ভারতের কেরালায় প্রথম মুসলিম নারী বিধায়ক (এমএলএ) হিসেবে ইতিহাস গড়েছেন অ্যাডভোকেট ফাতিমা তাহিলিয়া। ইন্ডিয়ান ইউনিয়ন মুসলিম লীগ (আইইউএমএল) থেকে নির্বাচিত হয়ে তিনি রাজ্যের রাজনৈতিক ইতিহাসে নতুন অধ্যায় যোগ করেন।
২০২৬ সালের কেরালা বিধানসভা নির্বাচনে কোঝিকোড় জেলার পেরাম্ব্রা আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে প্রায় ৮১ হাজার ৪২৯ ভোট পেয়ে জয়ী হন তিনি। এই আসনে দীর্ঘদিন ধরে শক্ত অবস্থানে থাকা বামপন্থি দল সিপিআই(এম)-এর প্রার্থী ও এলডিএফ কনভেনর টি.পি. রামাকৃষ্ণনকে তিনি ৫ হাজারের বেশি ভোটে পরাজিত করেন।
পেরাম্ব্রা আসনটি ঐতিহ্যগতভাবে বাম ঘাঁটি হিসেবে পরিচিত হলেও এবার সেই রাজনৈতিক সমীকরণ পাল্টে দেন ফাতিমা তাহিলিয়া। কোঝিকোড় জেলার এই আসনটি গ্রামীণ ও আধা-শহুরে ভোটারের মিশ্র জনসংখ্যার একটি গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্র।
ফাতিমা তাহিলিয়া ছাত্র রাজনীতির মাধ্যমে রাজনৈতিক জীবনে প্রবেশ করেন। তিনি মুসলিম স্টুডেন্টস ফেডারেশনের নারী শাখা ‘হারিতা’-র প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি ছিলেন এবং পরে সংগঠনের জাতীয় পর্যায়ে সহ-সভাপতির দায়িত্ব পালন করেন। বর্তমানে তিনি মুসলিম ইয়ুথ লীগের রাজ্য সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।
পেশায় আইনজীবী ফাতিমা কোঝিকোড় জেলা আদালতে প্র্যাকটিস করেন। ত্রিশূরের গভর্নমেন্ট ল’ কলেজ থেকে আইন বিষয়ে ডিগ্রি অর্জন করেন তিনি। এর আগে তিনি কোঝিকোড় মিউনিসিপাল কর্পোরেশনের কাউন্সিলর হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেন।
তার এই জয়কে আইইউএমএলের ইতিহাসে গুরুত্বপূর্ণ মোড় হিসেবে দেখা হচ্ছে, যেখানে দীর্ঘ ৭৫ বছরে নারী প্রার্থীর সাফল্য ছিল বিরল।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৭ মে ২০২৬
ভারতের কেরালায় প্রথম মুসলিম নারী বিধায়ক (এমএলএ) হিসেবে ইতিহাস গড়েছেন অ্যাডভোকেট ফাতিমা তাহিলিয়া। ইন্ডিয়ান ইউনিয়ন মুসলিম লীগ (আইইউএমএল) থেকে নির্বাচিত হয়ে তিনি রাজ্যের রাজনৈতিক ইতিহাসে নতুন অধ্যায় যোগ করেন।
২০২৬ সালের কেরালা বিধানসভা নির্বাচনে কোঝিকোড় জেলার পেরাম্ব্রা আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে প্রায় ৮১ হাজার ৪২৯ ভোট পেয়ে জয়ী হন তিনি। এই আসনে দীর্ঘদিন ধরে শক্ত অবস্থানে থাকা বামপন্থি দল সিপিআই(এম)-এর প্রার্থী ও এলডিএফ কনভেনর টি.পি. রামাকৃষ্ণনকে তিনি ৫ হাজারের বেশি ভোটে পরাজিত করেন।
পেরাম্ব্রা আসনটি ঐতিহ্যগতভাবে বাম ঘাঁটি হিসেবে পরিচিত হলেও এবার সেই রাজনৈতিক সমীকরণ পাল্টে দেন ফাতিমা তাহিলিয়া। কোঝিকোড় জেলার এই আসনটি গ্রামীণ ও আধা-শহুরে ভোটারের মিশ্র জনসংখ্যার একটি গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্র।
ফাতিমা তাহিলিয়া ছাত্র রাজনীতির মাধ্যমে রাজনৈতিক জীবনে প্রবেশ করেন। তিনি মুসলিম স্টুডেন্টস ফেডারেশনের নারী শাখা ‘হারিতা’-র প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি ছিলেন এবং পরে সংগঠনের জাতীয় পর্যায়ে সহ-সভাপতির দায়িত্ব পালন করেন। বর্তমানে তিনি মুসলিম ইয়ুথ লীগের রাজ্য সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।
পেশায় আইনজীবী ফাতিমা কোঝিকোড় জেলা আদালতে প্র্যাকটিস করেন। ত্রিশূরের গভর্নমেন্ট ল’ কলেজ থেকে আইন বিষয়ে ডিগ্রি অর্জন করেন তিনি। এর আগে তিনি কোঝিকোড় মিউনিসিপাল কর্পোরেশনের কাউন্সিলর হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেন।
তার এই জয়কে আইইউএমএলের ইতিহাসে গুরুত্বপূর্ণ মোড় হিসেবে দেখা হচ্ছে, যেখানে দীর্ঘ ৭৫ বছরে নারী প্রার্থীর সাফল্য ছিল বিরল।

আপনার মতামত লিখুন