ফরিদপুরের ভাঙ্গা উপজেলার মালিগ্রাম বাজারে অবৈধভাবে জ্বালানি তেল মজুদ এবং অতিরিক্ত দামে বিক্রির অভিযোগে ভ্রাম্যমাণ আদালত অভিযান পরিচালনা করেছে। সোমবার (১৩ এপ্রিল) গোপন সংবাদের ভিত্তিতে এ অভিযান চালানো হয়।
ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করেন ভাঙ্গা উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মোঃ সাদরুল আলম। অভিযানে হাজী মোঃ ইউনুস আলী (৫০), পিতা হাজী মোতাহের মাতুব্বর-এর দোকানে তল্লাশি চালিয়ে অবৈধভাবে মজুদকৃত ৪৮ লিটার অকটেন ও ১৫ লিটার ডিজেল উদ্ধার করা হয়। জানা যায়, তিনি প্রতি লিটার জ্বালানি তেল ২২০ টাকা দামে বিক্রি করছিলেন, যা সরকার নির্ধারিত মূল্যের চেয়ে বেশি।
এ অপরাধে ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ আইন, ২০০৯-এর সংশ্লিষ্ট ধারায় তাকে ৮ হাজার টাকা অর্থদণ্ড প্রদান করা হয়, যা তাৎক্ষণিকভাবে আদায় করা হয়েছে।
নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সাদরুল আলম জানান, উদ্ধারকৃত জ্বালানি তেল জব্দ করে ঘটনাস্থলেই স্পট নিলামের মাধ্যমে বিক্রি করা হয়েছে। বিক্রয়লব্ধ অর্থ সরকারি কোষাগারে জমা দেওয়ার প্রক্রিয়া চলছে।
অভিযুক্ত ইউনুস আলী তার অপরাধ স্বীকার করে ভবিষ্যতে আইন মেনে ব্যবসা পরিচালনার অঙ্গীকার করেন।
নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট আরও বলেন, সরকার নির্ধারিত মূল্যের বেশি দামে জ্বালানি তেল বিক্রি এবং অবৈধ মজুদ-উভয়ই দণ্ডনীয় অপরাধ। জনস্বার্থে এ ধরনের অভিযান নিয়মিতভাবে পরিচালিত হবে এবং কোনো অনিয়ম সহ্য করা হবে না।
অভিযান চলাকালে ভাঙ্গা থানা পুলিশ সার্বিক সহযোগিতা প্রদান করে। একই সঙ্গে উপস্থিত অন্যান্য ব্যবসায়ীদের সতর্ক করা হয়।
এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আব্দুল্লাহ আবু জাহের জানান, জ্বালানি তেলের বাজার নিয়ন্ত্রণে নিয়মিত অভিযান ও মনিটরিং কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে। কৃষকদের উপজেলা কৃষি অফিসের সরবরাহকৃত কার্ড ব্যবহার করে ফিলিং স্টেশন থেকে জ্বালানি সংগ্রহের আহ্বান জানানো হয়েছে। পাশাপাশি মোটরসাইকেল চালকদের প্রয়োজনীয় কাগজপত্র সঙ্গে রাখার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।
প্রশাসন আরও জানায়, ফিলিং স্টেশনগুলোতে ইতোমধ্যে ট্যাগ অফিসার নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। কোনো অভিযোগ বা তথ্য থাকলে সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে যোগাযোগের আহ্বান জানানো হয়েছে। জনস্বার্থে এ ধরনের অভিযান ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৩ এপ্রিল ২০২৬
ফরিদপুরের ভাঙ্গা উপজেলার মালিগ্রাম বাজারে অবৈধভাবে জ্বালানি তেল মজুদ এবং অতিরিক্ত দামে বিক্রির অভিযোগে ভ্রাম্যমাণ আদালত অভিযান পরিচালনা করেছে। সোমবার (১৩ এপ্রিল) গোপন সংবাদের ভিত্তিতে এ অভিযান চালানো হয়।
ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করেন ভাঙ্গা উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মোঃ সাদরুল আলম। অভিযানে হাজী মোঃ ইউনুস আলী (৫০), পিতা হাজী মোতাহের মাতুব্বর-এর দোকানে তল্লাশি চালিয়ে অবৈধভাবে মজুদকৃত ৪৮ লিটার অকটেন ও ১৫ লিটার ডিজেল উদ্ধার করা হয়। জানা যায়, তিনি প্রতি লিটার জ্বালানি তেল ২২০ টাকা দামে বিক্রি করছিলেন, যা সরকার নির্ধারিত মূল্যের চেয়ে বেশি।
এ অপরাধে ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ আইন, ২০০৯-এর সংশ্লিষ্ট ধারায় তাকে ৮ হাজার টাকা অর্থদণ্ড প্রদান করা হয়, যা তাৎক্ষণিকভাবে আদায় করা হয়েছে।
নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সাদরুল আলম জানান, উদ্ধারকৃত জ্বালানি তেল জব্দ করে ঘটনাস্থলেই স্পট নিলামের মাধ্যমে বিক্রি করা হয়েছে। বিক্রয়লব্ধ অর্থ সরকারি কোষাগারে জমা দেওয়ার প্রক্রিয়া চলছে।
অভিযুক্ত ইউনুস আলী তার অপরাধ স্বীকার করে ভবিষ্যতে আইন মেনে ব্যবসা পরিচালনার অঙ্গীকার করেন।
নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট আরও বলেন, সরকার নির্ধারিত মূল্যের বেশি দামে জ্বালানি তেল বিক্রি এবং অবৈধ মজুদ-উভয়ই দণ্ডনীয় অপরাধ। জনস্বার্থে এ ধরনের অভিযান নিয়মিতভাবে পরিচালিত হবে এবং কোনো অনিয়ম সহ্য করা হবে না।
অভিযান চলাকালে ভাঙ্গা থানা পুলিশ সার্বিক সহযোগিতা প্রদান করে। একই সঙ্গে উপস্থিত অন্যান্য ব্যবসায়ীদের সতর্ক করা হয়।
এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আব্দুল্লাহ আবু জাহের জানান, জ্বালানি তেলের বাজার নিয়ন্ত্রণে নিয়মিত অভিযান ও মনিটরিং কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে। কৃষকদের উপজেলা কৃষি অফিসের সরবরাহকৃত কার্ড ব্যবহার করে ফিলিং স্টেশন থেকে জ্বালানি সংগ্রহের আহ্বান জানানো হয়েছে। পাশাপাশি মোটরসাইকেল চালকদের প্রয়োজনীয় কাগজপত্র সঙ্গে রাখার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।
প্রশাসন আরও জানায়, ফিলিং স্টেশনগুলোতে ইতোমধ্যে ট্যাগ অফিসার নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। কোনো অভিযোগ বা তথ্য থাকলে সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে যোগাযোগের আহ্বান জানানো হয়েছে। জনস্বার্থে এ ধরনের অভিযান ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।

আপনার মতামত লিখুন