ফরিদপুরের ভাঙ্গা-মাওয়া-ঢাকা এক্সপ্রেসওয়ের সূর্যনগর এলাকায় এক মর্মান্তিক সড়ক দুর্ঘটনায় জিফাত (১৬) নামে এক মোটরসাইকেল আরোহী কিশোর নিহত হয়েছে। মঙ্গলবার (৭ এপ্রিল) সন্ধ্যার দিকে এ দুর্ঘটনা ঘটে, যা পুরো এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এনেছে।
নিহত জিফাত উপজেলার নাছিরাবাদ ইউনিয়নের ছোট পাল্লা গ্রামের বাসিন্দা বায়েজিদ ফকিরের ছেলে। সে স্থানীয় একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থী ছিল বলে জানা গেছে।
স্থানীয় ও প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানা যায়, সন্ধ্যার দিকে জিফাত মোটরসাইকেল নিয়ে ভাঙ্গা-মাওয়া-ঢাকা এক্সপ্রেসওয়ের সূর্যনগর এলাকায় পৌঁছালে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে সড়কে পড়ে যায় অথবা একটি দ্রুতগতির যানবাহনের সঙ্গে সংঘর্ষে গুরুতর আহত হয়। দুর্ঘটনার পরপরই আশপাশের লোকজন ছুটে এসে তাকে রক্তাক্ত অবস্থায় উদ্ধার করে।
পরে দ্রুত উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে ঢাকায় নেওয়ার উদ্যোগ নেওয়া হয়। তবে পথে তার শারীরিক অবস্থার অবনতি হতে থাকে। একপর্যায়ে অতিরিক্ত রক্তক্ষরণ ও আঘাতের কারণে সে মৃত্যুবরণ করে বলে জানান সঙ্গে থাকা স্বজনরা।
দুর্ঘটনার খবর ছড়িয়ে পড়লে নিহতের বাড়িতে নেমে আসে শোকের মাতম। স্বজনদের আহাজারিতে ভারী হয়ে ওঠে পরিবেশ। প্রতিবেশীরা ছুটে এসে পরিবারকে সান্ত্বনা দেওয়ার চেষ্টা করেন। এত অল্প বয়সে জিফাতের মৃত্যুতে এলাকায় গভীর শোক ও বেদনার সৃষ্টি হয়েছে।
স্থানীয়রা জানান, এক্সপ্রেসওয়েতে প্রায়ই দ্রুতগতির যানবাহনের কারণে দুর্ঘটনা ঘটে। তারা সড়কে কঠোর নজরদারি, গতি নিয়ন্ত্রণ এবং সচেতনতামূলক কার্যক্রম জোরদারের দাবি জানিয়েছেন।
এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকে এখনও আনুষ্ঠানিক কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি। তবে আইনগত প্রক্রিয়া শেষে মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হবে বলে জানা গেছে।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৮ এপ্রিল ২০২৬
ফরিদপুরের ভাঙ্গা-মাওয়া-ঢাকা এক্সপ্রেসওয়ের সূর্যনগর এলাকায় এক মর্মান্তিক সড়ক দুর্ঘটনায় জিফাত (১৬) নামে এক মোটরসাইকেল আরোহী কিশোর নিহত হয়েছে। মঙ্গলবার (৭ এপ্রিল) সন্ধ্যার দিকে এ দুর্ঘটনা ঘটে, যা পুরো এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এনেছে।
নিহত জিফাত উপজেলার নাছিরাবাদ ইউনিয়নের ছোট পাল্লা গ্রামের বাসিন্দা বায়েজিদ ফকিরের ছেলে। সে স্থানীয় একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থী ছিল বলে জানা গেছে।
স্থানীয় ও প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানা যায়, সন্ধ্যার দিকে জিফাত মোটরসাইকেল নিয়ে ভাঙ্গা-মাওয়া-ঢাকা এক্সপ্রেসওয়ের সূর্যনগর এলাকায় পৌঁছালে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে সড়কে পড়ে যায় অথবা একটি দ্রুতগতির যানবাহনের সঙ্গে সংঘর্ষে গুরুতর আহত হয়। দুর্ঘটনার পরপরই আশপাশের লোকজন ছুটে এসে তাকে রক্তাক্ত অবস্থায় উদ্ধার করে।
পরে দ্রুত উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে ঢাকায় নেওয়ার উদ্যোগ নেওয়া হয়। তবে পথে তার শারীরিক অবস্থার অবনতি হতে থাকে। একপর্যায়ে অতিরিক্ত রক্তক্ষরণ ও আঘাতের কারণে সে মৃত্যুবরণ করে বলে জানান সঙ্গে থাকা স্বজনরা।
দুর্ঘটনার খবর ছড়িয়ে পড়লে নিহতের বাড়িতে নেমে আসে শোকের মাতম। স্বজনদের আহাজারিতে ভারী হয়ে ওঠে পরিবেশ। প্রতিবেশীরা ছুটে এসে পরিবারকে সান্ত্বনা দেওয়ার চেষ্টা করেন। এত অল্প বয়সে জিফাতের মৃত্যুতে এলাকায় গভীর শোক ও বেদনার সৃষ্টি হয়েছে।
স্থানীয়রা জানান, এক্সপ্রেসওয়েতে প্রায়ই দ্রুতগতির যানবাহনের কারণে দুর্ঘটনা ঘটে। তারা সড়কে কঠোর নজরদারি, গতি নিয়ন্ত্রণ এবং সচেতনতামূলক কার্যক্রম জোরদারের দাবি জানিয়েছেন।
এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকে এখনও আনুষ্ঠানিক কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি। তবে আইনগত প্রক্রিয়া শেষে মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হবে বলে জানা গেছে।

আপনার মতামত লিখুন