সিলেটে বাবু সুরঞ্জন সেনগুপ্ত হত্যা চেষ্টা মামলায় হাজিরা দিতে আদালতে উপস্থিত হয়েছেন প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থানমন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী, বিএনপি নেতা জিকে গউসs এবং সাবেক স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী লুফুজ্জামান বাবর। মঙ্গলবার (৭ এপ্রিল ২০২৬) সিলেট আদালত প্রাঙ্গণে হাজির হয়ে তারা নিজেদের বক্তব্য তুলে ধরেন। আদালত প্রাঙ্গণে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলতে গিয়ে আরিফুল হক চৌধুরী বলেন, মামলাটি উদ্দেশ্যপ্রণোদিত এবং রাজনৈতিকভাবে তাকে হয়রানির জন্য দায়ের করা হয়েছে। তিনি দাবি করেন, তৎকালীন সরকারের সময়ে আন্দোলন দমন করার উদ্দেশ্যে তাকে এই মামলায় জড়ানো হয়েছিল। তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করে বলেন, ন্যায়বিচার হলে তিনি এ মামলা থেকে খালাস পাবেন। একই ধরনের বক্তব্য দেন জিকে গউস। তিনি বলেন, তার নিজ এলাকা হবিগঞ্জে রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড বাধাগ্রস্ত করার জন্যই তাকে এই মামলায় আসামি করা হয়েছে। তিনি দাবি করেন, এটি একটি সাজানো মামলা এবং বিচারিক প্রক্রিয়ায় সত্য প্রকাশ পেলে তিনি অব্যাহতি পাবেন। সাবেক স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী লুৎফুজ্জামান বাবর বলেন, অতীতের রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে বিরোধী দলের নেতাকর্মীদের দমন করতে বহু মামলা দেওয়া হয়েছিল। তিনি অভিযোগ করেন, শুধু তাকে নয়, দেশের হাজার হাজার নেতাকর্মীকে একইভাবে মামলায় জড়ানো হয়েছে। তিনি আরও বলেন, বিভিন্ন মামলায় সাজা ও কারাবাসের মুখোমুখি হলেও জনগণের সমর্থন তাকে শক্তি জুগিয়েছে। বাবর তার বক্তব্যে বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া-এর জন্য দোয়া কামনা করেন এবং দলীয় নেতৃত্বের প্রতি সমর্থন জানান। একই সঙ্গে দেশের উন্নয়নে জনগণের সহযোগিতা প্রত্যাশা করেন। তবে এই মামলার বিষয়ে আদালত বা আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর পক্ষ থেকে তাৎক্ষণিক কোনো মন্তব্য পাওয়া যায়নি। মামলার পরবর্তী শুনানির তারিখ ও অগ্রগতি সম্পর্কে আনুষ্ঠানিকভাবে কিছু জানানো হয়নি। উল্লেখ্য, এ ধরনের মামলার বিষয়ে সংশ্লিষ্ট পক্ষের দাবি-প্রতিদাবি থাকলেও চূড়ান্ত সত্য নির্ধারণের দায়িত্ব আদালতের। তাই বিচারিক প্রক্রিয়া শেষ না হওয়া পর্যন্ত অভিযোগগুলো প্রমাণিত নয় বলে আইনগতভাবে বিবেচিত হয়।

বুধবার, ২৯ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৭ এপ্রিল ২০২৬
সিলেটে বাবু সুরঞ্জন সেনগুপ্ত হত্যা চেষ্টা মামলায় হাজিরা দিতে আদালতে উপস্থিত হয়েছেন প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থানমন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী, বিএনপি নেতা জিকে গউসs এবং সাবেক স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী লুফুজ্জামান বাবর। মঙ্গলবার (৭ এপ্রিল ২০২৬) সিলেট আদালত প্রাঙ্গণে হাজির হয়ে তারা নিজেদের বক্তব্য তুলে ধরেন। আদালত প্রাঙ্গণে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলতে গিয়ে আরিফুল হক চৌধুরী বলেন, মামলাটি উদ্দেশ্যপ্রণোদিত এবং রাজনৈতিকভাবে তাকে হয়রানির জন্য দায়ের করা হয়েছে। তিনি দাবি করেন, তৎকালীন সরকারের সময়ে আন্দোলন দমন করার উদ্দেশ্যে তাকে এই মামলায় জড়ানো হয়েছিল। তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করে বলেন, ন্যায়বিচার হলে তিনি এ মামলা থেকে খালাস পাবেন। একই ধরনের বক্তব্য দেন জিকে গউস। তিনি বলেন, তার নিজ এলাকা হবিগঞ্জে রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড বাধাগ্রস্ত করার জন্যই তাকে এই মামলায় আসামি করা হয়েছে। তিনি দাবি করেন, এটি একটি সাজানো মামলা এবং বিচারিক প্রক্রিয়ায় সত্য প্রকাশ পেলে তিনি অব্যাহতি পাবেন। সাবেক স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী লুৎফুজ্জামান বাবর বলেন, অতীতের রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে বিরোধী দলের নেতাকর্মীদের দমন করতে বহু মামলা দেওয়া হয়েছিল। তিনি অভিযোগ করেন, শুধু তাকে নয়, দেশের হাজার হাজার নেতাকর্মীকে একইভাবে মামলায় জড়ানো হয়েছে। তিনি আরও বলেন, বিভিন্ন মামলায় সাজা ও কারাবাসের মুখোমুখি হলেও জনগণের সমর্থন তাকে শক্তি জুগিয়েছে। বাবর তার বক্তব্যে বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া-এর জন্য দোয়া কামনা করেন এবং দলীয় নেতৃত্বের প্রতি সমর্থন জানান। একই সঙ্গে দেশের উন্নয়নে জনগণের সহযোগিতা প্রত্যাশা করেন। তবে এই মামলার বিষয়ে আদালত বা আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর পক্ষ থেকে তাৎক্ষণিক কোনো মন্তব্য পাওয়া যায়নি। মামলার পরবর্তী শুনানির তারিখ ও অগ্রগতি সম্পর্কে আনুষ্ঠানিকভাবে কিছু জানানো হয়নি। উল্লেখ্য, এ ধরনের মামলার বিষয়ে সংশ্লিষ্ট পক্ষের দাবি-প্রতিদাবি থাকলেও চূড়ান্ত সত্য নির্ধারণের দায়িত্ব আদালতের। তাই বিচারিক প্রক্রিয়া শেষ না হওয়া পর্যন্ত অভিযোগগুলো প্রমাণিত নয় বলে আইনগতভাবে বিবেচিত হয়।

আপনার মতামত লিখুন