খাগড়াছড়ি সদর উপজেলার ১নং খাগড়াছড়ি ইউনিয়নের ২নং ওয়ার্ডের আকবাড়ি এলাকায় মঙ্গলবার (৮ এপ্রিল ২০২৬) সকাল ৯:৩০টায় এক সন্ত্রাসী হামলায় ইউপিডিএফের সদস্য নিউটন চাকমা ওরফে নির্মল (৪৭) নিহত হয়েছেন। নিহতের পিতা সোনাধন চাকমা, তিনি মূলত রাঙামাটির মগবান ইউনিয়নের গবঘোনা গ্রামের বাসিন্দা। বর্তমানে নিউটন চাকমা পরিবারের সঙ্গে খাগড়াছড়ি মহালছড়ি উপজেলার সদর ইউনিয়নের যৌথ খামার এলাকায় বসবাস করছিলেন।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, নিহত ইউপিডিএফ সদস্য আজ সকালে এক সহযোগীর সঙ্গে সাংগঠনিক কাজে আকবাড়ি এলাকায় যান। সেখানে অবস্থানকালে অজিত চাকমার নেতৃত্বে ঠ্যাঙাড়ে সন্ত্রাসীদের ৮–৯ সদস্যের সশস্ত্র দল মোটরসাইকেলযোগে মাইসছড়ি থেকে এসে হঠাৎ হামলা চালায়। হামলার সময় উপস্থিত একজন সদস্য নিজের জীবন রক্ষা করতে সক্ষম হলেও নিউটন চাকমা গুলিবিদ্ধ হয়ে ঘটনাস্থলেই মারা যান। স্থানীয়রা জানান, লাশটি এখনও সেখানে রাখা আছে এবং পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছানোর প্রস্তুতি নিচ্ছে।
হামলাকারীরা অত্যন্ত পরিকল্পিতভাবে কাজ করেছে বলে স্থানীয়রা দাবি করেছেন। তারা কয়েকদিন ধরে এলাকায় রেকি চালাচ্ছিল এবং হামলার জন্য স্থান, সময় ও লক্ষ্য নির্ধারণ করেছিল। হামলায় ব্যবহৃত অস্ত্রের মধ্যে ছিল একে-৪৭সহ অন্যান্য ভারী অস্ত্র।
অভিযুক্ত অজিত চাকমা (৩৫) মূলত রাঙামাটির কাউখালি উপজেলার বাসিন্দা হলেও বর্তমানে খাগড়াছড়ি মহালছড়ি উপজেলার পূর্ব মানিকছড়ি কিয়াংঘাট এলাকায় বসবাস করছেন। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, অজিতের নেতৃত্বে পরিচালিত ‘ঠ্যাঙাড়ে বাহিনী’ পূর্বেও বিভিন্ন সশস্ত্র কার্যক্রমে যুক্ত ছিল এবং ইউপিডিএফ সদস্যদের ওপর হামলার উদ্দেশ্যে পরিকল্পনা করেছিল।
নিহতের পরিবারের সদস্য ও স্থানীয়রা জানিয়েছেন, নিউটন চাকমা এলাকায় শান্তিপ্রিয় এবং সাংগঠনিক কর্মকাণ্ডে সক্রিয় ছিলেন। তার হত্যার ঘটনায় পুরো এলাকায় আতঙ্ক বিরাজ করছে। স্থানীয় ব্যবসায়ী ও সাধারণ মানুষ নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়ে উদ্বিগ্ন।
স্থানীয় প্রশাসন এবং পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন এবং সন্ত্রাসী হামলার সঙ্গে জড়িতদের খুঁজে বের করার জন্য তদন্ত শুরু করেছে। পুলিশ জানান, হামলায় ব্যবহৃত মোটরসাইকেল এবং অস্ত্রের সূত্রে হামলাকারীদের সনাক্ত করার চেষ্টা চলছে।
এই হত্যাকাণ্ডকে স্থানীয়রা একটি পরিকল্পিত রাজনৈতিক ও সশস্ত্র সংঘাত হিসেবে উল্লেখ করেছেন, যা এলাকায় স্থিতিশীলতার জন্য বড় ধরনের হুমকি সৃষ্টি করছে। এখন পর্যন্ত অভিযোগ নেই যে অন্যান্য ইউপিডিএফ সদস্যরা আহত হয়েছেন, তবে তাদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে পুলিশ এবং প্রশাসন এলাকার নজরদারি জোরদার করেছে।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৮ এপ্রিল ২০২৬
খাগড়াছড়ি সদর উপজেলার ১নং খাগড়াছড়ি ইউনিয়নের ২নং ওয়ার্ডের আকবাড়ি এলাকায় মঙ্গলবার (৮ এপ্রিল ২০২৬) সকাল ৯:৩০টায় এক সন্ত্রাসী হামলায় ইউপিডিএফের সদস্য নিউটন চাকমা ওরফে নির্মল (৪৭) নিহত হয়েছেন। নিহতের পিতা সোনাধন চাকমা, তিনি মূলত রাঙামাটির মগবান ইউনিয়নের গবঘোনা গ্রামের বাসিন্দা। বর্তমানে নিউটন চাকমা পরিবারের সঙ্গে খাগড়াছড়ি মহালছড়ি উপজেলার সদর ইউনিয়নের যৌথ খামার এলাকায় বসবাস করছিলেন।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, নিহত ইউপিডিএফ সদস্য আজ সকালে এক সহযোগীর সঙ্গে সাংগঠনিক কাজে আকবাড়ি এলাকায় যান। সেখানে অবস্থানকালে অজিত চাকমার নেতৃত্বে ঠ্যাঙাড়ে সন্ত্রাসীদের ৮–৯ সদস্যের সশস্ত্র দল মোটরসাইকেলযোগে মাইসছড়ি থেকে এসে হঠাৎ হামলা চালায়। হামলার সময় উপস্থিত একজন সদস্য নিজের জীবন রক্ষা করতে সক্ষম হলেও নিউটন চাকমা গুলিবিদ্ধ হয়ে ঘটনাস্থলেই মারা যান। স্থানীয়রা জানান, লাশটি এখনও সেখানে রাখা আছে এবং পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছানোর প্রস্তুতি নিচ্ছে।
হামলাকারীরা অত্যন্ত পরিকল্পিতভাবে কাজ করেছে বলে স্থানীয়রা দাবি করেছেন। তারা কয়েকদিন ধরে এলাকায় রেকি চালাচ্ছিল এবং হামলার জন্য স্থান, সময় ও লক্ষ্য নির্ধারণ করেছিল। হামলায় ব্যবহৃত অস্ত্রের মধ্যে ছিল একে-৪৭সহ অন্যান্য ভারী অস্ত্র।
অভিযুক্ত অজিত চাকমা (৩৫) মূলত রাঙামাটির কাউখালি উপজেলার বাসিন্দা হলেও বর্তমানে খাগড়াছড়ি মহালছড়ি উপজেলার পূর্ব মানিকছড়ি কিয়াংঘাট এলাকায় বসবাস করছেন। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, অজিতের নেতৃত্বে পরিচালিত ‘ঠ্যাঙাড়ে বাহিনী’ পূর্বেও বিভিন্ন সশস্ত্র কার্যক্রমে যুক্ত ছিল এবং ইউপিডিএফ সদস্যদের ওপর হামলার উদ্দেশ্যে পরিকল্পনা করেছিল।
নিহতের পরিবারের সদস্য ও স্থানীয়রা জানিয়েছেন, নিউটন চাকমা এলাকায় শান্তিপ্রিয় এবং সাংগঠনিক কর্মকাণ্ডে সক্রিয় ছিলেন। তার হত্যার ঘটনায় পুরো এলাকায় আতঙ্ক বিরাজ করছে। স্থানীয় ব্যবসায়ী ও সাধারণ মানুষ নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়ে উদ্বিগ্ন।
স্থানীয় প্রশাসন এবং পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন এবং সন্ত্রাসী হামলার সঙ্গে জড়িতদের খুঁজে বের করার জন্য তদন্ত শুরু করেছে। পুলিশ জানান, হামলায় ব্যবহৃত মোটরসাইকেল এবং অস্ত্রের সূত্রে হামলাকারীদের সনাক্ত করার চেষ্টা চলছে।
এই হত্যাকাণ্ডকে স্থানীয়রা একটি পরিকল্পিত রাজনৈতিক ও সশস্ত্র সংঘাত হিসেবে উল্লেখ করেছেন, যা এলাকায় স্থিতিশীলতার জন্য বড় ধরনের হুমকি সৃষ্টি করছে। এখন পর্যন্ত অভিযোগ নেই যে অন্যান্য ইউপিডিএফ সদস্যরা আহত হয়েছেন, তবে তাদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে পুলিশ এবং প্রশাসন এলাকার নজরদারি জোরদার করেছে।

আপনার মতামত লিখুন