রাজধানীর শনির আখড়া এলাকায় ব্যস্ততম আন্ডারপাসটিতে দীর্ঘদিনের অন্ধকার দূর করে আলোর ব্যবস্থা করা হয়েছে। ঢাকা মহানগর দক্ষিণ বিএনপির সদস্য সচিব তানভীর আহমেদ রবিনের নির্দেশনায় এবং কদমতলী থানা স্বেচ্ছাসেবক দলের উদ্যোগে এই আলোকসজ্জার ব্যবস্থা করা হয়। এর ফলে আন্ডারপাসটি দিয়ে চলাচলকারী সাধারণ মানুষের দীর্ঘদিনের ভোগান্তি ও নিরাপত্তা সংকটের অবসান ঘটল।
ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের শনির আখড়া পয়েন্টে অবস্থিত এই আন্ডারপাসটি দিয়ে প্রতিদিন হাজার হাজার মানুষ যাতায়াত করেন। তবে দীর্ঘদিন ধরে পর্যাপ্ত আলোর অভাবে আন্ডারপাসটি ভুতুড়ে অন্ধকারে নিমজ্জিত ছিল। বিশেষ করে সন্ধ্যা নামলেই এটি সাধারণ মানুষের জন্য এক আতঙ্কের নাম হয়ে দাঁড়িয়েছিল।
স্থানীয়দের অভিযোগ ছিল, অন্ধকারের সুযোগ নিয়ে এখানে প্রায়ই চুরি ও ছিনতাইয়ের মতো অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটত। নারী ও শিশুদের চলাচলে চরম নিরাপত্তাহীনতা কাজ করত। জনসাধারণের এই দুর্ভোগের কথা বিবেচনায় নিয়ে কদমতলী থানা স্বেচ্ছাসেবক দল আন্ডারপাসটিতে উচ্চ ক্ষমতাসম্পন্ন লাইট স্থাপনের কাজ সম্পন্ন করেছে।
"সাধারণ মানুষের জানমালের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং জনদুর্ভোগ লাঘব করাই আমাদের মূল লক্ষ্য। শনির আখড়া আন্ডারপাসের অন্ধকার দূর হওয়ায় এখন মানুষ নির্বিঘ্নে ও নির্ভয়ে চলাচল করতে পারবে।
লাইট স্থাপনের পর ওই এলাকায় স্বস্তি ফিরে এসেছে। স্থানীয় পথচারীরা জানান, দীর্ঘদিন ধরে এই সমস্যাটি সমাধানে কোনো কার্যকর উদ্যোগ নেওয়া হয়নি। এখন আলোর ব্যবস্থা হওয়ায় যাতায়াত অনেক সহজ ও নিরাপদ হয়েছে।
এই মানবিক ও জনহিতকর কাজের মাধ্যমে স্বেচ্ছাসেবক দল প্রমাণ করল যে, রাজনৈতিক সদিচ্ছা থাকলে সাধারণ মানুষের ছোট ছোট সমস্যাগুলোও দ্রুত সমাধান করা সম্ভব। স্থানীয়রা এ ধরনের উদ্যোগকে সাধুবাদ জানিয়েছেন।

বুধবার, ২৯ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২২ এপ্রিল ২০২৬
রাজধানীর শনির আখড়া এলাকায় ব্যস্ততম আন্ডারপাসটিতে দীর্ঘদিনের অন্ধকার দূর করে আলোর ব্যবস্থা করা হয়েছে। ঢাকা মহানগর দক্ষিণ বিএনপির সদস্য সচিব তানভীর আহমেদ রবিনের নির্দেশনায় এবং কদমতলী থানা স্বেচ্ছাসেবক দলের উদ্যোগে এই আলোকসজ্জার ব্যবস্থা করা হয়। এর ফলে আন্ডারপাসটি দিয়ে চলাচলকারী সাধারণ মানুষের দীর্ঘদিনের ভোগান্তি ও নিরাপত্তা সংকটের অবসান ঘটল।
ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের শনির আখড়া পয়েন্টে অবস্থিত এই আন্ডারপাসটি দিয়ে প্রতিদিন হাজার হাজার মানুষ যাতায়াত করেন। তবে দীর্ঘদিন ধরে পর্যাপ্ত আলোর অভাবে আন্ডারপাসটি ভুতুড়ে অন্ধকারে নিমজ্জিত ছিল। বিশেষ করে সন্ধ্যা নামলেই এটি সাধারণ মানুষের জন্য এক আতঙ্কের নাম হয়ে দাঁড়িয়েছিল।
স্থানীয়দের অভিযোগ ছিল, অন্ধকারের সুযোগ নিয়ে এখানে প্রায়ই চুরি ও ছিনতাইয়ের মতো অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটত। নারী ও শিশুদের চলাচলে চরম নিরাপত্তাহীনতা কাজ করত। জনসাধারণের এই দুর্ভোগের কথা বিবেচনায় নিয়ে কদমতলী থানা স্বেচ্ছাসেবক দল আন্ডারপাসটিতে উচ্চ ক্ষমতাসম্পন্ন লাইট স্থাপনের কাজ সম্পন্ন করেছে।
"সাধারণ মানুষের জানমালের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং জনদুর্ভোগ লাঘব করাই আমাদের মূল লক্ষ্য। শনির আখড়া আন্ডারপাসের অন্ধকার দূর হওয়ায় এখন মানুষ নির্বিঘ্নে ও নির্ভয়ে চলাচল করতে পারবে।
লাইট স্থাপনের পর ওই এলাকায় স্বস্তি ফিরে এসেছে। স্থানীয় পথচারীরা জানান, দীর্ঘদিন ধরে এই সমস্যাটি সমাধানে কোনো কার্যকর উদ্যোগ নেওয়া হয়নি। এখন আলোর ব্যবস্থা হওয়ায় যাতায়াত অনেক সহজ ও নিরাপদ হয়েছে।
এই মানবিক ও জনহিতকর কাজের মাধ্যমে স্বেচ্ছাসেবক দল প্রমাণ করল যে, রাজনৈতিক সদিচ্ছা থাকলে সাধারণ মানুষের ছোট ছোট সমস্যাগুলোও দ্রুত সমাধান করা সম্ভব। স্থানীয়রা এ ধরনের উদ্যোগকে সাধুবাদ জানিয়েছেন।

আপনার মতামত লিখুন