দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নয়ন ও জনগণের জানমালের নিরাপত্তা নিশ্চিত করাকে সরকারের সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। তিনি বলেছেন, প্রযুক্তিনির্ভর আধুনিক ও মানবিক পুলিশ বাহিনী ছাড়া জনগণের প্রত্যাশিত সেবা নিশ্চিত করা সম্ভব নয়। পুলিশের মূল দায়িত্ব দুষ্টের দমন এবং শিষ্টের লালন। রোববার পুলিশ সপ্তাহ উপলক্ষে রাজারবাগ পুলিশ লাইন্সে আয়োজিত ‘কল্যাণ প্যারেডে’ বক্তব্যে এসব কথা বলেন তিনি। প্রধানমন্ত্রী বলেন, অতীতে রাজনৈতিক স্বার্থে পুলিশকে জনগণের মুখোমুখি দাঁড় করানো হয়েছিল। সেই পরিস্থিতি থেকে বেরিয়ে এসে এখন জনগণের আস্থা অর্জন করাই পুলিশের সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ। তিনি বলেন, জনগণের সঙ্গে পুলিশের সম্পর্ক হতে হবে আইনসম্মত ও মানবিক। যেকোনো সংকটে মানুষ যেন থানাকে নির্ভরযোগ্য আশ্রয়স্থল হিসেবে মনে করতে পারে, সে পরিবেশ নিশ্চিত করতে হবে। পুলিশ সদস্যদের উদ্দেশে তিনি বলেন, জনগণ রাষ্ট্রের মালিক। তাই থানায় সেবা নিতে গিয়ে সাধারণ মানুষ যেন সম্মানজনক আচরণ পায়, তা নিশ্চিত করা পুলিশের দায়িত্ব। তিনি আরও বলেন, পুলিশ প্রশাসন কোনো রাজনৈতিক দলের নয়; এটি পরিচালিত হবে আইন অনুযায়ী। কোনো নিরপরাধ ব্যক্তি যেন হয়রানির শিকার না হন, সে বিষয়েও সতর্ক থাকার নির্দেশ দেন তিনি। প্রধানমন্ত্রী বলেন, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ও প্রযুক্তির অগ্রগতির সঙ্গে অপরাধের ধরন বদলেছে। তাই পুলিশকে আধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহারে দক্ষ করে গড়ে তুলতে হবে। অপরাধ বিশ্লেষণ, বৈজ্ঞানিক তদন্ত এবং প্রযুক্তিনির্ভর সক্ষমতা বাড়ানোর ওপর গুরুত্বারোপ করেন তিনি। গুম, অপহরণ ও বিচারবহির্ভূত কর্মকাণ্ড গ্রহণযোগ্য নয় উল্লেখ করে তিনি বলেন, মানবাধিকার সমুন্নত রেখে আইনের শাসন নিশ্চিত করতে সরকার কাজ করছে। প্রতিটি নাগরিকের অধিকার রক্ষা করা পুলিশের সাংবিধানিক ও নৈতিক দায়িত্ব।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১০ মে ২০২৬
দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নয়ন ও জনগণের জানমালের নিরাপত্তা নিশ্চিত করাকে সরকারের সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। তিনি বলেছেন, প্রযুক্তিনির্ভর আধুনিক ও মানবিক পুলিশ বাহিনী ছাড়া জনগণের প্রত্যাশিত সেবা নিশ্চিত করা সম্ভব নয়। পুলিশের মূল দায়িত্ব দুষ্টের দমন এবং শিষ্টের লালন। রোববার পুলিশ সপ্তাহ উপলক্ষে রাজারবাগ পুলিশ লাইন্সে আয়োজিত ‘কল্যাণ প্যারেডে’ বক্তব্যে এসব কথা বলেন তিনি। প্রধানমন্ত্রী বলেন, অতীতে রাজনৈতিক স্বার্থে পুলিশকে জনগণের মুখোমুখি দাঁড় করানো হয়েছিল। সেই পরিস্থিতি থেকে বেরিয়ে এসে এখন জনগণের আস্থা অর্জন করাই পুলিশের সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ। তিনি বলেন, জনগণের সঙ্গে পুলিশের সম্পর্ক হতে হবে আইনসম্মত ও মানবিক। যেকোনো সংকটে মানুষ যেন থানাকে নির্ভরযোগ্য আশ্রয়স্থল হিসেবে মনে করতে পারে, সে পরিবেশ নিশ্চিত করতে হবে। পুলিশ সদস্যদের উদ্দেশে তিনি বলেন, জনগণ রাষ্ট্রের মালিক। তাই থানায় সেবা নিতে গিয়ে সাধারণ মানুষ যেন সম্মানজনক আচরণ পায়, তা নিশ্চিত করা পুলিশের দায়িত্ব। তিনি আরও বলেন, পুলিশ প্রশাসন কোনো রাজনৈতিক দলের নয়; এটি পরিচালিত হবে আইন অনুযায়ী। কোনো নিরপরাধ ব্যক্তি যেন হয়রানির শিকার না হন, সে বিষয়েও সতর্ক থাকার নির্দেশ দেন তিনি। প্রধানমন্ত্রী বলেন, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ও প্রযুক্তির অগ্রগতির সঙ্গে অপরাধের ধরন বদলেছে। তাই পুলিশকে আধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহারে দক্ষ করে গড়ে তুলতে হবে। অপরাধ বিশ্লেষণ, বৈজ্ঞানিক তদন্ত এবং প্রযুক্তিনির্ভর সক্ষমতা বাড়ানোর ওপর গুরুত্বারোপ করেন তিনি। গুম, অপহরণ ও বিচারবহির্ভূত কর্মকাণ্ড গ্রহণযোগ্য নয় উল্লেখ করে তিনি বলেন, মানবাধিকার সমুন্নত রেখে আইনের শাসন নিশ্চিত করতে সরকার কাজ করছে। প্রতিটি নাগরিকের অধিকার রক্ষা করা পুলিশের সাংবিধানিক ও নৈতিক দায়িত্ব।

আপনার মতামত লিখুন