর্যায়ের আলোচনায়ও এ প্রস্তাব গুরুত্ব পায়। দুই দেশই পারস্য উপসাগরীয় অঞ্চলে দীর্ঘমেয়াদি নিরাপত্তা ও উন্নয়ন নিশ্চিত করার বিষয়ে একমত।
চীনের প্রস্তাবে শান্তিপূর্ণ সহাবস্থান, রাষ্ট্রের সার্বভৌমত্বের প্রতি সম্মান, আন্তর্জাতিক আইন মেনে চলা এবং উন্নয়ন ও নিরাপত্তার মধ্যে ভারসাম্য বজায় রাখার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।
শি জিনপিং সম্প্রতি পশ্চিম এশিয়ার কয়েকটি দেশের নেতৃত্বের সঙ্গে বৈঠকে এ চার দফা পরিকল্পনা তুলে ধরেন। আঞ্চলিক সংঘাত ও উত্তেজনার প্রেক্ষাপটে এই উদ্যোগকে একটি কূটনৈতিক প্রচেষ্টা হিসেবে দেখা হচ্ছে।
ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচি বেইজিং সফরের পর জানান, চীনের প্রতি আস্থা রাখে তেহরান এবং তারা আশা করে, বেইজিং মধ্যপ্রাচ্যে শান্তি প্রতিষ্ঠায় সক্রিয় ভূমিকা অব্যাহত রাখবে।
বিশ্লেষকদের মতে, যুক্তরাষ্ট্র ও পশ্চিমা প্রভাবের বাইরে গিয়ে চীনকে আঞ্চলিক সমীকরণে আরও গুরুত্বপূর্ণ মধ্যস্থতাকারী শক্তি হিসেবে তুলে ধরতে এই উদ্যোগ ভূমিকা রাখতে পারে।

আপনার মতামত লিখুন