কিশোরগঞ্জে গণভোট বাস্তবায়নের দাবিতে বিশাল মিছিল ও সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে। রবিবার (১২ এপ্রিল) বিকাল ৫টায় শহরের ঐতিহাসিক শহীদি মসজিদ চত্বর থেকে একটি বর্ণাঢ্য মিছিল বের হয়। মিছিলটি শহরের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ শেষে বড়বাজার মোড়ে এসে সংক্ষিপ্ত সমাবেশের মাধ্যমে শেষ হয়। মিছিলে হাজার হাজার নেতাকর্মী ও সাধারণ মানুষ অংশ নেন। অংশগ্রহণকারীরা বিভিন্ন দাবিসংবলিত ফেস্টুন ও ব্যানার বহন করেন। এসময় তারা “গণভোটের রায় অমান্য করা চলবে না”, “জাস্টিস ফর হাদী”, “বিচার বিভাগ স্বাধীন করতে হবে” এবং “জুলাই সনদ বাস্তবায়ন চাই”—সহ নানা স্লোগান দেন। সমাবেশে বক্তারা বলেন, জনগণের মতামতের প্রতি সম্মান জানিয়ে দ্রুত গণভোটের রায় বাস্তবায়ন করতে হবে। পাশাপাশি বিচার বিভাগের স্বাধীনতা নিশ্চিত এবং ঘোষিত দাবিগুলো দ্রুত পূরণের আহ্বান জানান তারা। বক্তারা আরও উল্লেখ করেন, দেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে ছাত্রসমাজ সবসময় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছে। ১৯৫২, ১৯৬৯, ১৯৭১ এবং ১৯৯০ সালের আন্দোলনে ছাত্রদের অবদান তার প্রমাণ। তারা সতর্ক করে বলেন, জনগণের মতামত উপেক্ষা করা হলে আবারও রাজপথে নামতে বাধ্য হবেন। সমাবেশে উপস্থিত ছিলেন অধ্যাপক মো. রমজান আলী (আমীর, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলাম), অধ্যাপক মোসাদ্দেক ভূইয়া (সাবেক জেলা আমীর), মো. নাজমুল ইসলাম (সেক্রেটারি, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলাম), খালিদ হাসান জুম্মন (জেলা সভাপতি, শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশন), মো. মিজবা উদ্দিন (জেলা সভাপতি, জাতীয় গণতান্ত্রিক পার্টি), হাফেজ ইকরাম হোসেন, ফয়সাল প্রিন্স (সাংগঠনিক সম্পাদক, জাতীয় নাগরিক পার্টি), মাওলানা আব্দুল কাদির (যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস)সহ আরও অনেকে। সমাবেশ থেকে দ্রুত জুলাই সনদ বাস্তবায়ন এবং জনগণের রায়ের প্রতি সম্মান প্রদর্শনের জন্য সংশ্লিষ্টদের প্রতি জোর দাবি জানানো হয়। শেষে শান্তিপূর্ণভাবে কর্মসূচির সমাপ্তি ঘোষণা করা হয়।

বুধবার, ২৯ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১২ এপ্রিল ২০২৬
কিশোরগঞ্জে গণভোট বাস্তবায়নের দাবিতে বিশাল মিছিল ও সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে। রবিবার (১২ এপ্রিল) বিকাল ৫টায় শহরের ঐতিহাসিক শহীদি মসজিদ চত্বর থেকে একটি বর্ণাঢ্য মিছিল বের হয়। মিছিলটি শহরের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ শেষে বড়বাজার মোড়ে এসে সংক্ষিপ্ত সমাবেশের মাধ্যমে শেষ হয়। মিছিলে হাজার হাজার নেতাকর্মী ও সাধারণ মানুষ অংশ নেন। অংশগ্রহণকারীরা বিভিন্ন দাবিসংবলিত ফেস্টুন ও ব্যানার বহন করেন। এসময় তারা “গণভোটের রায় অমান্য করা চলবে না”, “জাস্টিস ফর হাদী”, “বিচার বিভাগ স্বাধীন করতে হবে” এবং “জুলাই সনদ বাস্তবায়ন চাই”—সহ নানা স্লোগান দেন। সমাবেশে বক্তারা বলেন, জনগণের মতামতের প্রতি সম্মান জানিয়ে দ্রুত গণভোটের রায় বাস্তবায়ন করতে হবে। পাশাপাশি বিচার বিভাগের স্বাধীনতা নিশ্চিত এবং ঘোষিত দাবিগুলো দ্রুত পূরণের আহ্বান জানান তারা। বক্তারা আরও উল্লেখ করেন, দেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে ছাত্রসমাজ সবসময় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছে। ১৯৫২, ১৯৬৯, ১৯৭১ এবং ১৯৯০ সালের আন্দোলনে ছাত্রদের অবদান তার প্রমাণ। তারা সতর্ক করে বলেন, জনগণের মতামত উপেক্ষা করা হলে আবারও রাজপথে নামতে বাধ্য হবেন। সমাবেশে উপস্থিত ছিলেন অধ্যাপক মো. রমজান আলী (আমীর, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলাম), অধ্যাপক মোসাদ্দেক ভূইয়া (সাবেক জেলা আমীর), মো. নাজমুল ইসলাম (সেক্রেটারি, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলাম), খালিদ হাসান জুম্মন (জেলা সভাপতি, শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশন), মো. মিজবা উদ্দিন (জেলা সভাপতি, জাতীয় গণতান্ত্রিক পার্টি), হাফেজ ইকরাম হোসেন, ফয়সাল প্রিন্স (সাংগঠনিক সম্পাদক, জাতীয় নাগরিক পার্টি), মাওলানা আব্দুল কাদির (যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস)সহ আরও অনেকে। সমাবেশ থেকে দ্রুত জুলাই সনদ বাস্তবায়ন এবং জনগণের রায়ের প্রতি সম্মান প্রদর্শনের জন্য সংশ্লিষ্টদের প্রতি জোর দাবি জানানো হয়। শেষে শান্তিপূর্ণভাবে কর্মসূচির সমাপ্তি ঘোষণা করা হয়।

আপনার মতামত লিখুন