স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন জানিয়েছেন, বর্তমানে দেশে টিকার কোনো সংকট নেই এবং ভবিষ্যতেও স্টক ঘাটতির সম্ভাবনা নেই। আন্তর্জাতিক সংস্থা ইউনিসেফ, বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা এবং গ্যাভিসহ অন্যান্য অংশীদারদের সহযোগিতার জন্য তিনি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।
বুধবার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের ভিআইপি লাউঞ্জে হাম-রুবেলা টিকা হস্তান্তর শেষে এক ব্রিফিংয়ে তিনি এ কথা বলেন।
তিনি জানান, সম্প্রতি দেশে হামের ১৫ লাখ ডোজ টিকা এবং ৯ হাজার ডোজ টিডি-টিটাস টিকা এসেছে। এখন থেকে প্রতি সপ্তাহে নিয়মিতভাবে নতুন টিকার চালান দেশে পৌঁছাবে।
আগামী ১০ মে আরও বড় একটি চালান আসবে, যেখানে ১ কোটি ৮ লাখ ডোজ এমআর, টিডি, বিসিজি, ওপিভি ও পেন্টাভ্যালেন্ট টিকা থাকবে। এসব টিকা দ্রুত সরবরাহ ব্যবস্থায় যুক্ত করা হবে। সরকারের লক্ষ্য হলো ২০২৬ সালের সেপ্টেম্বরের মধ্যে পূর্ণাঙ্গ টিকা সরবরাহ নিশ্চিত করে একটি শক্তিশালী বাফার স্টক গড়ে তোলা।
স্বাস্থ্যমন্ত্রী আরও জানান, চলমান টিকাদান কর্মসূচিতে ইতোমধ্যে ৯৩ শতাংশ লক্ষ্য অর্জিত হয়েছে এবং শিগগিরই শতভাগ অর্জন সম্ভব হবে।
হাম মোকাবিলায় প্রস্তুতির বিষয়ে তিনি বলেন, টিকা প্রয়োগের পর রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা তৈরি হতে কয়েক সপ্তাহ সময় লাগে। তাই তাৎক্ষণিকভাবে রোগ নিয়ন্ত্রণ না হলেও পরিস্থিতি সামাল দিতে স্বাস্থ্য খাত সম্পূর্ণ প্রস্তুত রয়েছে।
সম্ভাব্য রোগী বৃদ্ধির আশঙ্কায় হাসপাতালে অতিরিক্ত শয্যা প্রস্তুত রাখা হয়েছে। ঢাকায় অস্থায়ী হাসপাতাল স্থাপন এবং প্রয়োজনে মোবাইল হাসপাতাল চালুর ব্যবস্থাও রয়েছে বলে জানান তিনি।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৭ মে ২০২৬
স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন জানিয়েছেন, বর্তমানে দেশে টিকার কোনো সংকট নেই এবং ভবিষ্যতেও স্টক ঘাটতির সম্ভাবনা নেই। আন্তর্জাতিক সংস্থা ইউনিসেফ, বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা এবং গ্যাভিসহ অন্যান্য অংশীদারদের সহযোগিতার জন্য তিনি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।
বুধবার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের ভিআইপি লাউঞ্জে হাম-রুবেলা টিকা হস্তান্তর শেষে এক ব্রিফিংয়ে তিনি এ কথা বলেন।
তিনি জানান, সম্প্রতি দেশে হামের ১৫ লাখ ডোজ টিকা এবং ৯ হাজার ডোজ টিডি-টিটাস টিকা এসেছে। এখন থেকে প্রতি সপ্তাহে নিয়মিতভাবে নতুন টিকার চালান দেশে পৌঁছাবে।
আগামী ১০ মে আরও বড় একটি চালান আসবে, যেখানে ১ কোটি ৮ লাখ ডোজ এমআর, টিডি, বিসিজি, ওপিভি ও পেন্টাভ্যালেন্ট টিকা থাকবে। এসব টিকা দ্রুত সরবরাহ ব্যবস্থায় যুক্ত করা হবে। সরকারের লক্ষ্য হলো ২০২৬ সালের সেপ্টেম্বরের মধ্যে পূর্ণাঙ্গ টিকা সরবরাহ নিশ্চিত করে একটি শক্তিশালী বাফার স্টক গড়ে তোলা।
স্বাস্থ্যমন্ত্রী আরও জানান, চলমান টিকাদান কর্মসূচিতে ইতোমধ্যে ৯৩ শতাংশ লক্ষ্য অর্জিত হয়েছে এবং শিগগিরই শতভাগ অর্জন সম্ভব হবে।
হাম মোকাবিলায় প্রস্তুতির বিষয়ে তিনি বলেন, টিকা প্রয়োগের পর রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা তৈরি হতে কয়েক সপ্তাহ সময় লাগে। তাই তাৎক্ষণিকভাবে রোগ নিয়ন্ত্রণ না হলেও পরিস্থিতি সামাল দিতে স্বাস্থ্য খাত সম্পূর্ণ প্রস্তুত রয়েছে।
সম্ভাব্য রোগী বৃদ্ধির আশঙ্কায় হাসপাতালে অতিরিক্ত শয্যা প্রস্তুত রাখা হয়েছে। ঢাকায় অস্থায়ী হাসপাতাল স্থাপন এবং প্রয়োজনে মোবাইল হাসপাতাল চালুর ব্যবস্থাও রয়েছে বলে জানান তিনি।

আপনার মতামত লিখুন