দেশের ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের সংরক্ষিত নারী আসনে নির্বাচিত সংসদ সদস্যদের বড় একটি অংশই উচ্চশিক্ষিত বলে জানিয়েছে সুশাসনের জন্য নাগরিক (সুজন)। আজ বৃহস্পতিবার সকালে রাজধানীর জাতীয় প্রেস ক্লাবে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে নবনির্বাচিত নারী সংসদ সদস্যদের জীবনবৃত্তান্ত ও হলফনামা বিশ্লেষণ করে এই তথ্য তুলে ধরা হয়। সুজনের প্রতিবেদন অনুযায়ী, সংরক্ষিত আসনের ৫০ জন নারী এমপির মধ্যে ৭৮ শতাংশই স্নাতক বা স্নাতকোত্তর ডিগ্রিধারী, যা সংসদীয় কার্যক্রমে গুণগত পরিবর্তন আনতে সহায়ক হবে বলে আশা করা হচ্ছে।
সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, নির্বাচিত ৫০ জন সদস্যের মধ্যে ৩০ জনই স্নাতকোত্তর ডিগ্রিধারী এবং ১৪ জন স্নাতক ডিগ্রি অর্জন করেছেন। এছাড়া বাকিদের মধ্যে ২ জন এইচএসসি, ১ জন এসএসসি এবং ২ জন স্বশিক্ষিত হিসেবে নিজেদের তথ্য দিয়েছেন। একজন সদস্য তার শিক্ষাগত যোগ্যতার তথ্য হলফনামায় উল্লেখ করেননি। গত দ্বাদশ জাতীয় সংসদের তুলনায় এবার উচ্চশিক্ষিত নারী প্রতিনিধির হার ২ শতাংশ বেড়ে ৭৬ থেকে ৭৮ শতাংশে উন্নীত হয়েছে। দলভিত্তিক বিশ্লেষণে দেখা গেছে, বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) থেকে নির্বাচিত ৩৬ জন নারী এমপির মধ্যে ৩২ জনই উচ্চশিক্ষিত, যার হার প্রায় ৮৯ শতাংশ। একইভাবে ১১ দলীয় জোটের ১৩ জন সদস্যের মধ্যে ১১ জনই স্নাতক বা তদূর্ধ্ব ডিগ্রিধারী।
শিক্ষার পাশাপাশি এসব নারী প্রতিনিধিদের আর্থিক অবস্থার চিত্রও প্রতিবেদনে উঠে এসেছে। তথ্যমতে, সংরক্ষিত আসনের নারী সংসদ সদস্যদের একটি বড় অংশই সম্পদশালী এবং তাদের মধ্যে প্রায় ৬৫ শতাংশই কোটিপতি। পেশাগত পরিচয়ে অনেকে নিজেকে গৃহিণী হিসেবে পরিচয় দিলেও তাদের উল্লেখযোগ্য পরিমাণ সম্পদ ও নিজস্ব আয়ের উৎস রয়েছে। সুজন সম্পাদক বদিউল আলম মজুমদার সংবাদ সম্মেলনে বলেন, শিক্ষিত প্রতিনিধিরা সংসদে জনগুরুত্বপূর্ণ আইন প্রণয়নে কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারবেন। তবে সংরক্ষিত আসনে সরাসরি নির্বাচনের দাবি জানিয়ে তিনি বলেন, সরাসরি ভোটে নির্বাচিত হয়ে আসলে এসব প্রতিনিধি জনগণের কাছে আরও বেশি দায়বদ্ধ থাকতেন। নারী প্রতিনিধিদের এই উচ্চশিক্ষার হারকে দেশের গণতান্ত্রিক ব্যবস্থার জন্য একটি ইতিবাচক লক্ষণ হিসেবে সংবাদ সম্মেলনে অভিহিত করা হয়।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৭ মে ২০২৬
দেশের ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের সংরক্ষিত নারী আসনে নির্বাচিত সংসদ সদস্যদের বড় একটি অংশই উচ্চশিক্ষিত বলে জানিয়েছে সুশাসনের জন্য নাগরিক (সুজন)। আজ বৃহস্পতিবার সকালে রাজধানীর জাতীয় প্রেস ক্লাবে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে নবনির্বাচিত নারী সংসদ সদস্যদের জীবনবৃত্তান্ত ও হলফনামা বিশ্লেষণ করে এই তথ্য তুলে ধরা হয়। সুজনের প্রতিবেদন অনুযায়ী, সংরক্ষিত আসনের ৫০ জন নারী এমপির মধ্যে ৭৮ শতাংশই স্নাতক বা স্নাতকোত্তর ডিগ্রিধারী, যা সংসদীয় কার্যক্রমে গুণগত পরিবর্তন আনতে সহায়ক হবে বলে আশা করা হচ্ছে।
সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, নির্বাচিত ৫০ জন সদস্যের মধ্যে ৩০ জনই স্নাতকোত্তর ডিগ্রিধারী এবং ১৪ জন স্নাতক ডিগ্রি অর্জন করেছেন। এছাড়া বাকিদের মধ্যে ২ জন এইচএসসি, ১ জন এসএসসি এবং ২ জন স্বশিক্ষিত হিসেবে নিজেদের তথ্য দিয়েছেন। একজন সদস্য তার শিক্ষাগত যোগ্যতার তথ্য হলফনামায় উল্লেখ করেননি। গত দ্বাদশ জাতীয় সংসদের তুলনায় এবার উচ্চশিক্ষিত নারী প্রতিনিধির হার ২ শতাংশ বেড়ে ৭৬ থেকে ৭৮ শতাংশে উন্নীত হয়েছে। দলভিত্তিক বিশ্লেষণে দেখা গেছে, বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) থেকে নির্বাচিত ৩৬ জন নারী এমপির মধ্যে ৩২ জনই উচ্চশিক্ষিত, যার হার প্রায় ৮৯ শতাংশ। একইভাবে ১১ দলীয় জোটের ১৩ জন সদস্যের মধ্যে ১১ জনই স্নাতক বা তদূর্ধ্ব ডিগ্রিধারী।
শিক্ষার পাশাপাশি এসব নারী প্রতিনিধিদের আর্থিক অবস্থার চিত্রও প্রতিবেদনে উঠে এসেছে। তথ্যমতে, সংরক্ষিত আসনের নারী সংসদ সদস্যদের একটি বড় অংশই সম্পদশালী এবং তাদের মধ্যে প্রায় ৬৫ শতাংশই কোটিপতি। পেশাগত পরিচয়ে অনেকে নিজেকে গৃহিণী হিসেবে পরিচয় দিলেও তাদের উল্লেখযোগ্য পরিমাণ সম্পদ ও নিজস্ব আয়ের উৎস রয়েছে। সুজন সম্পাদক বদিউল আলম মজুমদার সংবাদ সম্মেলনে বলেন, শিক্ষিত প্রতিনিধিরা সংসদে জনগুরুত্বপূর্ণ আইন প্রণয়নে কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারবেন। তবে সংরক্ষিত আসনে সরাসরি নির্বাচনের দাবি জানিয়ে তিনি বলেন, সরাসরি ভোটে নির্বাচিত হয়ে আসলে এসব প্রতিনিধি জনগণের কাছে আরও বেশি দায়বদ্ধ থাকতেন। নারী প্রতিনিধিদের এই উচ্চশিক্ষার হারকে দেশের গণতান্ত্রিক ব্যবস্থার জন্য একটি ইতিবাচক লক্ষণ হিসেবে সংবাদ সম্মেলনে অভিহিত করা হয়।

আপনার মতামত লিখুন