চুয়াডাঙ্গা সদর উপজেলার ডিঙ্গেদহ হাইওয়ে ফিলিং স্টেশনে তেল নেওয়াকে কেন্দ্র করে মারামারির ঘটনায় তিন যুবককে সাজা প্রদান করেছে ভ্রাম্যমাণ আদালত। শুক্রবার (১০ এপ্রিল) সকালে চুয়াডাঙ্গা জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে পরিচালিত এক অভিযানে এ দণ্ডাদেশ দেওয়া হয়।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, আজ সকাল ১০টার দিকে ডিঙ্গেদহ হাইওয়ে ফিলিং স্টেশনে তেল সংগ্রহ করতে আসা গ্রাহকদের মধ্যে কথা-কাটাকাটি ও একপর্যায়ে মারামারির ঘটনা ঘটে। খবর পেয়ে চুয়াডাঙ্গা জেলা প্রশাসনের এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট মো. ফাহাদ চৌধুরীর নেতৃত্বে দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছায় ভ্রাম্যমাণ আদালত।
আদালত সিসিটিভি ফুটেজ বিশ্লেষণ করে ঘটনার সত্যতা যাচাইয়ের পর তিনজনকে অভিযুক্ত করে। দণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন মানিকদিহী গ্রামের জহিরুল ইসলামের ছেলে আশরাফুল ইসলাম (২০) ও একই গ্রামের আব্বাস উদ্দিনের ছেলে মারুফ বিল্লাহ (২০) কে ভ্রাম্যমাণ আদালত দন্ডবিধি ১৮৬০ এর ১৮৮ ধারায় পাঁচ দিন করে বিনাশ্রম কারাদণ্ড প্রদাণ করেণ। এছাড়াও এ ঘটনাই চুয়াডাঙ্গা পৌর এলাকার সাতগাড়ি গ্রামের আব্দুর রাজ্জাকের ছেলে নাঈম হোসেন (২৯) কে ১ হাজার টাকা অর্থদণ্ড প্রদাণ করেন ভ্রাম্যমাণ আদালত।
অভিযান শেষে এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট ফাহাদ চৌধুরী সাংবাদিকদের জানান "তেল নেওয়ার লাইনে বিশৃঙ্খলা ও মারামারির খবর পেয়ে আমরা তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা গ্রহণ করি। পাম্পের সিসিটিভি ফুটেজ পর্যবেক্ষণ করে বিশৃঙ্খলায় জড়িতদের শনাক্ত করা হয়েছে। অপরাধ স্বীকার করায় দুজনকে ৫ দিন করে বিনাশ্রম কারাদণ্ড এবং একজনকে ১ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে।"
তিনি আরও সতর্ক করে বলেন, সাধারণ মানুষের ভোগান্তি নিরসনে এবং জনশৃঙ্খলা বজায় রাখতে জেলা প্রশাসনের এ ধরনের অভিযান নিয়মিত অব্যাহত থাকবে। আইন অমান্যকারী কাউকেই ছাড় দেওয়া হবে না।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১০ এপ্রিল ২০২৬
চুয়াডাঙ্গা সদর উপজেলার ডিঙ্গেদহ হাইওয়ে ফিলিং স্টেশনে তেল নেওয়াকে কেন্দ্র করে মারামারির ঘটনায় তিন যুবককে সাজা প্রদান করেছে ভ্রাম্যমাণ আদালত। শুক্রবার (১০ এপ্রিল) সকালে চুয়াডাঙ্গা জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে পরিচালিত এক অভিযানে এ দণ্ডাদেশ দেওয়া হয়।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, আজ সকাল ১০টার দিকে ডিঙ্গেদহ হাইওয়ে ফিলিং স্টেশনে তেল সংগ্রহ করতে আসা গ্রাহকদের মধ্যে কথা-কাটাকাটি ও একপর্যায়ে মারামারির ঘটনা ঘটে। খবর পেয়ে চুয়াডাঙ্গা জেলা প্রশাসনের এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট মো. ফাহাদ চৌধুরীর নেতৃত্বে দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছায় ভ্রাম্যমাণ আদালত।
আদালত সিসিটিভি ফুটেজ বিশ্লেষণ করে ঘটনার সত্যতা যাচাইয়ের পর তিনজনকে অভিযুক্ত করে। দণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন মানিকদিহী গ্রামের জহিরুল ইসলামের ছেলে আশরাফুল ইসলাম (২০) ও একই গ্রামের আব্বাস উদ্দিনের ছেলে মারুফ বিল্লাহ (২০) কে ভ্রাম্যমাণ আদালত দন্ডবিধি ১৮৬০ এর ১৮৮ ধারায় পাঁচ দিন করে বিনাশ্রম কারাদণ্ড প্রদাণ করেণ। এছাড়াও এ ঘটনাই চুয়াডাঙ্গা পৌর এলাকার সাতগাড়ি গ্রামের আব্দুর রাজ্জাকের ছেলে নাঈম হোসেন (২৯) কে ১ হাজার টাকা অর্থদণ্ড প্রদাণ করেন ভ্রাম্যমাণ আদালত।
অভিযান শেষে এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট ফাহাদ চৌধুরী সাংবাদিকদের জানান "তেল নেওয়ার লাইনে বিশৃঙ্খলা ও মারামারির খবর পেয়ে আমরা তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা গ্রহণ করি। পাম্পের সিসিটিভি ফুটেজ পর্যবেক্ষণ করে বিশৃঙ্খলায় জড়িতদের শনাক্ত করা হয়েছে। অপরাধ স্বীকার করায় দুজনকে ৫ দিন করে বিনাশ্রম কারাদণ্ড এবং একজনকে ১ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে।"
তিনি আরও সতর্ক করে বলেন, সাধারণ মানুষের ভোগান্তি নিরসনে এবং জনশৃঙ্খলা বজায় রাখতে জেলা প্রশাসনের এ ধরনের অভিযান নিয়মিত অব্যাহত থাকবে। আইন অমান্যকারী কাউকেই ছাড় দেওয়া হবে না।

আপনার মতামত লিখুন